মহানবীর দেখান পথেই ইমামরা নাবালিকা ধর্ষন করে থাকে

মহানবী মুহাম্মদ হলেন সকল মুমিন মুসলমানের আদর্শ শ্রেষ্ট পুরুষ যার আদর্শ সর্বকালে সকল মুমিনের জন্যে অনুসরন করা অবশ্য পালনীয়। যদি তার দেখান আদর্শ কাজকে কেউ অনুসরন না করে , বা তার আদর্শ কাজের সমালোচনা করে , তাহলে সে মুনাফিকে পরিনত হবে। আর তার শাস্তি হবে- ইসলামী শরিয়া মতে- সোজা কল্লা কাটা। কিন্তু দেখা যায়, ইদানিং কিছু কথিত নামধারী মডারেট মুসলমান , নবীর আদর্শ অনুসরন কারী ইমাম বা আলেমদের কাজ কর্মকে সমালোচনা করে। তাহলে এরা কি মুসলমান নাকি মুনাফিক ?


মহানবী মুহাম্মদ হলেন সকল মুমিন মুসলমানের আদর্শ শ্রেষ্ট পুরুষ যার আদর্শ সর্বকালে সকল মুমিনের জন্যে অনুসরন করা অবশ্য পালনীয়। যদি তার দেখান আদর্শ কাজকে কেউ অনুসরন না করে , বা তার আদর্শ কাজের সমালোচনা করে , তাহলে সে মুনাফিকে পরিনত হবে। আর তার শাস্তি হবে- ইসলামী শরিয়া মতে- সোজা কল্লা কাটা। কিন্তু দেখা যায়, ইদানিং কিছু কথিত নামধারী মডারেট মুসলমান , নবীর আদর্শ অনুসরন কারী ইমাম বা আলেমদের কাজ কর্মকে সমালোচনা করে। তাহলে এরা কি মুসলমান নাকি মুনাফিক ?

একথা সর্বজন বিদিত যে , আমাদের নবী মুহাম্মদ ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছর বয়সের শিশু আয়শাকে বিয়ে করেন। আর তারপর আয়শার বয়স যখন ৯ , তখন ৫৪ বছর বয়সী মুহাম্মদ তার সাথে যৌনকাজ করেন। হাদিসে যেমন আছে :

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৬২ :: হাদিস ৬৪:
মুহাম্মদ ইব্ন ইউসুফ ….. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সা) যখন তাঁকে শাদী করেন তখন তাঁর বয়স ছিল ৬ বছর এবং নয় বছর বয়সে রাসূলুলস্নাহ্ (সা) তাঁর সাথে বাসর ঘর করেন এবং তিনি তাঁর সান্নিধ্যে নয় বছরকাল ছিলেন।

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৮ :: হাদিস ৩৩১১:
ইয়াহইয়া ইবন ইয়াহইয়া (র)……আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন যে, তার ছয় বছর বয়সে রাসুলুল্লাহ (সা) তাকে বিবাহ করেন, তার নয় বছর বয়সে তিনি তাকে নিয়ে বাসর যাপন করেন এবং আঠার বছর বয়সে তিনি ইন্তিকাল করেন ।

সুনান আবু দাউদ :: আদব ও শিষ্টাচার অধ্যায় ৪৩, হাদিস ৪৯৩৬:
মূসা ইবন ইসমাঈল (র)…. আইশা (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেনঃ আমরা যখন মদীনায় আসি, তখন আমার কাছে কয়েকজন মহিলা আসে, আর সে সময় আমি দোলনায় দোল খাচ্ছিলাম । এ সময় আমার মাথার চুল ছোট ছিল । তারা আমাকে নিয়ে গিয়ে সুন্দররুপে সুসজ্জিত করে রাসূলুল্লাহ (সা)-এর কাছে নিয়ে আসে । এ সময় তিনি আমার সাথে যৌনকাজ করেন, আর তখন আমার বয়স ছিল নয় বছর ।

৯ বছর বয়সী একটা অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকা যাকে শিশু বলা হয়, নিশ্চিতভাবেই যৌন কাজের জন্যে শারিরীক বা মানসিক উভয় দিক থেকেই উপযুক্ত ছিল না। ৯ বছর বয়স্কা কোন শিশু নিশ্চিতভাবেই ৫৪ বছর বয়সের এক প্রৌড় কোন ব্যাক্তির সাথে তাই যৌন কাজ করার জন্যে রাজীও থাকতে পারে না। কিন্তু দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ মুহাম্মদের কাজ নিয়ে কথা। যেহেতু তিনি ৯ বছরের শিশু আয়শার সাথে ৫৪ বছর বয়েসে তার সাথে যৌন কাজ করেছিলেন , আর সেটা নিশ্চিতভাবেই আয়শার ইচ্ছার বিরুদ্ধে , তাহলে সেটাকে ধর্ষনই বলতে হবে। আর যেহেতু কাজটি করছেন সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ মুহাম্মদ , তার অর্থ, ৯ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষন করা হলো একটা আদর্শ কাজ যা প্রতিটা মুসলমানের জন্যে অনুসরন করা একান্ত বাধ্যতামূলক। যে সেটা অনুসরন করবে না , সে হয়ে যাবে মুনাফিক মুরতাদ।

আমাদের প্রৌঢ় ৫৪/৫৫ বছরের দয়াল নবী , ৯ বছরের আয়শার সাথে তখনই নিয়মিত যৌন কাজ করতেন যখন আয়শা পুতুল নিয়ে তার সাথীদের সাথে খেলাধুলা করত, যেমন:

সুনান আবু দাউদ :: আদব ও শিষ্টাচার অধ্যায় ৪৩, হাদিস ৪৯৩২:
মুসাদ্দাদ (র)…. আইশা (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেনঃ আমি কাপড়ের তৈরী স্ত্রী পুতুল নিয়ে খেলা করতাম । অধিকাংশ সময় রাসূলুল্লাহ (সা) আমার কাছে এমন সময় আসতেন, যখন অন্যান্য বালিকারা আমার কাছে উপস্থিত থাকতো । আর তিনি যখন ঘরে প্রবেশ করতেন, তখন তারা চলে যেত এবং যখন তিনি বাইরে যেতেন, তখন তারা আবার আসতো ।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে ৯ বছরের শিশুর সাথে যৌন কাজ করা তথা তাকে ধর্ষন করা হলো আমাদের নবীর দেখান পথে একটা আদর্শ কাজ যা আমাদের সকলেরই অনুসরন করা উচিত। অথচ , অধিকাংশ মুমিনরাই সেটা অনুসরন করে না , বরং অন্য কেউ সেটা করলে তার সমালোচনা করে। অর্থাৎ প্রকারান্তরে তারা আমাদের নবীর কাজকামকেই সমালোচনা করে। এটা কি মুনাফিকি নয় ?

নবীর এই আদর্শ কাজ অনুসরনকারী কিছু সহিহ মুমিনের ঘটনা তুলে ধরা হলো :

http://www.examiner.com/article/saudi-imam-rapes-tortures-5-yr-old-daughter-because-he-doubted-her-virginity

http://www.dailymail.co.uk/news/article-1346514/Muslim-leader-raped-young-boy-attended-mosque-religious-lessons.html

http://www.telegraph.co.uk/news/uknews/1479628/Imam-raped-12-year-old-girl-during-Koran-classes.html

http://dunyanews.tv/en/Pakistan/218600-Badin-Mosque-Imam-rapes-kills-12yearold-girl

http://www.tolonews.com/en/afghanistan/16892-imam-who-raped-10-year-old-sentenced-to-20-years

১২ thoughts on “মহানবীর দেখান পথেই ইমামরা নাবালিকা ধর্ষন করে থাকে

  1. কাঁপানো আর্টিকেল। শেয়ার
    কাঁপানো আর্টিকেল। শেয়ার দিতেছি ।

    এই ধরনের আর্টিকেল মাঝে মধ্যে এইরকম রেফেরেন্স সহ প্রকাশ হওয়া উচিত। মানুষ কে ‘বেদ্বীন’ এর পথে ‘দাওয়াহ’ দিতে হবে। (মুক্তমনায় তো বহুত লেখা হইছে, তর্ক বিতর্ক হইছে। কিন্তু সমস্যা হইলো, সব আর্কাইভে গেছে গিয়া। কিন্তু এইসব আর্টিকেল front line এ থাকা উচিত। আর্কাইভ এ গেলে চলবো না। মাঝে মধ্যে একটু বিশেষ … নুভুতিতে নাড়া চাড়া দেওয়ার দরকার আছে। ঠিক কইলাম না?)

  2. সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশের
    সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবর রহমান , শেখ ফজিলাতুন্নেসাকে বয়ে করেছিলন মাত্র ১১ বছর বয়সে।
    রবীন্দ্রনাথা ঠাকুর মৃনালিনী দেবীকে বিয়ে করেছিলেন মাত্র ১২ বছর বয়সে।

    কিছুদিন আগেই আমাদের দাদী-নানীর বিয়ে হয়েছিল মাত্র ৮ থেকে ১২ বছর বয়েসে।

    আসলে একটা সময় ছিল যখন অল্প বয়েসের মেয়েরাই সংসারের হাল ধরতে পারতেন খুব শক্ত হাতে। তাদের স্বামীরাই দেশের স্থপতি হতেন, নোবেল পেতেন বা নবী হতেন। কিন্তু আজকাল বয়স্ক , উচ্চশিক্ষিতা অনেক মেয়েরাই স্বামীর সাথে সংসারটা পর্যন্ত টিকিয়ে রাখতে পারেন না।

    আচ্ছা বিয়ের সময় আপনার দাদী আর নানীর বয়স কত ছিল একটু কি বলা যাবে?

    নীচে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরে সাথে মৃণালিনী দেবীর বিয়ের ছবি দিলাম। আশা করি আপনার ভাল লাগবে।

    1. বঙ্গবন্ধু বা রবীন্দ্রনাথ
      বঙ্গবন্ধু বা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা আমাদের দাদা নানীরা কেউই তাদেরকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ হিসাবে দাবী করেন নি। তারা এও দাবী করেন নি যে তাদের আদর্শ সবাইকে অনুসরন করতে হবে। পক্ষান্তরে , আমাদের নবী দাবী করেছেন তিনি হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট পুরুষ যার আদর্শ প্রতিটা মুমিনের জন্যে অবশ্য পালনীয়। পালন না করলেই কল্লা পড়ে যাওয়ার ফতোয়া জারি আছে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন কদুর সাথে কমলার তুলনা চলে না।

      1. পক্ষান্তরে , আমাদের নবী দাবী

        পক্ষান্তরে , আমাদের নবী দাবী করেছেন তিনি হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট পুরুষ যার আদর্শ প্রতিটা মুমিনের জন্যে অবশ্য পালনীয়।

        তাহলে তো ২৫ বছর বয়েসে ৪০ বছরের মহিলা বিয়ে করে, তার সাথে ২৫ বছর সংসার করে, তিনি মারা গেলে তার তিন বছর পর মা আয়েশার বয়েসী মহিলা বিয়ে করতে হবে। সেই মহান আদর্শ কি আমি বা আপনি ওনুসরন করতে পারব?

        1. ভাল বলেছেন।
          মহানবী মুহাম্মদ

          ভাল বলেছেন।
          মহানবী মুহাম্মদ যখন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ , তার আদর্শ অনুসরন করাই যখন আমাদের জন্যে অবশ্য পালনীয়। তখন তিনি যে ২৫ বছর বয়েসে ৪০ বছরের নারী বিয়ে করেছিলেন , সেটাও আদর্শ কাজ। আবার তিনি যে ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের শিশু আয়শাকে বিয়ে করেছিলেন সেটাও একটা আদর্শ কাজ। তিনি ৫৪ বছর বয়েসে ৯ বছরের শিশু আয়শার সাথে যৌনকাজ করেছিলেন, সেটাও একটা আদর্শ কাজ।

          প্রশ্ন হচ্ছে – আমাদের মত মানুষ এসব অনুসরন করতে পারি কি না ? সবাই হয়ত আমরা পারব না , যদিও চেষ্টা করতে পারি , কিন্তু কেউ যদি সেটা করে বা করতে পারে , সেটাকে তো অনৈতিক বলার কোন উপায় নেই। কি বলেন ?

          কিন্তু দেখা যায় , কেউ বুড়া কালে যদি ৬ বছরের শিশু বিয়ে করে , তখন আপনাদের মত মুমিনরাই তার সমালোচনা করেন , আর যদি সেই শিশুর বয়স ৯ হলে তার সাথে জোর করে তার স্বামী যৌনকাজ ( আসলে ধর্ষন) করে , তাহলে তাকেও নরপশু বলে গালি মারেন , সমালোচনা করেন। সেটা কেন ? এসব কি নবীর দেখান আদর্শ কাজ না ? কোন লোক এই কাজ করলে সেটা যদি সমালোচনার যোগ্য হয়, অনৈতিক হয়, সেই একই কাজ মুহাম্মদ করলে সেটা আদর্শ হয় কিভাবে ? নৈতিক হয় কিভাবে ?

          1. ৯ বছরের মেয়েকে বিয়ে করা
            ৯ বছরের মেয়েকে বিয়ে করা অনৈতিক তো মুহাম্মদ সা এর সময় ছিল না। শুধু মুহাম্মদ সা কেন কিছুদিন আগেই শেখ মুজিবর রহমান , রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ইংল্যান্ড-ইউরোপের রাজা বাদশারা ৯ -১০ বছরের মেয়ে বিয়ে করেছেন। এই সম্প্রতিক সময়েই না ৯-১০ বছরের মেয়েকে বিয়ে করা অনৈতিক বলে প্রচার চালান হচ্ছে। তাই নয় কি?

            তার মানে নৈতিকতা আর অনৈতিকতা যুগ আর কালের সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে, তাই না!! তাই দুদিন পরেই যে ৯-১০ বছরের মেয়েকে বিয়ে করা আবার নৈতিক হিসেবে গ্রহন করা হবে না , তারই বা নিশ্চয়তা আমাকে কে দিবে??

            আচ্ছা ধরুন আমি ইসলাম ত্যাগ করে নাস্তিক হয়ে গেলাম—-
            –তখন আমার আদর্শ কি হবে?
            –আমি কতজন নারীর সংগে লিভ টুগেদার করতে পারব?
            লিভতুগেদারের উর্ধ আর নিম্ন সীমা কত?
            –বাবা যদি তার মেয়ের সাথে সেক্স করতে চায় নাস্তিক দৃষ্টিকোন থেকে সেটা কি নৈতিক না অনৈতিক?নাস্তিক Lawrence Krauss কিন্তু বলেছেন মেয়ের সাথে বাবার সেক্স করা অন্যায় নয়।লিংক,
            –নাস্তিকদের কি মা-বাবা-সন্তান ইত্যাদি সম্পর্ক গুলো থাকতে পারবে? এসব সম্পর্কের ভিত্তি কিন্তু বিয়ে করা। বিয়ে আর পরিবার গঠন কিন্তু একটা ধর্মিয় নিয়ম, নাস্তিকরা নিশ্চয়ই সেটা মানবে না, তাই না?
            –প্রকাশ্যে সেক্স,চুমু এগুলো কি নৈতিক না অনৈতিক?

            —- আমার একজন নাস্তিক বন্ধুকে এরকম আরো প্রশ্ন করেছিলাম। উত্তর দিতে পারে নাই। আপনার কাছে টুদি পয়েন্ট উত্তর আশা করছি। যদি সদউত্তর পাই তাহলে হয়ত নাস্তিক হয়ে যেতে পারি এবং বলতে পারি ইসলামের চাইতে নাস্তিকতা বেটার।

          2. ৯ বছরের মেয়েকে বিয়ে করা

            ৯ বছরের মেয়েকে বিয়ে করা অনৈতিক তো মুহাম্মদ সা এর সময় ছিল না।

            তার মানে আপনি নিজেই প্রমান করলেন , মুহাম্মদ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট মানুষ না আর তাই তার আদর্শ সর্বকালের জন্যে প্রযোজ্য না।

            মুহাম্মদের দাবী, তিনি আরবের আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগের সব খারাপ প্রথা উচ্ছেদ করে সর্ব যুগের জন্যে আদর্শ ও প্রযোজ্য বিধান জারি করেছেন। আর সেটা করেছেন আল্লাহর মারফত। কিন্তু সেটা করতে গিয়ে তিনি নিজেই সেই অন্ধকার যুগের প্রথা অনুযায়ী কাজ কারবার করছেন। অন্ধকার যুগের প্রথা অনুযায়ী কাজ করে , কিভাবে তিনি দাবী করেন , তার আদর্শ সর্বকালের জন্য প্রযোজ্য ও সর্বশ্রেষ্ট ? যে অন্ধকার যুগের বিধি বিধান রদ করার জন্যে তার ইসলাম প্রচার , সেই ইসলাম প্রচারকারী মুহাম্মদ নিজেই অন্ধকার যুগের বিধান অনুসরন করছেন, তাহলে তিনি কি নিজেই স্ববিরোধী আচরন করছেন না ? ধরুন , একজন হেরোইন খোর , সে নিজে জানে যে হেরোইন অভ্যাস করা খারাপ জিনিস। তারপরেও সে অন্যকে উপদেশ দিল হেরোইন অভ্যাস না করতে। কিন্তু নিজে হেরোইনের অভ্যাস ছাড়তে পারল না। তাহলে সেই ব্যাক্তিকে কি একজন আদর্শ মানুষ বলা যাবে ? চোর নিজে অন্যকে চুরি করতে নিষেধ করতে পারে , সেটা একটা ভাল উপদেশ কিন্তু সেই উপদেশ দেয়ার পরেও যদি সে নিজেই চুরি অব্যহত রাখে , তাহলে তাকে আর যাই হোক আদর্শ মানুষ বলা যেতে পারে না। কি বলেন ? ভাল করে ভাবুন , তারপর সিদ্ধান্তে আসুন।

            মুহাম্মদ যদি সেই যুগের উপযোগী বিধান অনুযায়ী, শিশু বিয়ে করে , তাহলে মুহাম্মদ সেই যুগের জন্যে আদর্শ মানুষ হতে পারে , বর্তমান যুগের জন্যে নয়। আর যদি ধরে নেয়া হয় ,মুহাম্মদ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ তাহলে এ সিদ্ধান্তে আসতে হবে, শিশু বিয়ে করা ও তাদের সাথে যৌনকাজ করা সর্ব যুগের জন্যেই আদর্শ কাজ। তাই না ? এখন আপনি কি সেটা মেনে নিচ্ছেন ?

            প্রকাশ্যে সেক্স , চুমু ইত্যাদি নিয়ে আপনি উদ্ভট প্রশ্ন করলেন।

            দেশ , কাল ও সংস্কৃতি ভেদে মানুষ নিজেই সিদ্ধান্ত নেবে কোনটা তাদের জন্যে ভাল ও সময়োপযোগী। এটা সততই পরিবর্তনশীল। কাল পরিবর্তনশীল, বিশ্ব পরিবর্তনশীল , ঘটনা পরিবর্তনশীল, সমাজ পরিবর্তনশীল , সেখানে কিছু প্রথা চিরকালের জন্যে শ্রেষ্ট ও আদর্শ হতে পারে না।পশ্চিমা সমাজে প্রকাশ্যে চুমাচুমি করে , সেটাতে যদি কোন দিন দেখা যায়, সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি হচ্ছে , তাহলে সেই প্রথা আইন করে রদ করে দেবে। এখানে কোন ঐশি বিধান হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। কিন্তু মুহাম্মদের প্রচারিত আদর্শ কাজ শিশু বিয়েকে আপনি কিভাবে আইন দ্বারা রদ করবেন , যখন আপনি নিজেই বিশ্বাস করেন যে মুহাম্মদের কাজ হলো সর্বকালের জন্যে আদর্শ ? সর্বকালের জন্যে আদর্শ কাজকে তো আইন দ্বারা রদ করতে পারেন না। তাই না ? সেই কারনেই কিন্তু আরব দেশগুলোতে শিশু বিয়ে আইন করে রদ করা যায় নি। কারন সেটা আল্লাহর বিধান আর মুহাম্মদ নিজেই সেটা করে গেছেন।

            হিন্দুদের মধ্যে অনেক খারাপ ও অমানবিক প্রথা ছিল যার অন্যতম হলো সতীদাহ। হিন্দুদের বিভিন্ন কিতাব থেকে দেখা যায়, এটা কোন ঐশি বিধান ছিল না বরং ছিল একটা স্বেচ্ছাধীন প্রথা। কোন বিধবা নারী শুধু মাত্র ইচ্ছা করলেই তখন তাকে তার মৃত স্বামীর সাথে দাহ করা হতো। ইংরেজ আমলে যখন এই প্রথা রদ করা হলো , তখন হিন্দুরা কিন্তু খুব বেশী এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারে নি , কারন তারা তাদের শাস্ত্র থেকে প্রমান করতে পারে নি যে সেটা তাদের ঈশ্বরের দেওয়া বিধান। হিন্দুদের বা খৃষ্টান ধর্মে নারীরা তাদের পৈত্রিক সম্পদ পাবে কি পাবে না , সেটা নিয়ে কোন বক্তব্য নেই। ফলে ভারত বা পশ্চিমা রাষ্ট্রে যখন ভাই ও বোন তাদের পৈত্রিক সম্পদের সমান ভাগ পাবে বলে রাষ্ট্র আইন করে , তখন কিন্তু পুরোহিত গোষ্ঠি বা পাদ্রী গোষ্ঠি কোনই প্রতিবাদ করতে পারে নি। পক্ষান্তরে , কিছুকাল আগে বর্তমান সরকার যখন ভাই বোন তাদের পৈত্রিক সম্পদের সমান ভাগ পাবে বলে আইন করবে বলে পদক্ষেপ নিচ্ছিল, সাথে সাথেই কিন্তু মোল্লারা তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে। ফলাফল, সরকারের সে পদক্ষেপ মাঠে মারা যায়। মোল্লাদের বিরুদ্ধাচরন করতে সাহস পায় নি সরকার। কারন , সরকারের লোকজন নিজেরাও তো অবশেষে কোরান হাদিসে বিশ্বাসী। তারা কিভাবে আল্লাহর আইনকে ভঙ্গ করতে পারে ?

            বিয়ে ছাড়া পরিবার গঠন যদি সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে , তাহলে নাস্তিকরা নিজেরাই সুশৃংখল সমাজ গঠনের জন্যে আইন করে নেবে যে বিয়ে ছাড়া পরিবার গঠন করা যাবে না বা যৌন সম্পর্ক করা যাবে না। বিষয়টা নির্ভর করে , কোন প্রথা কতটা সমাজে ভারসাম্য বা শৃংখলা রক্ষা করছে। কোন প্রথা যদি সমাজে ভারসাম্য বা শৃংখলা রক্ষা করতে না পারে , তাহলে তার সংস্কার করে ফেলতে তো কোন অসুবিধা নেই।

  3. সহি মুমিনরা কিন্তু গালিগালাজ
    সহি মুমিনরা কিন্তু গালিগালাজ আরম্ভ করে দিয়েছে, এরমানে হল তাদের কাছে আপনার এই লেখনির কোন সদুত্তর নেই।
    সেইসময় ৯ বছরের মাইয়ার সাথে বিয়ে করার চল ছিল!
    এর মানে মুহাম্মদের কাজ আর কথাগুলি সময়ের সাথে সাথে অপ্রয়োজনীয় হয়ে যাচ্ছে বা হয়ে গেছে।
    হয়ত আগামীতে আবার প্রয়োজনীয় হতে পারে কিন্তু এখনকার সময়ে নেই।

  4. সহি মুমিনরা কিন্তু গালিগালাজ
    সহি মুমিনরা কিন্তু গালিগালাজ আরম্ভ করে দিয়েছে, এরমানে হল তাদের কাছে আপনার এই লেখনির কোন সদুত্তর নেই।
    সেইসময় ৯ বছরের মাইয়ার সাথে বিয়ে করার চল ছিল!
    এর মানে মুহাম্মদের কাজ আর কথাগুলি সময়ের সাথে সাথে অপ্রয়োজনীয় হয়ে যাচ্ছে বা হয়ে গেছে।
    হয়ত আগামীতে আবার প্রয়োজনীয় হতে পারে কিন্তু এখনকার সময়ে নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *