এই সমাজে নারীদের জীবনচক্র

নারীদের প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নাম্বারে পাশ করতে হবে অন্যথায় বর্জন। ছোট্টকাল থেকেই একটি নারীকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হতে হবে নয়তো বর্জন। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে মেধা তালিকায় থাকতে হবে। পরিবারের সব মানুষের দুঃখ-কষ্ট বুঝতে হবে। নিজের আনন্দ ত্যাগ করতে হবে। সবার খুশির জন্য নিজের সুখ বিলীন করে দিতে হবে। প্রেমিকা হতে হলে সুন্দরী হতে হবে। পোশাকে সচেতন হতে হবে। পোশাক পরিধানেও সচেতন হতে হবে। প্রেমিকের নষ্ট হৃদয় আনন্দের বন্যা ভাসায় দিতে হবে। তথাকথিত প্রেমিকের রক্ষিতা হয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে তাকে বারেবারে প্রমাণ দিতে হবে অন্য সব মেয়ে থেকেই তিনিই উৎকৃষ্ট।


নারীদের প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নাম্বারে পাশ করতে হবে অন্যথায় বর্জন। ছোট্টকাল থেকেই একটি নারীকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হতে হবে নয়তো বর্জন। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে মেধা তালিকায় থাকতে হবে। পরিবারের সব মানুষের দুঃখ-কষ্ট বুঝতে হবে। নিজের আনন্দ ত্যাগ করতে হবে। সবার খুশির জন্য নিজের সুখ বিলীন করে দিতে হবে। প্রেমিকা হতে হলে সুন্দরী হতে হবে। পোশাকে সচেতন হতে হবে। পোশাক পরিধানেও সচেতন হতে হবে। প্রেমিকের নষ্ট হৃদয় আনন্দের বন্যা ভাসায় দিতে হবে। তথাকথিত প্রেমিকের রক্ষিতা হয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে তাকে বারেবারে প্রমাণ দিতে হবে অন্য সব মেয়ে থেকেই তিনিই উৎকৃষ্ট।

হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে পারিবারিক সিদ্ধান্তে অপরিচিত দুষ্টুকে বিবাহ করতে হবে। স্বামীর সংসারে কুত্তার মতো খাটতে হবে। স্বামীর পিতা-মাতা-ভাই-বোন-আত্মীয়স্বজন-প্রতিবেশী সকলের মনের মতো করে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হতে হবে। এখনো নারীর চাকুরী করার সিদ্ধান্ত অনেকটা কুৎসিত স্বামীর উপর নির্ভর করে। সেক্ষেত্রে স্বামীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হিশেবে গণ্য করতে হবে।

কাজের বুয়ার মতো রান্নাঘরে প্রকৃত সুখ খুঁজে বের করতে হবে। কেউ অসুস্থ হলে সেবা করতে হবে। যখন তখন স্বামীর বিছানা গরম করে দিতে হবে। স্ত্রীর শারীরিক চাহিদা পূরণে স্বামী বাধ্য নয় কিন্তু স্বামীর যৌন চাহিদা পূরণে স্ত্রী বাধ্য। বাচ্চা উৎপাদন করতে হবে। মাঝে মধ্যেই স্বামীর অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করে যেতে হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্বামীর অবৈধ সম্পর্ককেও উপেক্ষা করে যেতে হবে।

প্রায় সময়ই শ্বশুর-শাশুড়ির অযৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নিতে হবে। কোন কোন অসভ্য পরিবারে ছেলে সন্তান জন্ম দেয়া বাধ্যতামূলক। কটু বাক্য শুনেও স্বাভাবিক ভঙ্গিতে থাকতে হবে। বাচ্চা পালতে হবে, গু পরিষ্কার করতে হবে, বাচ্চার পোশাক ধুতে হবে, স্বামীর পোশাকে খেয়াল রাখতে হবে। নিজের পোশাক পরিধানেও স্বামীর হস্তক্ষেপ দেখা দিবে সেটাও মেনে নিতে হবে। সন্তানদের পড়ালেখায় যত্নবান হয়ে বংশে ভালো মায়ের খেতাব অর্জন করতে হবে। পরিশ্রম করতে করতে একসময় বুড়ো হয়ে যাবে।

কোন এক সন্ধ্যায় তিনি যখন ভাববেন, জীবনটা কীভাবে শেষ হয়ে গেলো! উত্তর মিলবে, মানুষ হিশেবে নয়, নারী হিশেবেই জীবনটা অতিবাহিত হয়ে গেলো। এই সমাজে নারীদের কোন মূল্য নেই। নারীর যে পরিমাণে সহ্য করার ক্ষমতা পুরুষের অর্ধেকও নেই।

১ thought on “এই সমাজে নারীদের জীবনচক্র

  1. খেলার ছলে ধর্ষণ করার ভয়ঙ্কর
    খেলার ছলে ধর্ষণ করার ভয়ঙ্কর অভ্যাস আরব থেকে সংক্রামিত হচ্ছে ইউরোপেতাহারুশ— আরব দেশগুলিতে সামাজিক অভিশাপ এই বর্বর সংস্কৃতিরাস্তাঘাটে বা জনবহুল স্থানে হঠাৎ পুরুষরা মিলে ঘিরে ফেলে তরুণীকেতাঁর উপর অবাধে চলতে থাকে যৌন নির্যাতনপ্রকাশ্যেকেউ প্রতিবাদ করেন নাকারণ, পুরুষতান্ত্রিক আরবে এই তাহারুশকে যুবসমাজের হইহুল্লোড়ের অঙ্গ হিসেবেই দেখা হয়আরব দুনিয়া থেকে বিপুল শরণার্থী স্রোত ইউরোপে ঢোকার পর, এই ভয়ঙ্কর তাহারুশ এখন ঘটতে শুরু করেছে ইউরোপের পথঘাটেও!
    মিশরে উৎপত্তি তাহারুশ-এরভৌগোলিক ভাবে আফ্রিকার অন্তর্গত হলেও মিশরের সঙ্গে আরব দুনিয়ার মিলই বেশিমিশর থেকে তাহারুশ ছড়িয়ে পড়েছিল আরব দুনিয়ার বিভিন্ন দেশেবছরের পর বছর চলতে তাহারুশ আরবের যুবসমাজের বাজারচলতি সংসস্কৃতির অংশ হয়ে গিয়েছে
    ঠিক কী হয় তাহারুশে?
    রাস্তাঘাটে সুন্দরী তরুণীকে দেখে ভাল লাগতেই কয়েক জন যুবক মিলে ঘিরে ধরে থাকেতাহারুশের আয়োজন হচ্ছে দেখতে পেয়ে পথচলতি আরও অনেক পুরুষই যোগ দেয় তাতেতার পর সেই বিড় তরুণীর উপর যৌন নির্যাতন চালাতে থাকে প্রকাশ্যেপ্রথমেই তাঁর জামাকাপড় ছিড়ে দেওয়া হয়তার পর তরুণীর শরীর নিয়ে খেলতে শুরু করে পুরুষরাএই ভিড়ে কয়েকজন আবার তরুণীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেকিন্তু সেটিও খেলারই অঙ্গকয়েকজন বাঁচানোর চেষ্টা করবেবাকিরা বাধা সরিয়ে তরুণীর শ্লীলতাহানি করবেতাহারুশের প্রথা এই রকমইখেলায় যারা রক্ষাকারীর ভূমিকা নেয়, তারাও আসলে বাঁচানোর নামে তরুণীর শরীরকে নানাভাবে স্পর্শ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *