মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় “ধর্মনিরপেক্ষতা ” ছিল? কেন এই মিথ্যাচার?

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ‘ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ’ ছিলো
কি ??
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি ছিলো ১৯৭০
সালের নির্বাচন। ৭০ এর নির্বাচনে
আওয়ামীলীগের নিরঙ্কুশ বিজয় হয় । পশ্চিম
পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী আওয়ামীলীগের
সেই বিজয় মেনে না নেওয়ায় মূলত সংগঠিত হয়ে
যায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। অর্থাৎ ১৯৭১ সালের
মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি বা চেতনা ছিলো ১৯৭০ এর
নির্বাচন।
এখন কথা হচ্ছে, ১৯৭০ এর নির্বাচনের
আওয়ামীলীগের এমন কোন নির্বাচনী ওয়াদা বা
ইশতিহার কি ছিলো- যেখানে বলা হয়েছিলো ইসলাম
তুলে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ জারি করা হবে ?
আসুন দেখি ১৯৭০ সালের আওয়ামীলীগের
নির্বাচনি ইশতিহার সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু কি বলেছিলেন-

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ‘ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ’ ছিলো
কি ??
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি ছিলো ১৯৭০
সালের নির্বাচন। ৭০ এর নির্বাচনে
আওয়ামীলীগের নিরঙ্কুশ বিজয় হয় । পশ্চিম
পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী আওয়ামীলীগের
সেই বিজয় মেনে না নেওয়ায় মূলত সংগঠিত হয়ে
যায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। অর্থাৎ ১৯৭১ সালের
মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি বা চেতনা ছিলো ১৯৭০ এর
নির্বাচন।
এখন কথা হচ্ছে, ১৯৭০ এর নির্বাচনের
আওয়ামীলীগের এমন কোন নির্বাচনী ওয়াদা বা
ইশতিহার কি ছিলো- যেখানে বলা হয়েছিলো ইসলাম
তুলে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ জারি করা হবে ?
আসুন দেখি ১৯৭০ সালের আওয়ামীলীগের
নির্বাচনি ইশতিহার সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু কি বলেছিলেন-
নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের প্রধান
শেখ মুজিবুর রহমান এক বেতার ভাষণে
দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘‘আমাদের
বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে, আমরা ইসলামে
বিশ্বাসী নই। এ কথার জবাবে আমাদের সুস্পষ্ট
বক্তব্য লেবেল সর্বস্ব ইসলামে আমরা বিশ্বাসী
নই। আমরা বিশ্বাসী ইনসাফের ইসলামে। আমাদের
ইসলাম হযরত রাসূলে করীম (সা.) এর ইসলাম। যে
ইসলাম জগৎবাসীকে শিক্ষা দিয়েছে ন্যায় ও
সুবিচারের অমোঘ মন্ত্র। ইসলামের সুবক্তা
সেজে পাকিস্তানের মাটিতে বারবার যারা অন্যায়
অত্যাচার শোষণ বঞ্চনার পৃষ্ঠপোষকতা করে
এসেছেন, আমাদের সংগ্রাম সেই
মোনাফেকদেরই বিরুদ্ধে। যে দেশের শতকরা
৯৫ জনই মুসলমান, সে দেশে ইসলামবিরোধী
আইন পাসের সম্ভাবনার কথা ভাবতে পারেন কেবল
তারাই যাদের ঈমানই আদতে নাজুক আর ইসলামকে
যারা ব্যবহার করেন দুনিয়াটা ফায়েস্তা করে তোলার
কাজে। অতএব আমরা যারা আল্লাহর মজলুম বান্দাদের
জন্য সংগ্রাম করছি, তারা ইসলামের বিরোধিতা করাতো
দূরের কথা বরং ইসলামের বিধান মতে সমাজে
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠারই উমেদার, আর সে ব্যাপারে
প্রতিবন্ধক হলেন তারাই যারা ইসলাম বিপন্নের জিগির
তুলে জনগণকে ধোঁকা দিতে চান।’’ (মুজিবের
রচনা সংগ্রহ, বাংলাদেশ কালচারাল ফোরাম ৮৪-৮৫ পৃষ্ঠা
দ্রষ্টব্য)
উপরের আলোচনায় দেখা যাচ্ছে, ১৯৭০ এর
নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ইসলাম বিরোধী
কোন প্রচারণা তো ছিলোই না বরং উল্টো
ইসলামের পক্ষে কথা ছিলো।
একই সাথে ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন ১৯৭১ সালে
মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রেও ধর্মনিরপেক্ষতার
কথা ছিলো না, বরং লাইনে লাইনে আল্লাহর প্রতি
আস্থা ও বিশ্বাসের কথা ছিলো।
তাহলে দেখা যাচ্ছে- আজকে যারা মুক্তিযুদ্ধে
চেতনার কথা বলে ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান চান,
তাদের এ্রই দাবি সম্পূর্ণ ভুয়া ও বিভান্তিকর।
মুক্তিযুদ্ধের সাথে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বা ইসলাম
তুলে দেওয়ার বিন্দুমাত্র সম্পর্ক কখনই ছিলো না
এটা ১০০ ভাগ সত্য।
উল্লেখ্য আগামী ২৭ মার্চ সংবিধান থেকে
রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম তুলে দেওয়ার ব্যাপারে রিট শুনানি
হবে। এই রিট আবেদন করেছিলো কয়েকজন
উগ্রহিন্দু ও উগ্র নাস্তিক। তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের
ধর্মীয় অধিকার কেড়ে নিতে এই আবেদন
করে। আপনি বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে
কি সংবিধানে থেকে ইসলাম অপসারনের বিষয়টি
সাপোর্ট করেন ??

২ thoughts on “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় “ধর্মনিরপেক্ষতা ” ছিল? কেন এই মিথ্যাচার?

  1. আপনি এবং শা মনে হচ্ছে বিশেষ
    আপনি এবং শা মনে হচ্ছে বিশেষ কোন গোষ্ঠীর পেইড বুদ্ধিবেচা ইয়ে (ইয়ে= খদ্দের থেকে ট্যাকাটুকা নিয়ে তাকে “আরাম” দেয়) তবে কষ্ট লাগতেসে আপনের মত বকলম বুদ্ধিজীবীর থেকে বেশী কিছু এদের কেনার উপায় নাই দেখে। আপনার অজ্ঞানতা অথবা কল্পনা আমাকে বিমোহিত করসে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আসছে ৭০ এর নির্বাচনে আম্লীগের নির্বাচনী ইশতেহার থেকে এই ওহী কি আপনার ছাইদীবাবা চাঁদের দেশ থেকে এসে আপনারে বলে গেছে? আপনে একটু পড়াশোনা করলে দেখতেন ২৫শে মার্চ পর্যন্ত আমম্লীগ কথা বলে গেছে স্বায়ত্তশাসনের জন্য, ওদের এজেন্ডায় স্বাধীনতা টাধীনতা কিছু ছিলইনা। পাইক্যারা জোর করে যুদ্ধ চাপায় না দিলে আমরা তখন মুক্তিযুদ্ধ করতামইনা হয়ত।
    ভাই চালায়ে যান। আপনের মত অশিক্ষিত ধান্ধাবাজেরা থাকলে জামাতরে ডুবাইতে আর সংবিধান পরিবর্তন করা লাগবেনা ইনশাল্লাহ!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *