আদিতে ঈশ্বর শব্দের ভিন্ন অর্থ ছিল

“নিঘন্টু মতে তার ( ঈশ্বর শব্দের ) চারটি প্রতিশব্দ আছে ; রাষ্ট্রী , অর্থ , নিযোত এবং ইন কিন্তু কোনোটিরই অধ্যাত্মিক তাৎপর্য নেই
ঋগ্বেদে ‘ভগ’ মানে পার্থিব সম্পদ ( ধণ ) বা অংশ ( ভাগ ) ভগবান মানে ধনবান বা অংশবান
সামাজীক নীতি বিধান মেনে চলে এমন সমাজ আদিম অনুন্নত মানুষ জাতির মধ্যে ছিল ……… টাসমানীয় ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করতে গিয়ে দেখা গেল যে ঐ ভাষায় ঈশ্বর , পরমার্থ শক্তি , স্বর্গ ইত্যাদী ভাববোধক একটি শব্দও নেই বস্তত ‘ ঈশ্বর ‘ শব্দটির সঙ্গে দেবতা ও পরমা শক্তিকে যুক্ত করার কৃতিত্বও ভাববাদী দার্শনিকদের
••••••••••••••••••••••••••
সহায়ক বই-কুরুক্ষেত্রে দেবশিবির বীরেন্দ্র মিত্র ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *