বিবর্তন ও কিছু খুচরো আলাপ।

বিবর্তন সম্পর্কে প্রচুর মতবাদের অন্যতম একটি
হলো- ল্যামার্কিজম বা ল্যামার্কের মতবাদ ।
তার মতে- সদা পরিবর্তনশীল পরিবেশে
অভিযোজনের জন্য সৃষ্ট অভাববোধের
উদ্দীপনা এবং নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলে দেহের
আঙ্গিক পরিবর্তন ঘটতে থাকে ।
অর্থাৎ, পরিবর্তনশীল পরিবেশে অভিযোজিত
হওয়ার জন্য যে অভাববোধের সৃষ্টি হয়, তা পূরণের
জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করায় এবং নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলে
জীবদেহে নতুন অঙ্গের সৃষ্টি হয় বা অঙ্গের
পরিবর্তন ঘটে ।
অঙ্গের পরিবর্তন হয়ত বা ঘটতে পারে কিন্তু নতুন
অঙ্গের সৃষ্টি কীভাবে হতে পারে কিংবা এর
পেছনে যুক্তিটা কতটুকু- পড়াশোনা এবং পর্যালোচনা
সাপেক্ষ ব্যাপার । যাই হোক, ল্যামার্ক মনে করতেন

বিবর্তন সম্পর্কে প্রচুর মতবাদের অন্যতম একটি
হলো- ল্যামার্কিজম বা ল্যামার্কের মতবাদ ।
তার মতে- সদা পরিবর্তনশীল পরিবেশে
অভিযোজনের জন্য সৃষ্ট অভাববোধের
উদ্দীপনা এবং নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলে দেহের
আঙ্গিক পরিবর্তন ঘটতে থাকে ।
অর্থাৎ, পরিবর্তনশীল পরিবেশে অভিযোজিত
হওয়ার জন্য যে অভাববোধের সৃষ্টি হয়, তা পূরণের
জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করায় এবং নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলে
জীবদেহে নতুন অঙ্গের সৃষ্টি হয় বা অঙ্গের
পরিবর্তন ঘটে ।
অঙ্গের পরিবর্তন হয়ত বা ঘটতে পারে কিন্তু নতুন
অঙ্গের সৃষ্টি কীভাবে হতে পারে কিংবা এর
পেছনে যুক্তিটা কতটুকু- পড়াশোনা এবং পর্যালোচনা
সাপেক্ষ ব্যাপার । যাই হোক, ল্যামার্ক মনে করতেন
পরিবেশ উদ্ভিদকে সরাসরি প্রভাবিত করে ফলে নতুন
পরিবেশে দেখা দেয় উদ্ভিদের নতুন অঙ্গ
(পূর্বোক্ত) । প্রাণীর বেলায় পরিবেশ
প্রাণীদের মস্তিষ্ক বা স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে
পরিচালিত করে, তখন প্রাণী যা চায় তাই পায়
(আলাদিনের জাদুর চেরাগ ? নাকি ইচ্ছাশক্তি এখানে
ম্যাটার করে ?)
একটা কথা না বললেই নয় । শেক্সপিয়রের উক্তি খুব
সম্ভবত, ‘there are more things in heaven and earth.’
অলৌকিকতার শুরুটা এখান থেকেই, ধারণা করছি । যেমন,
জিরাফের স্নায়ুতন্ত্রই তাকে বাধ্য করেছে ঘাড় উঁচু
করে গাছের পাতা খাওয়ার জন্য ।
(অপ্রাসঙগিক : মোহাম্মদ, মুসার সময়কালটাতে মানুষ
তখন পর্যাপ্ত লম্বা ছিল । সমুদ্র থেকে উদ্ধারকৃত
ফেরাউনের লাশের দৈর্ঘ্য ছিল ষাট ফুটের কাছাকাছি ।
এছাড়া পুরাতন অনেক ধর্মগ্রন্থে ‘মানুষের
উচ্চতা’সংক্রান্ত বিবৃতি পাওয়া যায় । প্রশ্ন হলো-
জিরাফের খাওয়াদাওয়া কিংবা জীবনযাপনের সুবিধার্থেই
তার ঘাড় লম্বা হয়েছে । আদিযুগের মানুষদের লম্বা
হওয়ার পেছনে কারণটা কি ছিল ? বলা হতে পারে-
কাহিনী হ্যাজ, তাদেরও জীবনযাপনের
প্রয়োজনেই উচ্চতাটা বেশি ছিল । টুইস্ট এখানেও
হ্যাজ । ঠাকুর্দা মামা খালা চাচাদের কাছে একটা কথা প্রায়ই
শুনি । সেটা হলো- এমন একটা সময় আসবে যখন
মানুষ মরিচ গাছ থেকে মরিচ পেড়ে খেতে হলে
মই কিংবা টোটা ব্যবহার করবে ! উচ্চতার এরকম
গড়মিলের পেছনে ক্লিয়ার ব্যাখ্যাটা কি ? কোনো
এক নাবিক, নাম মনে নাই, উনি ভ্রমণ করতে করতে
হঠাৎ একটা দেশে এসে আবিষ্কার করলেন- সে
দেশের লোকদের পা খুব লম্বা । নাবিকের
নামকরণের কারণেই আমরা আজকে সে জায়গাটাকে
‘প্যাটাগোনিয়া’ বলে চিনি)
ল্যামার্কের এই মতবাদটার মাঝে ক্যামন য্যানো
‘ইচ্ছাশক্তি’র একটা পরোক্ষ কিংবা উহ্য ছাপ দেখতে
পাচ্ছি । কাকতালীয় হলেও হতে পারে, কে জানে !
পরিবেশের সাথে টিকে থাকার স্বার্থে খাপ
খাওয়ানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা এবং তার ফলাফল
স্বরূপ- ‘অভিযোজনের জন্য সৃষ্ট অভাববোধের
উদ্দীপনা’ অর্থাৎ পরোক্ষভাবে ব্যাতিক্রমী একটা
ইচ্ছাশক্তির প্রভাবেই খুব সম্ভবত দেহের আঙ্গিক
পরিবর্তন ঘটেছিল । মোহাম্মদ জিরাফের ইচ্ছাশক্তি
ছিল কি না, তা প্রমাণ করতে গেলে- সুশীল
সম্প্রদায় জোর গলায় চেঁচাবে ‘আফনে কয়বার
জিরাফ হৈসেন ?’ । আসলে, যে প্রাণীর কাজকর্মে
ব্যাঘাত ঘটায় আল্লা তালা তাহার কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটায় ।
হযরত সুলেমানের দুনিয়ার সকল প্রাণীকূলের ‘ফিস্ট’
খাওয়ানোর গল্প সবাই জানে । শেষপর্যন্ত, নিট
ফলাফল শূণ্য । কারণ, হাদীসেই আছে- আল্লা তালা
সীমালঙ্ঘণকারীদের পছন্দ করেন না !
‘কুন ফায়া কুন’ বললেই যদি সব হয়ে যেত, তাহলে
বিবর্তন প্রক্রিয়া লক্ষ লক্ষ বছর ধরে চলত না । এইটার
পেছনের শানে নযূলটা সম্ভবত ব্যাপক !
পড়ার উপ্রে আছি, জানার ধান্দায় আছি । আল্লাহ তৌফিক
দিন, আমিন ।

২ thoughts on “বিবর্তন ও কিছু খুচরো আলাপ।

  1. হাস্যকর, তবে ঠিকমত ব্যাপারটা
    হাস্যকর, তবে ঠিকমত ব্যাপারটা কানেক্ট করতে পারছি না কিংবা বোঝাতে পারছি না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *