বিপাকে পরে আরামকে হারাম করাই মহানবীর কাজ

আরবের মানুষের কাছে মদ ছিল আরামের।আর মোহাম্মাদ যখন নিজের ঢোল পিটাচ্ছিলেন আর ঢোলের সুরে যখন ইসলামীয় বর্বর নেশায় মাতাল হচ্ছিল তার উম্মতে তখন মদ ছিল তৈরি ধর্মের মাতাল হয়ার উল্টো দিকে।অর্থাৎ ধর্মে মাতাল না হয়ে আরববাসি যখন মদে মাতাল হয়ে ধর্মের লেজে পারা (পড়ুন সাপের লেজে পাড়া) দিচ্ছিল তখন মোহাম্মাদ উতালা হয়ে এক এক করে মত কে নিষিদ্ধ করা শুরু করে।কে চায় বলুন আরাম কে হারাম করে নিতে।আরবেরাও চাইত না বলে বুদ্ধি করে রাস্তার কাটা মদ কে সরিয়ে দিতে উঠে পরে লাগলেন মোহাম্মাদ।নাজিল করলেন আয়াত নামের কবিতা চরন।


আরবের মানুষের কাছে মদ ছিল আরামের।আর মোহাম্মাদ যখন নিজের ঢোল পিটাচ্ছিলেন আর ঢোলের সুরে যখন ইসলামীয় বর্বর নেশায় মাতাল হচ্ছিল তার উম্মতে তখন মদ ছিল তৈরি ধর্মের মাতাল হয়ার উল্টো দিকে।অর্থাৎ ধর্মে মাতাল না হয়ে আরববাসি যখন মদে মাতাল হয়ে ধর্মের লেজে পারা (পড়ুন সাপের লেজে পাড়া) দিচ্ছিল তখন মোহাম্মাদ উতালা হয়ে এক এক করে মত কে নিষিদ্ধ করা শুরু করে।কে চায় বলুন আরাম কে হারাম করে নিতে।আরবেরাও চাইত না বলে বুদ্ধি করে রাস্তার কাটা মদ কে সরিয়ে দিতে উঠে পরে লাগলেন মোহাম্মাদ।নাজিল করলেন আয়াত নামের কবিতা চরন।

হে ঈমানদারগন!তোমরা যখন নেশাগ্রস্থ থাক,তখন নামাজের ধারের কাছেও যেওনা, যতক্ষন না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ……(সুরা নিসা আয়াত ৪৩)

মোহাম্মাদ সরাসরি এই আরব বাসির আরাম কে হারাম করে দিতে পারেনি।এমন কি আরামের বিরুদ্ধে জাহান্নাম নামের কল্পিত আল্লার তৈরি অনন্ত সাজার ভয়ও দেখাতে পারে নি।চতুরতা করে শুধু মাত্র নামাজকে মানে তার ঢোলকে বাঁচিয়ে নাজিল করে দিল কবিতার লাইন।পরে এই কাজ কে শয়তানের কাজ বলে চালিয়ে দিলেন বইকি তবে নিষিদ্ধ না করে নির্দেশ এটা খারাপ দিয়ে দিলেন।গোবেচারা শয়তান না খেল মদ না ছুল এই আরামের জিনিস।মোহাম্মাদের আরেক অস্র আল্লার সমান পাওয়ারের আরেক আজব যন্তু শয়তানের উপরে চাপিয়ে মোহাম্মাদ তার উম্মতকে মদের খারাপ নিয়ে প্রচার করে আরেক কবিতার লাইন মানে আয়াত ঝেড়ে দিলেন।

হে মমিনগন!মদ জুয়া মুর্তিপুজার বেদি বা ভাগ্য নির্নয়ক শর ঘৃন্যবস্তু,শয়তানের কাজ।সুতরাং তোমরা তাকে বর্জন কর তাহলে তোমরা সফল কাম হবে………(সুরা মায়েদাহ আয়াত ৯০-৯১)

এই আরাম থেকের দুরে থাকতে বললেও পাকা পাকি ভাবে নিষিদ্ধ করে দেয় নাই।বরং শয়তানকে বর্জন করতে বলেছে মহানবীর তৈরি আল্লা।আর তার প্রমান এর মায়েদার ৯৩ নং আয়াত।

যারা বিশ্বাস সাস্থাপন করেছে এবং সৎ কর্ম করেছে,তারা যা ভক্ষন করেছে,সে জন্য তাদের কোন গোনাহ নাই ……(সুরা মায়েদাহ আয়াত ৯৩)

যদিও মোহাম্মাদ মাঝে মাঝে নিজের লেখা কোরান এর আয়াতের মাঝে নিজেই দ্বিমুখি কথা বার্তা আল্লার নামে চালিয়ে দেয়।এই আয়াতে নবী সৎ কর্মকারী যা ভংক্ষন করে তাতে গোনাহ নেই।বাহ বাহ এ পর্যন্ত আরামের উপর হারাম চাপাইতে পারে নাই নবী মোহাম্মাদ।আবার মোহাম্মাদ এই আরামের প্রশংসাও করে গেছেন।সুরা নাহল ৬৭ নং আয়াত-

এবং খেজুর বৃক্ষ ও আঙ্গুর ফল থেকে তোমরা নেশা(سَكَرًا) ও উত্তম খাদ্য তৈরী করে থাক, এতে অবশ্যই বোধশক্তি সম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।

মোহাম্মাদ যখন বেকায়দায় পরে যায় তখনই তার মনের মত আয়াত নাজিল করে আল্লার বাণী বলে চালিয়ে দেয়।সাহাবিরা যখন তার কাছে মদের অপকারিতা নিয়ে আসে।তখন মোহাম্মাদ তার মদ সম্পর্কিত আয়াত নাজিল করে।

তারা আপনাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে। আপনি বলে দিন যে, এ দু’টির মধ্যে রয়েছে বড় পাপ ও মানুষের জন্য রয়েছে কিছু উপকারিতা। তবে এ দু’টির পাপ এ দু’টির উপকারিতার চাইতে অধিক’ (বাক্বারাহ ২/২১৯)

মহানবী এই আরামেরও বেশ গুন গান গাইছিলেন।

“যেখানে দেখিবে ছাই উড়াইয়া দেখ তাই, মিললেও মিলতে পারে অমূল্য রতন”

মহানবী নিজেই পাপের ভিতর বোধ হয় অমূল্য রতন পেয়েছিলেন না হলে কি আর এই আয়াত নাজিল করেন?পাপের মাঝে কিছু উপকারিতা।বাহ বাহ।কথিত পাপে মহানবী পাইলেন উপকার।

আরেক জন সাহাবি যখন মাতাল হয়ে ইমামতি করতে গিয়ে সুরা কাফিরুন পড়ে।আর মোহাম্মাদের কোরানের সুরার অবস্থা যখব মাতালের মাতলামিতে বেহাল দশা তখন আর যাই কই বেচারা মদ।নবীর ঢোলের বাজনায় কে খোচা দেবে!হবে না হারাম হারাম।এক্কেবারে বেকায়দায় পরেই হারাম করে দিল মদ।
একদিন জনৈক ছাহাবীর বাড়ীতে খানাপিনার পর মদ্যপান শেষে কিছু মেহমান অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এ সময় জনৈক মুহাজির ছাহাবী নিজের বংশ গৌরব কাব্যাকারে বলতে গিয়ে আনছারদের দোষারোপ করে কবিতা বলেন। তাতে একজন আনছার যুবক তার মাথা লক্ষ্য করে উটের হাড্ডি ছুঁড়ে মারেন। তাতে তার নাক মারাত্মকভাবে আহত হয়। পরে বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট পেশ করা হয়। তখন সূরা মায়েদাহর আলোচ্য আয়াতদ্বয় নাযিল হয়।

হযরত আনাস বিন মালেক (রাঃ) বলেন, ছাহাবী আবু ত্বালহা আনছারীর বাড়ীতে মেযবানী শেষে ‘ফাযীহ নামক উন্নতমানের মদ্যপান চলছিল। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর পক্ষ থেকে একজন ঘোষক উচ্চ কণ্ঠে ঘোষণা ঘোষনা দেন- ‘হুঁশিয়ার হও! মদ হারাম করা হয়েছে’।

এহ কেলো করেছে।মোহাম্মাদ বুঝে গেছেন তত দিনে এই মদ তার পথের কাটা।নবীর ঢোলের অবস্থা বেগতিক করে দেবে এই মদ।তাই আর দেরি না করে সোজা মাতাল দেখেই জিব্রাইলের অপেক্ষা না করেই আয়াত নাজিল করে দিলেন।ওই তো বেকায়দায় পরে আরামকে হারাম ঘোষনা।

২ thoughts on “বিপাকে পরে আরামকে হারাম করাই মহানবীর কাজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *