‘মাগো’ তুমি কি সেই মা..?

পৃথিবীতে এতদিন একটা মাত্র স্থানই ছিলো যেখানে যে কোন মানুষ একদম নিরাপদ, একদম নিশ্চিন্ত।

স্থান টা হচ্ছে মা’য়ের কোল!

যেখানে একটা শিশুকে ভাবতে হয় না, তার নিরাপত্তা নিয়ে! ভাবতে হয় না তার স্নেহের অভাব নিয়ে!

না, মায়ের কোলের এ ভালবাসা এখনো আছে। বলছি না যে পুরোপুরি উঠে গেছে। বলছি সেই ভালবাসা, সেই স্নেহ, সেই আদর-মমতা পুরোপুরি সেই আগের মতো নেই! তবে কি যুগের মা’য়েরা স্বার্থপর হয়ে উঠল?


পৃথিবীতে এতদিন একটা মাত্র স্থানই ছিলো যেখানে যে কোন মানুষ একদম নিরাপদ, একদম নিশ্চিন্ত।

স্থান টা হচ্ছে মা’য়ের কোল!

যেখানে একটা শিশুকে ভাবতে হয় না, তার নিরাপত্তা নিয়ে! ভাবতে হয় না তার স্নেহের অভাব নিয়ে!

না, মায়ের কোলের এ ভালবাসা এখনো আছে। বলছি না যে পুরোপুরি উঠে গেছে। বলছি সেই ভালবাসা, সেই স্নেহ, সেই আদর-মমতা পুরোপুরি সেই আগের মতো নেই! তবে কি যুগের মা’য়েরা স্বার্থপর হয়ে উঠল?

কোথাও কোনো স্নেহের প্রসঙ্গ এলে দুম করেই আমরা মা’য়ের স্নেহের উদাহারণ টানি। আসলেই কি বর্তমানের মা’য়েরা স্নেহময়ী! আসলেই কি তারা নিরাপত্তার প্রতিক! আমি শুধু বনশ্রীর সেই মা’য়ের কথা বলছি না। আমি এই দেশ, এই সমাজ, এই সংস্কৃতির কথা বলছি। যুগে যুগে মা’য়েরা সব সমাজেই সব দেশেই সব সংস্কৃতিতেই ছিলেন নিরাপত্তার প্রতিক।

আমি বা আমরা এতটা ভাবতে চাইনি কোনদিন যে, মা’য়ের ভালবাসা নিয়ে প্রশ্ন তুলব! পরিস্থিতি কেনো জানি আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। জানি না বনশ্রীর সেই মায়ের মানসিক কোনো সমস্যা ছিলো কিনা, তবে আমি ব্যক্তিগত ভাবে আশা করব সেই মা’য়ের তার দুই সন্তান হত্যায় যেন তার মানসিক ভারসাম্যহীনতার প্রমাণ পাওয়া যায়! কেননা আমরা একজন স্নেহহীন মা’কে কিভাবে কল্পনা করতে পারি! রুপকথা গুলোতেই মায়ের স্নেহের তারিফ করে মা’ চরিত্রটিকে অসম্ভব সম্মান আর ভালবাসায় ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নতুন করে আমাদের ভাবতে হবে এই মা’ চরিত্রটি নিয়ে! ইচ্ছার বিপরীতে গিয়ে প্রশ্ন তুলতে হবে মায়ের ভালবাসা নিয়ে!
মায়েরাও নিষ্ঠুর হয়! বলতে কষ্ট হলেও সত্য তো সত্যই! আমরা চাই না মায়েরা এক মহূর্তের জন্য হলেও নিষ্ঠুর হোক। যদি সেটা হয়েই যাই তবে পৃথিবীতে আর স্নেহের জায়গা রবে না, ভালবাসা বলে কিছু থাকবে না।
‘মা’ তোমায় যে অনেক ভালবাসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *