বেড়ে ওঠি মূল্যবোধের শিক্ষায়

ছোট বেলার কতা যখন আমাদের মনের মধ্যে কিছুই থাকে না আমি একটি বস্তু মাত্র্র আমাদেরেকে যেভাবে রাখা হয় সেই ভাবেই থাকতে হয়। একটু এদিক ওদিক হয়ে কিছু দেখতে পারি কিন্তু বলার ক্ষমতা থাকে না, অনেকটা তরল পদার্থের মত। যে পাত্রে রাখা হবে সেই পাত্রের আকারই আমরা ধারণ করি। ঠিক সেই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের সমাজের কিছু ভুল মানুষ আমাদেরকে ভুলে ভরা শিক্ষা দিয়ে জীবনটাকে ভুল দিকে প্রবাহিত করে। আমাদেরকে তখন শেখানো হয় বাঁশ ঝাড়ে ভুত আছে, বটগাছের মধ্যে পেত্নি বা ভুল আছে, সন্ধ্যার সময় বাড়ি থেকে বের হওয়া যাবে না, ঠিক দুপুরে বাঁশ ঝাড়ের নিচ দিয়ে যাওয়া যাবে না ইত্যাদি।


ছোট বেলার কতা যখন আমাদের মনের মধ্যে কিছুই থাকে না আমি একটি বস্তু মাত্র্র আমাদেরেকে যেভাবে রাখা হয় সেই ভাবেই থাকতে হয়। একটু এদিক ওদিক হয়ে কিছু দেখতে পারি কিন্তু বলার ক্ষমতা থাকে না, অনেকটা তরল পদার্থের মত। যে পাত্রে রাখা হবে সেই পাত্রের আকারই আমরা ধারণ করি। ঠিক সেই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের সমাজের কিছু ভুল মানুষ আমাদেরকে ভুলে ভরা শিক্ষা দিয়ে জীবনটাকে ভুল দিকে প্রবাহিত করে। আমাদেরকে তখন শেখানো হয় বাঁশ ঝাড়ে ভুত আছে, বটগাছের মধ্যে পেত্নি বা ভুল আছে, সন্ধ্যার সময় বাড়ি থেকে বের হওয়া যাবে না, ঠিক দুপুরে বাঁশ ঝাড়ের নিচ দিয়ে যাওয়া যাবে না ইত্যাদি।

এটাতো গেল ভয়ের একটি নমুনা। এর চেয়ে বড় ভয় হলো তথাকথিত সৃষ্টি কর্তার বিশ্বাসের ভয়। যীশু আল্লাহ বা ভগবান আমাদের পাপ দিবেন, নরকের আগুনে পোড়াবেন, মধ্যস্থানে রাখবেন, শেষ বিচারের দিনে আমাদের বিচার হবে আরো অনেক কথা। কখনো শেখানো হয় না যে, তোমরা মানুষের খারাপ হয় এমন কোন কাজ করো না এতে মানুষ কষ্ট পায় বা তোমরা এমন কোন কাজের সাথে জড়িয়ে পড়না যাতে করে নিজের এবং পরিবারের বা মানুষের বিন্দু মাত্র ক্ষতি সাধিত হয়, এটা করলে মানবতা বা তুমি যে মানুষ সেই বৈশিষ্ট আর তোমার মধ্যে থাকবে না। এখন কথা হলো ছোট বেলায় শেখানো হয় এই যে, তোমার মা-বাবা খ্রীষ্টান বা মুসলমান কাজেই তুমিও খ্রীষ্টান বা মুসলমান। পাশের অন্য ধর্মের লোকেরা বাস করে, কিন্তু এথানে কেউ বলে না যে, তুমি মানুষ পাশে তোমার মতই আরো মানুষ বাস করে।

ছোট বেলা থেকে মূল্যেবোধের শিক্ষার চেয়ে আমাদের মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষাটাকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়ে থাকে। যার ফলে একসময় ধর্মীয় মৌলবাদের জন্ম নেয়, এক সময় এক ধর্মের মানুষ অন্য ধর্মের মানুষকে দেখতে পারে না, শুরু হয়ে যায় ধর্মীয় কোন্দল। এক ধর্মে একটি নিষেধ কিন্তু অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে কোন নিষেধ নেই। কাজেই পাশাপাশি দুটি ধর্মের লোক বাস করতে পারবে না আর পারলেও তাদের মধ্যে ভয় কাজ করবে। আমি যেটি খাচ্চি সেটা তো উনার জন্য হারাম কাজেই এটা খাব না বা চুপে চাপে খাব। দেখে ফেললেই শুরু হয় নানান সমস্য। তার চেয়ে মানুষ হিসেবে গড়ে উঠলে এই সমস্যা হতো না, আমিও মানুষ আমার পাশে যে আছে সেও মানুুষ, আমার জন্য যা ঠিক তার জন্যও একই কথা। এটাই কি ভাল হতো না…

১ thought on “বেড়ে ওঠি মূল্যবোধের শিক্ষায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *