প্রসীত খীসার প্রেতআত্মা। কি সৃষ্টি করেছিলেন পাহাড়ে?

সন্তানের আচরণ যেমন ভালো মন্দ নির্ভর করে তাদের পিতা মাতার পরিবেশ ও চালচলনের উপর।এমনকি মানবতা বিরোধী কাজ থেকে দুরে থাকাও বাঞ্চনীয়।ঠিক তারই কথা বলছিলাম,পার্বত্য চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজী,ধান্ডাবাজী সংগঠন ইউপিডিএফর।আমি এদেরকে পালবিহীন নৌকাও বলতে দ্বিধা করি না।যে সংগঠণের কোন নিদির্ষ্ট গন্তব্য ও উদ্দেশ্য নেই।হাওয়াই যেদিকে নিয়ে যাচ্ছে সেদিকে চলে যাচ্ছে।1997 সালে 2রা ডিসেম্বরে চুক্তি বিরোধী হিসেবে প্রকাশ্য আত্মপ্রকাশ করলেও সংগঠণটি তার আগে সৃষ্টি হয়েছিল।তাদের মুল উদ্দেশ্য ছিল পার্বত্য চুক্তি ভেঙ্গে ফেলা ও পাহাড়ে জণগণের উপর জিম্মি করে চাদাঁবাজী করা।সেই দিন থেকে আজো হায়েনার দলটি পার্বত্য চট্টগ্রামে জুম্ম জনগণের কালোছায়া হিসেবে রয়েছে।যারা জুম্ম জনগণের পক্ষে নাম দিয়ে রাজনীতি নাম দিয়ে প্রকাশ্যভাবে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন। সত্যিই কি তারা জুম্ম জনগণের মুক্তি চাই? তাহলে গরীব,মেহনতী জুম্মদের উপর কেন অত্যাচার করবে এবং তাদের কাছ থেকে কেন চাদা হরণ করা হবে?।ভাবতেও অবাক লাগে,তাদের কাছে ভুক্তোভুগি জুম্ম জনগণের কাছ থেকে শুনা যায় যে এক কেজি মুরগি বিক্রি করলেও কেজিপ্রতি 5 টাকা চাঁদা দিতে হয়।তাহলে এটাকে কি রাজনীতি বলে? এটা পাগলামী বলা ছাড়া কিছু আর কিছু নয়। সাম্প্রতিক প্রসীতের 4 আনা জ্ঞান সম্পন্ন কিছু উন্মত্ত জ্ঞানী মানুষদের লেখালিখি দেখে থমকে যেতে হয়।যাদের কাছে রুচিশীল কোনো বাক্য নেই। গ্রহণযোগ্য কোন লেখা নেই। প্রগতিশীল মনস্তাত্বিক বৈশিষ্ট্য তিমিরেই রয়েছে। নিজেকে প্রশ্ন করতে পারেন তারা কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল? আমার মনে হয়,তাদের সৃষ্টিরকর্তার বিধাতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসু করার প্রয়োজন কেউ মনে করতে পারে নি। তাদের জীবনকে তারা নিজেরাই তুচ্ছ মনে করছেন। তার জন্য তাদের একটা চেতনা চালক শক্তি থাকাও একান্ত প্রয়োজন। পাহাড়ের ইতিহাস,কর্ণফুলীর কান্না,বহমান নদীর দুঃখ,স্পন্দিত পৃথিবী,জুম রক্ষার আন্দোলন,প্রগতিশীল চেতনাকে জানার প্রয়োজন মনে করে নি। নিজেদের উগ্র সীমাবদ্ধ জ্ঞান তাদের কাছে যথেষ্ট বলে মনে হয়েছিল। সঠিক নীতি যা রুচিশীল পদ্ধতিতে সন্তানদের লালন পালন করার যেমন শিক্ষা দেয়।তেমনি প্রসীত ষাঁড়েরও উচিত তার চামসাদের ওই সোনালি পদ্ধতিতে শিক্ষা দেয়া। সন্তানের প্রতিপালনে উচিত মা বাবার সঠিক শিক্ষা দেয়া।প্রসীতেরও উচিত তার ইউপিডিএফ খাপ্পোদের সঠিক ভাবে শিক্ষা দেয়া। নচেৎ,এরা জন্তু থেকে আরো ভয়ঙ্কর জানোয়ার হতে আর দেরি নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *