ডয়েচে ভেলে’র ‘দ্য বব্স’ প্রতিযোগিতায় ইস্টিশন’কে মনোনীত করুন

নগরের কানাগলি-ঘুপচি-রাজপথ, গাঁয়ের শস্যখেত-মেঠোপথ পেরিয়ে আমরা মানুষ ছুটে চলেছি সভ্য সমাজের খোঁজে। আমাদের ভেতরেই আবার আছে সেই মানুষ, যারা অসভ্যতার মাঝেই আটকে রাখতে চায় সবকিছুকে, শুধু হীন ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থের জন্য। মানুষ লড়ে চলেছে তারই অংশ অমানুষদের বিরুদ্ধে। দুই পক্ষই শান দিচ্ছে নিজ নিজ হাতিয়ার। দুর্ভাগ্য, আজো সর্বত্র অমানুষদেরই জয়জয়কার। আমরা ব্লগার, আমাদের হাতিয়ার হচ্ছে কলম ও কি-বোর্ড। আমরাও খুঁজে ফিরছি মানুষের সেই প্রত্যাশিত সমাজ।


নগরের কানাগলি-ঘুপচি-রাজপথ, গাঁয়ের শস্যখেত-মেঠোপথ পেরিয়ে আমরা মানুষ ছুটে চলেছি সভ্য সমাজের খোঁজে। আমাদের ভেতরেই আবার আছে সেই মানুষ, যারা অসভ্যতার মাঝেই আটকে রাখতে চায় সবকিছুকে, শুধু হীন ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থের জন্য। মানুষ লড়ে চলেছে তারই অংশ অমানুষদের বিরুদ্ধে। দুই পক্ষই শান দিচ্ছে নিজ নিজ হাতিয়ার। দুর্ভাগ্য, আজো সর্বত্র অমানুষদেরই জয়জয়কার। আমরা ব্লগার, আমাদের হাতিয়ার হচ্ছে কলম ও কি-বোর্ড। আমরাও খুঁজে ফিরছি মানুষের সেই প্রত্যাশিত সমাজ।

সেই অনুসন্ধান থেকে প্রানে প্রান মেলাতে ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করেছিল ইস্টিশন ব্লগ। ইস্টিশনের প্ল্যাটফরমে জমে ওঠা আড্ডায়, আলোচনায় এতদিন একে অপরকে দিক নির্দেশনা দিয়েছি, সহযোগিতা দিয়েছি, প্রাণে প্রাণ মিলিয়েছি……..। আজ সময় এসেছে ইস্টিশনকে কিছু দেবার।

ডয়চে ভেলের দ্য বব্স প্রতিযোগিতার ১২তম আসরের মনোনয়ন জমা নেয়া হবে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত৷ সামাজিক পরিবর্তন ও নাগরিক সাংবাদিকতায় ইস্টিশন যে ভুমিকা রেখে চলেছে তার জন্য আপনিও ইস্টিশনের নাম প্রস্তাব করতে পারবেন, ইস্টিশনকে মনোয়ন পেতে সহায়তা করতে পারেন অনলাইনে একটি ভোটের মাধ্যমে।

এবার দেখে নেয়া যাক দ্য বব্স প্রতিযোগিতার নিয়মকানুন এবং কিভাবে আপনিও মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন।

নিয়ামবলী:
অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো ‘ফরম্যাট’ নেই৷ এটা হতে পারে কোনো ব্লগ, পডকাস্ট কিংবা ফেসবুক, টুইটার বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে থাকা প্রোফাইল বা পাতা৷ তবে জমা দেয়া লিংকটিতে সবার প্রবেশাধিকার থাকতে হবে৷ আর সেখানে প্রদর্শিত কন্টেন্ট ডয়চে ভেলের নীতিমালার সঙ্গে মানানসই হতে হবে৷

কোন কোন ভাষায় মনোনয়ন জমা দেয়া যাবে?
ডয়চে ভেলের চলতি প্রতিযোগিতার ভাষাগুলো হচ্ছে: আরবি, বাংলা, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান, হিন্দি, ইন্দোনেশীয়, ফার্সি, পর্তুগিজ, রাশিয়ান, স্প্যানিশ, তুর্কি এবং ইউক্রেনীয়৷ মনোনয়নের জন্য জমা দেওয়া কন্টেন্ট এখানে উল্লেখিত একটি বা একাধিক ভাষায় হতে পারবে৷ তবে অন্য কোনো ভাষার মনোনয়ন বিবেচনা করা হবে না৷ ইস্টিশনের জন্য আমরা বাংলা ভাষায় ভোট দেব।

কে মনোনয়ন দিতে পারবেন?
যে কোনো ইন্টারনেট ব্যবহারকারী তাঁর পছন্দের প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে পারেন৷ খেয়াল রাখবেন, একই লিংক বারবার জমা দিলে সেটির পুরস্কার জয়ের সম্ভাবনা বাড়বে না৷ তবে একটি লিংক একাধিক ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন দেয়া যাবে৷

জমা দেয়া লিংকগুলো দিয়ে কী করা হবে?
ডয়চে ভেলের ওয়েবসাইটে জমা পড়া লিংকগুলো ভাষা সংশ্লিষ্ট বিচারকদের কাছে পাঠানো হবে৷ তাঁরা এ সব লিংক যাচাইবাছাই করে এবং প্রয়োজনে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী আরো লিংকযোগ করে প্রতিযোগিতার মনোনয়ন চূড়ান্ত করবেন৷ আর চূড়ান্ত তালিকা ডয়েচে ভেলের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে আগামী ৩১ মার্চ৷ সব ক্যাটেগরিতে অনলাইন ভোটাভুটিও শুরু হবে তখন থেকে৷

তবে সবার আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনার৷ স্বাধীনভাবে নিজের মত প্রকাশ করার প্ল্যাটফরম কোনটি? অনলাইনের কোন প্ল্যাটফরমটি আপনার ভালো লাগে? ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত, সুশীল সমাজকে সক্রিয় রাখতে কাজ করেছেন কে? আপনার পছন্দের ব্যক্তি বা প্রকল্পকে মনোনয়ন করুন এক্ষুনি!

সময় বেশি নেই। আগামী ৩ মার্চ এর মধ্যে আপনি ইস্টিশনকে প্রতিযোগীতায় অবতীর্ণ হওয়ার জন্য ভোটের মাধ্যমে মনোয়ন দিতে পারেন। আপনার একটি ভোট ইস্টিশনকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

যে কোনো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীই তাঁর পছন্দের প্রার্থীকে প্রতিযোগিতার জন্য মনোনয়ন দিতে পারবেন৷ আর এ জন্য এক পয়সাও খরচের ব্যাপার নেই৷ তবে প্রতিযোগিতায় জমা দেয়া লিংক অবশ্যই প্রতিযোগিতার ১৪টি ভাষার একটি বা একাধিক ভাষার হতে হবে৷ প্রতিযোগিতায় থাকা ভাষাগুলো হচ্ছে: আরবি, বাংলা, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান, হিন্দি, ইন্দোনেশিয়া, ফার্সি, পর্তুগিজ, রাশিয়ান, স্প্যানিশ, তুর্কি এবং ইউক্রেনীয়৷

#thebobs16 -এ চারটি মিশ্র ক্যাটাগরি রয়েছে৷ এই ক্যাটাগরিগুলোতে মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জমা পড়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা হবে৷ আর একটি স্বাধীন, আন্তর্জাতিক জুরিমন্ডলী ‘জুরি অ্যাওয়ার্ড’-এর জন্য চূড়ান্ত বিজয়ীদের নির্ধারণ করবেন৷ পাশাপাশি থাকছে ব্যবহারকারীদের ভোটে নির্বাচিত ‘ইউজার অ্যাওয়ার্ড’৷ এ বছরের মিশ্র ক্যাটাগরিগুলো হচ্ছে:

সোশ্যাল চেইঞ্জ
টেক ফর গুড
আর্টস অ্যান্ড কালচার
সিটিজেন জার্নালিজম
প্রতিটি ভাষা বিভাগেও একজনকে বা একটি প্রকল্পকে ‘ইউজার অ্যাওয়ার্ড’ দেয়া হবে৷

এখানেই শেষ নয়৷ ডয়চে ভেলে এ বছরও দ্য বব্সের অংশ হিসেবে একটি বাকস্বাধীনতা অ্যাওয়ার্ড প্রদান করবে৷ ডিডাব্লিউ-র পরিচালকমণ্ডলী এক্ষেত্রে চূড়ান্ত বিজয়ী নির্ধারণ করবেন৷

দ্য বব্স ২০১৬-র বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে আগামী মে মাসের শুরুতে, বার্লিনে জুরিমণ্ডলীর এক বৈঠকের পর৷ আর জুরি এবং বাকস্বাধীনতা অ্যাওয়ার্ড জয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হবে আগামী ১৪ জুন জার্মানির বন শহরে অনুষ্ঠিতব্য ডয়চে ভেলে গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামে৷

আপনার মূল্যবান মনোয়ন দিতে এই লিংকে ক্লিক করুন। লিংকে ক্লিক করলে উপরের ছবির মত একটা পেইজ আসবে। পেইজটির ব্যানারে ফেসবুক/টুইটার লগো আছে। লগোর উপর ক্লিক করে আপনি যে কোন একটি সামাজিক যোগাযোগ সাইটের মাধ্যমে লগিন করে ভোট দিতে পারবেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে ইস্টিশনকে সোশ্যাল চেইঞ্জ/সামাজিক পরিবর্তনসিটিজেন জার্নালিজম/নাগরিক সাংবাদিকতা বিভাগে দুইবার ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাইলাম।

আসুন সবাই আমাদের প্রাণপ্রিয় ইস্টিশন ব্লগকে ভোট দিয়ে মনোয়ন পেতে সহযোগীতা করি। শুরু হোক প্রাণে প্রাণ মেলানোর নতুন যাত্রা……..

ভোট দিতে এখানে ক্লিক করুন।

৮ thoughts on “ডয়েচে ভেলে’র ‘দ্য বব্স’ প্রতিযোগিতায় ইস্টিশন’কে মনোনীত করুন

  1. দারুণ চিন্তা, মিতু ! আমি আমার
    দারুণ চিন্তা, মিতু ! আমি আমার পক্ষ থেকে মনোনীত করলাম। ইস্টিশনের অন্য ব্লগাররাও আশা করি ইস্টিশনকে মনোনীত করবেন।

  2. ইস্টিশনের সকল যাত্রী, পাঠক ও
    ইস্টিশনের সকল যাত্রী, পাঠক ও শুভ্যানুধায়ীদের অনুরোধ জানাচ্ছি অনলাইনে ভোট দিয়ে ইস্টিশনকে মুল প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহন করার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *