অমরত্বের সন্ধানে

অমরত্বের সন্ধানে:-
মরিতে চাহি না আমি সুন্দর এই ভূবনে
মানবের মাঝে আমি বাচিবারে চাই,
রবীন্দ্রনাথ যেনো মানুষের মনের গভীরতম ইচ্ছাকেই প্রকাশ করেছেন এই কবিতায়,আসলেই কিন্তু মানুষ অমর হতে চায়,
কিন্তু বিধি বাম,যাই করুক অমরত্ব পায় না।
কিন্তু আমি যদি বলে বসি অমরত্ব সম্ভব।তখন লোকে বলবে পাগল হয়ে গেছিস নাকী অথবা দোস্ত গাজার দাম কম হইছে নাকী বর্তমানে গাজা টাজা টানছিস নাকী আর ধার্মিক গন বলবে ‘হালা নাস্তেক্ষ এর বাচ্ছা খোদার উপর খোদাকারি করবি’
কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান বলছে মরণশীলতা কোনও কন্সট্যান্ট নয়,সকল প্রানীই মারা যাবে এমন কোনও ধ্রুবতা কিন্তু নেই।

অমরত্বের সন্ধানে:-
মরিতে চাহি না আমি সুন্দর এই ভূবনে
মানবের মাঝে আমি বাচিবারে চাই,
রবীন্দ্রনাথ যেনো মানুষের মনের গভীরতম ইচ্ছাকেই প্রকাশ করেছেন এই কবিতায়,আসলেই কিন্তু মানুষ অমর হতে চায়,
কিন্তু বিধি বাম,যাই করুক অমরত্ব পায় না।
কিন্তু আমি যদি বলে বসি অমরত্ব সম্ভব।তখন লোকে বলবে পাগল হয়ে গেছিস নাকী অথবা দোস্ত গাজার দাম কম হইছে নাকী বর্তমানে গাজা টাজা টানছিস নাকী আর ধার্মিক গন বলবে ‘হালা নাস্তেক্ষ এর বাচ্ছা খোদার উপর খোদাকারি করবি’
কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান বলছে মরণশীলতা কোনও কন্সট্যান্ট নয়,সকল প্রানীই মারা যাবে এমন কোনও ধ্রুবতা কিন্তু নেই।
আগে দেখি মৃত্যু কাকে বলে? মৃত্যু হলো জীবনের অনিবর্তনীয় পরিসমাপ্তি।এখন প্রশ্ন হলো এই পরিসমাপ্তির কারন কী?এর প্রধান কারন হলো ডেথ জীন (Death gene) নামে সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড একধরনের জীন।প্রজনন ২ প্রকার।১)যৌন প্রজনন ২)অযৌন প্রজনন।আমরা যারা এর ১ম টিকে বেছে নিয়েছি,তাদের এই প্রজনন নেবার সাথে ডেথ জীনটাকেও নিয়ে নিতে হয়েছে।তাই আমরা মরণশীল।এখন প্রশ্ন হতে পারে ভাইরাস ব্যাক্টেরিয়া এরা কী আবার অমর নাকী?
এরা প্রায় অমরই,এরা বাস্তবে হয়তো সম্পুরন অমর না।তবে তাত্বিক ভাবে এরা অমর।এরা কোষ বিভাজনের মাধ্যমে বংশ বৃদ্ধি করে বড় হয়।এদের কোষ কিন্তু একটা মানে ১ টা ভেংগে ২ টা প্রানী হয়ে জায়।তাই এদের কোনও অংশই সেরকম ভাবে মরে না।
এ তো গেলো ব্যাক্টেরিয়া ভাইরাস আমাদের ক্যান্সার কোষ এবং সেক্স সেল কিন্তু অমর।এখানে সেক্স সেলকে পুরন্তা দিতে গিয়ে সোমেটিক সেলকে মৃত্যু বেছে নিতে হয়।
সেক্স সেল হাজার লক্ষ বার বিভাজিত হতে পারে কিন্তু সোমেটিক সেল ৫০ বারের মত বিভাজিত হয়।একে হ্যাফ্লিক লিমিট বলে।তাই এই কোশ মরে যায়।কিন্তু সেক্স সেল য়মমরে না।আবার ক্যান্সার কোষ অমর।এটা হাজারবার বিভাজিত হয়।
অনেক সময় টেলোমার সংকীর্ণতার কারনে সোমেটিক সেল এ ডিএনএ এর মাঝের মরন কোষ সুইচ অফ হয়ে যায়,তখন প্রকৃত অর্থে কোষটা অমর হয়ে যায়।১৯৫২ সালে হ্যানরিয়েটা ল্যাকস নামের এর মহিলার ক্যান্সার আকরান্ত কোষটা ল্যাবে রেখ দেন।এখন পরযন্ত প্রতিদিন ১০০ বার বিভাজিত হবার পরও কোষটা জীবিত অবস্থায় আছে।তাই ওই কোষটা জীবিত আছে এর থেকে প্রমান হয় মৃত্যু সবার হয় না,আর ভবিষ্যতে হয়তো আমরা অমরত্ব পাবার প্রক্রিয়াও আমরা পেয়ে যাবো।
যখন মৃত্যুরই ঠিক নেই স্বর্গ নরগ এর প্রশ্নই আসে না।তাহলে ভাইরাস ব্যাক্টেরিয়া রা কী স্বর্গ নরক পাবে না?তারাও তো সৃস্টি তারা কী দোশ করলো? যে স্বর্গ নরগ পাবে না কেনো?এখন উত্তর হতে পারে আমরা সৃস্টির সেরা।তাই আমাদের ই খালি বিচার আছে,
তখন আমি বলি তাহলে ওদের সৃষ্টি করে অপচয়+ এন্ট্রপি বাড়িয়ে লাভ কী?যা কিছু ডিজাইন করে ফাইন টিউনড করে সৃস্টি করা তাতে তো অপচয় থাকতে পারে না।তার মানেই আমরা কোনও গ্রান্ড ডিজাইন এর অংশ নই,আমরা আছি কারন প্রকৃতি,কাল্পনিল কোনও ইস্বর আমাদের তৈরি করেনি কোনওদিন।তার মানে ব্রহ্মা সৃস্ট প্রজাপতি বা আদম হাওয়া বা ইভ নামেও কেউ ছিলো না কোনওকালেই,লিলিথও কাল্পনিক।
তাই, ইস্বরও কাল্পনিক।
সাহায্যগ্রন্থ:-১)অবিস্বাসের দর্শন
২)The selfish Gene,’Ricard Dowking
3)The sex sells of hominins,wikipedia the free encyclopedia
4)Hela sells,Wikipedia the free encyclopedia

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *