গল্পঃ এন্ড দেন আই ডিসাইডেড টু কিক মাইসেলফ আউট অফ হেভেন – পর্ব – ৩


কোটি কোটি বছর পর আমার ধ্যান ভঙ্গ হইলো, আমি চোখ বন্ধ করলাম, আবার অনন্তকাল পার হইলো। আমি ভাবতে লাগলাম, কেন আবার এইসব ফিরে দেখতেছি? ভুলতে পারলেও তো খারাপ হইতোনা কিছুক্ষনের জন্য। উপায় খুজতে লাগলাম ক্যামনে একটু ব্রেক পাই। মাথার মধ্যে ঝিঁঝিঁর টানা চীৎকারের মত ওই একই স্মৃতি রিওয়াইন্ড হইতেছে অটো।

চীফ বইলা উঠলো,

– “উন্নতমানের সরাব আইনা দিব স্যার? একবার খাইলে চল্লিশ হাজার বছর সকল চিন্তা থাইকা মুক্তি। সব পেইন গায়েব!!”

আমি কইলাম,



কোটি কোটি বছর পর আমার ধ্যান ভঙ্গ হইলো, আমি চোখ বন্ধ করলাম, আবার অনন্তকাল পার হইলো। আমি ভাবতে লাগলাম, কেন আবার এইসব ফিরে দেখতেছি? ভুলতে পারলেও তো খারাপ হইতোনা কিছুক্ষনের জন্য। উপায় খুজতে লাগলাম ক্যামনে একটু ব্রেক পাই। মাথার মধ্যে ঝিঁঝিঁর টানা চীৎকারের মত ওই একই স্মৃতি রিওয়াইন্ড হইতেছে অটো।

চীফ বইলা উঠলো,

– “উন্নতমানের সরাব আইনা দিব স্যার? একবার খাইলে চল্লিশ হাজার বছর সকল চিন্তা থাইকা মুক্তি। সব পেইন গায়েব!!”

আমি কইলাম,

– “এইডা কোন কথা কইলা? দুনিয়াতে এইসব বালছাল খাওয়া হারাম কইরা রাখছিলা, কিন্তু মানুষ এর পিছেই দৌড়াইছে। আর এইখানে সরাবের নদী বানাইয়া রাখছো। ব্যাপারটা দুইমুখী নীতি হইয়া গেলো না? যেই কাম ওই দুনিয়ায় খারাপ ডিক্লেয়ার করলা, এইখানে ওইটা নির্মল বিনোদন হিসেবে চালাইতেছো ক্যান?”

চীফ জবাব দিলো,

– “স্যার, ব্যাপারটা দুইমুখী নীতি না। নীতিগত কোন সমস্যা নাই। ওই জীবন আর এই জীবনের তো অনেক পার্থক্য আছে, তাই ওইখানের জন্য যেইটা খারাপ, এইখানে সেইটা খারাপ হবে এমন কিন্তু না।“

আমি রাইগা গিয়া কইলাম,

– “ভেগু ভেগু কথা কইবানা। আজাইরা বুঝ দিবানা। বুদ্ধিহীন ক্রিয়েচার, তুমি জানোটা কি? তুমি তো পুতুল মাত্র। তাও আবার কনফিউজিং পুতুল, পোলা না মাইয়া এইডাই বুঝতেছিনা, উনি আসছেন বুঝ দিতে!!?”

চীফ জবাব দিলো,

– “স্যার, আমরা বুদ্ধিমান না, এইটা কিন্তু ঠিক বলেন নাই। সৃস্টিকর্তা অথবা আপনের আমার ঈশ্বর তিন ধরনের বুদ্ধিমান প্রজাতি বানাইছিলেন। এদের মধ্যে দুই ধরনের প্রজাতিরে স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি দিছিলেন, কিন্তু আমাদের এঞ্জেল কুলরে স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি দেননাই। এইজন্য আমাদের পাপ করার কোন ক্ষমতাই নাই। কিন্তু বুদ্ধি নাই এইটা সঠিক কথা না। এইজন্যই আপনাদের আদি পিতা আদমরে বানাইয়া সিজদা করতে কইলে আমরা এঞ্জেলকুল সিজদা করছিলাম, কিন্তু ইবলিস ভাইজান বিগড়াইয়া গেছিলেন। উনি বলছিলেন, আমি আগুনের তৈরী, কাদামাটির মানুষরে আমি সিজদা করুম ক্যান? আমি মানুষের চাইতে উত্তম!! উনি অহঙ্কার করছিলেন। আপনার অথবা উনার সাথে আমাদের পার্থক্যই হইলো আমাদের এইসব কিছু নিয়াই জ্ঞান আছে, কিন্তু নিজে সিদ্ধান্ত নিয়া প্রয়োগ করার স্বাধীন ক্ষমতা নাই। এইজন্যই ইবলিস সাহেব অহংকার করতে পারছিলেন, আমাদের মধ্যে কেউ করেনাই। একদিক থেকে ভালোই হইছে, আমরা তো বেহেস্তেই আছি, আমাদের ভুলচুক কইরা এইখান থেকে বিতারিত হওয়ার স্কোপ নাই। রিস্ক ফ্রি লাইফ।“

আমি আর কি কমু? আমি তর্কে ভালোনা। চীফরে কইলাম,

– “তাইলে আমারে বুঝাও ক্যান দুনিয়াতে মাল খাইলে ছাল তুইলা নেয়ার ভয় দেখাইছো আবার এইখানে মালের নদী বানাইয়া রাখছো? আবার কইছো সুন্দরী মাইয়ার দিকে তাকানো যাইবোনা, আদর সোহাগ করা যাইবোনা। আবার বলা হইতো বেহেস্তের হুর দিয়া ভরাইয়া রাখবা। আদর সোহাগতো ব্যাপারই না, কান চুলকাইতে হইলেও হুরের অভাব হইবোনা! এইসব দুইমুখী নীতির কারন কি?”

চিফ কইলো,

– “স্যার। আপনিও বুদ্ধিমান। নিজে ভাবলেই উত্তর পাইতেন, তাও বলি। দুনিয়ার যেই জীবন আপনারা কাটাইছেন, আর এইখানের যেই জীবন কাটাইতেছেন, দুইটার মধ্যেই তো অনেক পার্থক্য আছে। দুনিয়ায় বাচতেন বড়জোর ১০০ বছর আর এইখানে জীবনের শুরু আছে কিন্তু শেষ নাই। ওইখানে খাদ্যের অভাব ছিলো, কিন্তু কিছু খাইলেও টয়লেট করা ছাড়া গতি ছিলনা। আর এইখানে ওইসবের কোন টেনশন নাই। এইখানে যাই করেন, যাই খান রোগ শোকের বালাই নাই, আর ওইখানে সরাব অল্প খাইলেই মাথা আউট হইয়া বমি কইরা ভাসাইতেন। সালমান স্যারের মত ফুটপাতে গাড়ি উঠাইয়া দিয়া কত স্যারের জীবন নিয়া টানাটানি লাগাইয়া দিতেন ওইটা কেবল ঈশ্বর জানেন। এমন বড় ছোট অনেক পার্থক্যই ছিলো। ওইটা ছিলো পরীক্ষার জায়গা। ওইখানে যদি সরাব পান কইরা পইরা থাকতেন, তাইলে এইযে একটু আগে যেই দৃশ্য দেইখা কোটি বছর পার করলেন, সেই দৃশ্যের জন্ম না হইয়া দেখতেন আরেকজনের সাথে ঘুষাঘুষি করতেছেন। কোন তরুণী ম্যাডামের ওড়না ধইরা টান দিয়া থাপ্পর খাইতেছেন। তখন ওই দৃশ্য আসলে বার বার রিওয়াইন্ড না করতে বইলা বলতেন, স্কিপ কর, স্কিপ! নাইলে ফাস্ট ফরোয়ার্ড। এমনে এমনেই জীবন পার কইরা দিতেন। ঈশ্বরের কথা এমনিতেই মাথায় আনতে পারতেননা। এরপর বিচারের দিনে বুদ্ধিমানের মত নিজেরে বাচাইতে জবাব দিতেন, ঈশ্বর, তুমি তো সরাব খাইতে মানা করনাই। তোমার তৈরী করা জিনিস খাইছি দেইখাই তোমার কথা মনে রাখতে পারিনাই। এখন আমাদের দোষ দ্যাও ক্যান? পরীক্ষা নিতে গিয়া ঈশ্বর নিজেই তো প্রশ্নের পাত্র হইয়া যাইতেন।”

আমি আপাতত পালটা যুক্তি খুইজা পাইলামনা আমার দুর্বল জ্ঞানে। তাই জিগাইলাম,

– “তাইলে দুনিয়ার অর্ডিনারী হুরের পিছে ঘুরলে পরকালে হুর পামুনা এইটা ক্যান বলা হইতো? জবাব দ্যাও গেলমান।“

চীফ জবাব দিলো,

– “স্যার, এইটা তো আপনাদের বাল্যকালের ক্লাস ওয়ান টু এর কোয়েসচেন করলেন!! দুনিয়াতে যদি একেকদিন একেকজনরে দেইখা দেহ মন সব দিয়া ফেলতেন, তাইলে মায়া জন্মানোর সময় পাইতেন ক্যামনে? মায়া না থাকলে পরিবার হইতোনা। সন্তান হইছে নাকি হবে এইসবের ধার ধারতেননা, জানতেও চাইতেননা। আবার আরেকজনের পিছে দৌড় লাগাইতেন। এমনে কইরা তো দুনিয়া চলতোনা। আর দুনিয়ার অল্প সময় নিজের বউ বাচ্চার মধ্যে থাকার ধৈর্য্য না থাকলে এইখানে যে হাজার হাজার হুরের কথা বলা হইলো এইটাও তো কম। বেহস্তের অনন্ত সময়ের সাপেক্ষে দুনিয়ার সময়ের হিসাব শুন্যই। তাইলে আপনাদের দেয়া উচিত ছিলো শুন্য সংখ্যক পার্টনার। ঈশ্বর যে আপনাদের জন্য সেইটা না কইরা লিমিটটা একটু বেশিই দিয়া দিছিলেন সেইটাতে সন্তুষ্ট না থাকার কারন আমার মাথায় আসেনা। এইসব আইন কইরা দিয়াও বাগে রাখা যায়নাই, না থাকলে কি করতেন ওইটা আপনার বিবেচনা। আপনার বিবেচনা নিয়া আমার সন্দেহ নাই। ওই ক্ষমতাও নাই। তাই আপনাদের আদি পিতারে আমরা সিজদা করছি।“

আমি আর কিছু কওয়ার খুইজা পাইতেছিনা। মানুষ মন থাইকা কিছু মানতে না চাইলে জেদ কইরা কথা আগায়, গালিগালাজ শুরু করে। চীফের সাথে গালিগালাজেও তো লাভ নাই। তর্কেও হাইরা যামু শিওর। আর তর্কে হারার মত বিব্রতকর অনুভুতি আর কিছুতেই নাই। সেইটা মানুষের সাথেই হোক কিংবা এই চীফ এঞ্জেলের সাথে। আবার মাথায় আসলো, তাইলে যাইতে চাইলাম জঙ্গলে, নিয়া গেলো সোনা রুপার খনিতে। শুইতে চাইলাম তক্তায়, নিয়া ফালাইলো তুলার বস্তায়। এইসব তাইলে ক্যান হইলো? এর পিছনে এই চীফের সুক্ষ কারচুপি আছে নিশ্চিত।

আপাতত এইসব চিন্তা থাইকা মুক্তি চাইলাম। অলরেডি অনেক ঢুকাইছি মাথায়। আমি এইসব যুক্তির ধার না ধাইরা কইলাম,

– “আমার সিনেমা আগে বাড়াও। সিনেমা শেষ কইরা ঘুরাঘুরি কইরা, সকল সুযোগ সুবিধা দেইখা পরে ঠিক করুম বেহেস্ত আমার থাকার জায়গা নাকি তোমরা থাকলেই চলবে। আপাতত প্লে কর, আবার না থামতে বলা পর্যন্ত আমার নিজের ওই রিয়েলি আনরিয়েল সিনেমাই চলবে…”

6

এরপর আবার কিছু সময় গেলো, নদীগুলারে দেখলাম চেনাজানা নদীর মতই, সাগর ছিলো সাগরই। চোখ সেই মায়াময় চোখ, আর আকাশও হাই ডেফিনিশন না, সেইটাও বিদিশার নিশা মেশানো ক্যামন জানি মায়া মায়া!! কত কোটি বছর পর আবার মায়ার মধ্যে ডুইবা গেলাম; সেই অল্প সময়ে আপন ভাইবা নেয়া পৃথিবীর মায়া!! এইসব দেখতে দেখতে বুকের মধ্যে বাজিলো সুখের মতো ব্যাথা!!

ভাবতে লাগলাম, এই সুখের মতো ব্যাথার কথাটা জানি কে কইছিলো?? চীফ জবাব দিলো,

– “স্যার, উনার নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আপনার খুব কাছেই আছেন। দেখা কইরা আসবেন নাকি? উনি এইখানেও লেখালেখি চালাইয়া যাইতেছেন। “

আমার মনে হইলো বইলাই ফেলি,

– “হে বেহেস্ত, তুমি দ্বিধা হও। আমি ফুটা পাইয়া বাইর হইয়া যাই!!”

এতো শকের পর শক আর নিতে পারতেছিনা!! আমি জিজ্ঞেস করলাম,

– “এইডা ক্যামনে সম্ভব? এই বেহেস্তে বইসা উনার কবিতা লেখার দরকার কি? আর উনি তো মালাউন আছিলেন, উনি এইখানে কোন আইনের প্যাচ দেখাইয়া ঢুকলেন? উনি তো মালাউন, কাফির!??“

চীফ উত্তর দিলো,

– “স্যার, যার যেইটা ভালো লাগবে সে বেহেস্তে সেইটাই করবে। আপনার যেমন বাংলা ফাইভ নিজে না ধরাইলে শান্তি লাগেনা, উনার ওইরকম না লিখলে শান্তি লাগেনা। উনি নিজের শান্তির পথ বাইছা নিছেন। “

আমি নিজেরে দিয়া কল্পনা করলাম। ভাবলাম বাংলা ফাইভ খাওনের কথা, অকৃত্তিম জঙ্গল দেখার খায়েসের কথা, ঘুঘুর অরিজিনাল ডিম্ব দেখার আজন্ম লালসার কথা। বুঝতে পারলাম, নিজেরে বদলাইয়া হয়তো বেহেস্তেও সেইভাবে শান্তিতে থাকা যায়না। রবি বাবুর কবিতা লিইখা আনন্দ পাইলেই বা দোষ কি? বেহেস্ত তো আনদ পাওনেরই জায়গা। আবার জিগাইলাম,

– “তাইলে উনার মতো মালাউন বেহেস্তে ঢুকলো ক্যামনে?”

জবাব পাইলাম,

– “স্যার, মালাউন মানে হইলো ‘ঈশ্বরের করুনা বঞ্চিত’। আপনা একটা নামে ডাকলেন সেইটার ভিত্তিতে খোদা কাউকে করুনা বঞ্চিত করেন না। উনি কারে করুনা বঞ্চিত করবেন এইটা উনার বিষয়। দুনিয়াতে থাকতে তো হাজারবার শুনছেন মনে হয় যে, ‘ তোমাদের মধ্যে যে সৎ কাজ করলে শান্তি পায় আর অসত কাজের পর মনে মনে ভয় পায়, সেই মুমিনদের অন্তর্ভুক্ত।’ এইখানে কিন্তু স্পেসিফিক কইরা বলা নাই মুসলমানেরই করতে হবে। আবার দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ। উনি উনার নানা গান দিয়া আপনাদের মতো অনেকের মনে দেশপ্রেম জাগাইছিলেন। নিজে ঈমান আনেন আর না আনেন, অনেকেরে তো ঈমানের দিকেই টানছেন। আরো অনেক কারন হইতে পারে। কিন্তু উনার জীবনের স্মৃতি দেখার ক্ষমতা আমার নাই। থাকলে বলতে পারতাম। আর ঈশ্বর ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। কারে ক্ষমা করবেন না করবেন, এইটা উনার বিবেচনা। উনারে বোঝার ক্ষমতা আমাদের কাউরেই দেয়া হয়নাই।“

আমি কইলাম,

– “কস কি মমিন? আমিও তো তাইলে মুমিনই!! আমি ভালো কাম করলে শান্তি পাইতাম, আর আকাম করলে ক্যামন ক্যামন জানি লাগতো। মনে হইতো, পিডাইয়া পরকালে ছাল তুইলা ফালাইবো যা করতেছি, নাইলে কয়লার উপরে রাইখা বারবিকিউ করা তো নিশ্চিত ধইরা রাখছিলাম!!”

চীফ কইলো,

– “স্যার, সেইটা আপনেই ভালো জানেন। আপনার শেষ বিচারের দিনের ভিডিও আছে, দেখলে পুরা বুঝতেন। লাইফ ভিডিও বাদ দিয়া ওইটা চালাব স্যার?”

আমি চমকাইয়া উঠলাম। কইলাম,

– “ভাইরে, ক্ষমা দে!! কিছু কিছু কাহিনী মনে করাও বিশাল যন্ত্রনার। উফ! কি সময় গ্যাছে। মাথার আড়াই হাত উপরে সুর্য্য!! মস্তিস্ক টগবগ কইরা ফুটতেছে!! আসলে বাস্পই হইয়া যাওয়ার কথা ছিলো। ক্যান যে হয়নাই তা তুমিও জানবা না মনে হয়। তুমি তো মনে হয় সাইন্স নিয়া পড়াশুয়া করনাই। থাক, পারলে ওই স্মৃতি শিফট ডিলিট মারো। ভয়াবহ স্মৃতি ধইরা রাখা বুদ্ধিমানের কাম না।“

আমি সবকিছু এড়াইতে চাইলাম। ভাবলাম, এইসব চিন্তা বাদ দিয়া একটু বিনোদনে বাইর হওয়া যাক। বিনোদনের কি কি ব্যাবস্থা আছে এইটা নিয়া আগেই ধারনা তো কিছু ছিলোই। দুনিয়ায় থাকতে সবচেয়ে হাইলাইট করা হইতো হুর! আমার হুর দেখতে মন চাইলো। চীফরে কইলাম,

– “আমার লাইগা কয়টা হুর নিয়োগ দিছো, আর কয়টা গেলমান?”

চীফ কইলো,

– “স্যার, আপনে ভালোভাবে হিসাবে পাস করছিলেন। আপনার খেদমতে শত হুর আর শত গেলমান মওজুদ আছে।“

আমি কইলাম,

– “নিয়া আসো দেখি একটারে। পাশে বসাইয়া বাদাম খামু! যা তা বাদাম আইনোনা, পিওর দেশী চীনাবাদাম হালকা বীটলবন দিয়া নিয়া আসো। খাইতে খাইতে গল্প করা যাইবে। এরা কি এমন চীজ দেখতে আর জানতে মন চাইতেছে। “

চীফ কইলো,

– “স্যার, আপনার সঙ্গী হাজির!!”

চলবে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *