সাবেক বিশ্বসুন্দরী মার্কেটা কোরিনকোভার খ্রীষ্টান ধর্ম ত্যাগ!

সাবেক বিশ্বসুন্দরী ব্রিটেনের ফ্যাশন ডিজাইনার ও অভিনেত্রী মার্কেটা কোরিনকোভা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তিনি ইতালিতে অনুষ্ঠিত ২০১২ সালে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। একই সঙ্গে নিজের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম রেখেছেন মরিয়ম। চেকোস্লোভাকিয়ান বংশোদ্ভূত এই সুন্দরী
Marketa-Korinkova (মার্কেটা কোরিনকোভা) বলেন, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং দুবাইয়ে বসবাস করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


সাবেক বিশ্বসুন্দরী ব্রিটেনের ফ্যাশন ডিজাইনার ও অভিনেত্রী মার্কেটা কোরিনকোভা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তিনি ইতালিতে অনুষ্ঠিত ২০১২ সালে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। একই সঙ্গে নিজের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম রেখেছেন মরিয়ম। চেকোস্লোভাকিয়ান বংশোদ্ভূত এই সুন্দরী
Marketa-Korinkova (মার্কেটা কোরিনকোভা) বলেন, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং দুবাইয়ে বসবাস করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

গত তিন বছর ধরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা শুরু করেন মার্কেটা। পরে দুবাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে খ্রিস্টানধর্ম ত্যাগ করেন। স্থানীয় আরবি ভাষার দৈনিক আল কুদস-আল আরাবির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুপার মডেল ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মার্কেটা কোরিনকোভা ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ঘোষণা দিয়ে তার ফ্যানদের অবাক করেছেন।

মূলতথ্য এখান থেকে

আসলে তিনি কি পেয়েছেন ইসলাম ধর্মের মধ্যে! যা তার খ্রিষ্টান ধর্মে পাননি। আমরা অনেকেই বলি ধর্ম বলতে কিছু নেই। কিন্তু আসলেই কি তাই? আসলে আমার মনে হয় ধর্ম হলো ঐ জিনিস যা মানুষ মনে প্রানে বিশ্বাস করে। যেমন নাস্তিকরা বিশ্বাস করে ধর্ম বলতে কিছু নেই আসলে সেটাই (নাস্তিকতা) তাদের ধর্ম। ধর্ম বলে যদি এ পৃথিবীতে কিছু নাই থাকত তাহলে প্রায় সমগ্র পৃথিবীর মানুষ কি ধর্ম পালন করত?

সবচেয়ে বড় আশ্চর্যের বিষয় হলো বর্তমানে ইসলাম ধর্মের নামে এত অপপ্রচারের পরও ইসলাম ধর্মেই সবচাইতে বেশী মানুষ স্বইচ্ছায় ধর্মান্তরিত হচ্ছেন। এব্যাপারে আমার মনে হয়, ইসলাম ধর্ম মানুষকে সত্য ও সঠিক পথে চালিত করে আর নারী-পুরুষ উভয়কে সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দান করে। যা পৃথিবীর অন্য কোথাও নেই।

১৪ thoughts on “সাবেক বিশ্বসুন্দরী মার্কেটা কোরিনকোভার খ্রীষ্টান ধর্ম ত্যাগ!

        1. প্রেম-ভালবাসাটুকু যে ইসলামে
          প্রেম-ভালবাসাটুকু যে ইসলামে আছে এটা কম কি। অন্য কোন ধর্মে প্রেম-ভালবাসা থাকলে কি আর মানুষ তার ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্মে আসত।

          ধন্যবাদ আপনাকে।

  1. আপনি বলেছেন,
    আসলে আমার মনে

    আপনি বলেছেন,

    আসলে আমার মনে হয় ধর্ম হলো ঐ জিনিস যা মানুষ মনে প্রানে বিশ্বাস করে।

    আমার মনে হয় শব্দটা যোগ করে ভালোই করছেন। আপনার মনে হতেই পারে। দোষের কিছু না। তবে আপনার কথা শুনে হচ্ছে, নেশা না করাও একটা নেশা। বিশ্বাস হল হত্য এবং মিথ্যের মাঝখানে একটা অবস্থান। যা প্রমাণ করা যায় না, তবে মেনে নেওয়া সামনের দিনে হতে পারে।যেমন আমার মনে হয় আগামীকাল বাঙলাদেশ ক্রিকেটে জিতবে। জিততেও পারে। না জিততে পারে। তবে বিশ্বাস করেছি জিতবে। আমি বিশ্বাস করি খোদা আমায় মাফ করবেন। করতেও পারে নাও করতে পারে। আমি বিশ্বাস করি খোদা আছে। থাকতেও পারে না থাকতে পারে। আমি বিশ্বাস করি আমার ধর্ম সত্য। হতেও পারে না হতে পারে।

    ধর্মহীন অবস্থানকে বলা হয় ডিফল্ট পজিশন। ধরেন একটা সরললেখা টানলেন করে। তার মাঝ বরারব একটা লম্ব আঁকলেন। এই রেখার মাঝখানের বিন্দু থেকে যত ডান পাশে যত যাবেন এটা হচ্ছে ধর্মীয় বিশ্বাস এবং মৌলবাদ, এবং বাম পাশে হচ্ছে ধর্মবিরোধিতা। আর মাঝ বরাবরটা বিন্দুটা হচ্ছে ধর্মহীনতা।

    এইবার আসি কোন মডেল ইসলাম গ্রহণ করছে এই বিষয়ে।
    ওই মডেল কি স্কলার? যে ওই মডেল কোনো একটা ধর্মগ্রহণ করলেই ধর্ম সত্য হয়ে যাবে। ধরেন, অক্সফোর্ডের কিছু শিক্ষক ইসলাম গ্রহণ করেছে। কেন তারা এটা করেছে তা বিশাল প্রশ্নের। অনন্ত জলিল যদি কালকে অনন্ত হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে, এইটা কি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে? কারন আমরা তো জানি এই সব টিভি অভিনেতারা কত ডাম্প। আর কয়েকজন ইসলাম গ্রহণ করছে তা প্রচার করতেছেন এই ব্লগে কত নাস্তিক আছেন জানেন? সব কিন্তু মুসলমান ঘর থেকেই আসছে।

    1. ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলসের
      ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলসের ট্রিনিটি সেইন্ট ডেভিডের গবেষক কেভিন ব্রাইস বলেন, ‘মসজিদগুলোকে সরবরাহ করা প্রশ্নপত্র থেকে এ হিসাবে দেখা গেছে, প্রতি বছর অন্তত ৫ হাজার ২০০ ব্রিটিশ ইসলামে ধর্মান্তরিত হচ্ছেন এবং এখন পর্যন্ত এদের মোট সংখ্যা প্রায় ১ লাখ।’ আমেরিকায়ও সংখ্যাটা প্রায় কয়েক লাখ।

      এছাড়া বিভিন্ন ধর্মের উপর গবেষণা পরিচালনা করে এমন একটি সংস্থা “ফেইথ ম্যাটার” এর পরিসংখ্যানে আরো দেখা গেছে যে, এসব মুসলিমের ৭৫ শতাংশই নারী এবং তাদের অধিকাংশের গড় বয়স হলো ২৭।

      কিন্তু মিডিয়া এবং তথাকথিত নারীবাদী সংগঠনগুলোর এত প্রচার-প্রচারণার সত্ত্বেও দিন দিন কেন শিক্ষিত এবং আধুনিক নারীরা ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে? বলতে পারবেন?

      যাই হোক আপনার জন্য আরো কিছু তথ্য সমৃদ্ধ একটি পোষ্ট দিলাম হয়তো আপনার ভুল ভাঙবে?
      পৃথিবীর বিখ্যাত মানুষ যারা ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন

    2. স্কলাররা ধর্ম গ্রহন করলে্‌ই
      স্কলাররা ধর্ম গ্রহন করলে্‌ই সেই ধর্ম মহান হয়ে যায় এধরনের মানসিকতা কখন ইসলামে নেই। ইসলাম ধর্মে সকল মানুষকে একই চোখে দেখা হয় বিধায় সারা পৃথিবীর নির্যাতিত , নিপিরিত মানুষের একমাত্র পথের দিশা ইসলাম। ইসলাম অসহায়ের সহায়, জ্ঞ্যনি গুনি ভাল-মন্দ পাপি-তাপি সবাই এখানে শান্তির আস্রয় খুজে পায়। আর কোন ধর্মের মানুষ এভাবে সবাইকে আপন করে এক কাতারে আনতে পারে বলুন? জাত-পাত ছোয়া-ছুয়ি খুজতে খুজতে যাদের জীবন চলে যায় তারা কিভাবে এটা বুঝবে বলুন।

      1. ঠিকি বলেছেন। কিন্তু এই তথ্য
        ঠিকি বলেছেন। কিন্তু এই তথ্য দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো অন্যদেরকে জানানো, যারা না জেনে বা না বুঝেই ইসলামের সমালোচনা করে। ইসলামের নামে কোন কুসংস্কার থাকলে সেটার সমালোচনা হতে পারে কিন্তু ইসলামের নামে মিথ্যা তথ্য লিখে সমালোচনা ধিক্কারজনক।

  2. আসলে প্রতিদিনই সেলিব্রিটি সহ
    আসলে প্রতিদিনই সেলিব্রিটি সহ বিপুল পরিমান সাধারণ মানুষ ইসলাম গ্রহন করছে।ইসলামের এই অগ্রযাত্রা আসলেই রুখে দেয়া মুশকিল। ফেসবুক, ব্লগে ইসলাম বিদ্ব্যেষী নাস্তিকদের কান্না-কাটি দেখলে সেটি আরো পরিষ্কার বোঝা যায়।

    1. ইসলামের বিরুদ্ধে যারা
      ইসলামের বিরুদ্ধে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের মধ্যেই ইসলাম গ্রহণের প্রবনতা বেশী। এটা ভাল লক্ষন।কারন শেষ পর্যন্ত তারা সঠিক পথের সন্ধান পেয়েছে।

      সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

  3. কীট – পতঙ্গের প্রজনন হয় লাখে
    কীট – পতঙ্গের প্রজনন হয় লাখে লাখে, উন্নত প্রাণীর প্রজনন হয় বছরে একটা। সুতরাং সংখ্যা দিয়ে কিছুই যায় আসেনা। ইউরোপের একটা সাদামাটা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কজন নোবেল বিজয়ী আছেন, সারা মুসলিম জাহানে গত পঞ্চাশ বছরে তাঁর দশ পারসেন্ট নোবেল উইনার নেই।

    সুতরাং সুধু সংখ্যা নিয়েই থাকুন।

    1. নোবেল পুরষ্কার হলো ইসলাম
      নোবেল পুরষ্কার হলো ইসলাম বিদ্বষিদের জন্য। আরো পরিষ্কার করে বলতে গেলে যাদের কর্ম কমপক্ষে ইসলাম বিরোধি। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

      1. তা ঠিক, ঘাস কাটার জন্যে এবং
        তা ঠিক, ঘাস কাটার জন্যে এবং গৃহ পরিচারিকা নির্যাতনের জন্যে যেহেতু নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়না, সুতরাং কি আর করা।

        1. আপনি বা আপনার কমিউনিটির যারা
          আপনি বা আপনার কমিউনিটির যারা ঘাস কাটা এবং গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন না তার কয়জন এপর্যন্ত তথাকথিত নোবেল ফ্রাইজ পেয়েচেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *