নতুন দিগন্তের হাতছানি

বিনিয়োগ ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল একটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অভ্যন্তরীণ ও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকারি, বেসরকারি, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি (পিপিপি) ও বিদেশী – এই চার ধরনের অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন নিয়ে কাজ করছে সরকার। এত দিন অর্থনৈতিক অঞ্চল ছিল স্বপ্ন। এবার তা বাস্তবে রূপ নেবে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে সরকারের লক্ষ্য ১০০টি অর্থনৈতিক জোন তৈরি করা। ইতোমধ্যে ৫৯টির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বাকিগুলোর বিষয়ে কাজ চলছে। বিনিয়োগ আকর্ষণে সব ধরনের প্রচেষ্টাও চলছে। আর অনুমোদিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে প্রথমবারের মতো ১০টির উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন করা হচ্ছে। এ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে যাবে। বছরে অতিরিক্ত আরও ৪ হাজার কোটি ডলার রফতানি আয়ের সুযোগ তৈরি হবে। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন দেশের অর্থনীতি গতি পাবে, তেমনি বেকার সমস্যা থেকেও মুক্ত হবে বাংলাদেশ।

১ thought on “নতুন দিগন্তের হাতছানি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *