ঈশ্বরের বিরুদ্ধে হুলিয়া-

বন্ধুগন, একবিংশ শতাব্দীর এই দুর্বৃত্তায়নের পৃথিবীতে
মানুষের স্থাপত্য যখন মানুষের জন্যই হুমকিস্বরুপ
চন্দনমাখা স্বপ্নের ভেতরে যখন বুনো হাতির উলুধ্বনি ওঠে
ঠিক তখন ই, মানুষের এই সমাবেশে দাঁড়িয়ে আমি আপনাদের কাছে
হাত জোড় করে বলি ভালোবাসা খুঁজতে যাবেন না কোথাও।
মানুষের ভেতরে মুখোশ, মানুষের বাহিরে মুখোশ, মানুষের মুখোশেও আজ মুখোশ লেগে আছে।

বন্ধুগন, মানুষের হাত গুলো এমিবার মতো এত পিচ্ছিল আর ক্ষুদ্র যে আপনি ধরে রাখতে পারবেন না।
মেরামতের অযোগ্য মানুষের চোখগুলো গভীর ফাটল নিয়ে ভাগাভাগি হয়ে গেছে দুদিকে।

প্রিয়বন্ধুগন,
কোটি কোটি যুগ আগে পাথরের নি:শব্দ চিৎকার থেকেই আগুনের উৎপত্তি ঘটেছিলো

বন্ধুগন, একবিংশ শতাব্দীর এই দুর্বৃত্তায়নের পৃথিবীতে
মানুষের স্থাপত্য যখন মানুষের জন্যই হুমকিস্বরুপ
চন্দনমাখা স্বপ্নের ভেতরে যখন বুনো হাতির উলুধ্বনি ওঠে
ঠিক তখন ই, মানুষের এই সমাবেশে দাঁড়িয়ে আমি আপনাদের কাছে
হাত জোড় করে বলি ভালোবাসা খুঁজতে যাবেন না কোথাও।
মানুষের ভেতরে মুখোশ, মানুষের বাহিরে মুখোশ, মানুষের মুখোশেও আজ মুখোশ লেগে আছে।

বন্ধুগন, মানুষের হাত গুলো এমিবার মতো এত পিচ্ছিল আর ক্ষুদ্র যে আপনি ধরে রাখতে পারবেন না।
মেরামতের অযোগ্য মানুষের চোখগুলো গভীর ফাটল নিয়ে ভাগাভাগি হয়ে গেছে দুদিকে।

প্রিয়বন্ধুগন,
কোটি কোটি যুগ আগে পাথরের নি:শব্দ চিৎকার থেকেই আগুনের উৎপত্তি ঘটেছিলো
অথচ মানুষের ইতিহাস বিজ্ঞান বলে “ঘর্ষন”।
দুর্গম আকাশ, দুর্লভ চাঁদ আর দুর্ধর্ষ নক্ষত্রতারকাপুঞ্জির কঙ্কালমুখ থেকে যেসকল অক্ষর, রং, সুর, ভস্মগুলো মানুষের কাছে পৌছায় তাকে আমরা বলি শিল্প।

বিশ্বাস করুন বন্ধুগণ, আমাদের কিচ্ছু কাজে লাগেনি, কিচ্ছু কাজে আসেনি।
আমাদের সভ্যতা এসেছে, আমাদের স্বচ্ছতা আসেনি।
আমাদের প্রযুক্তি এসেছে আমরা প্রফুল্লতা পাইনি।
আমরা ভালোবাসতে শিখিনি পিতাকে, বন্ধু-বোন-ভাই ও আমাদের মা”কে
আমরা প্রেম পেয়েছি দুদিন আর বিরহের দরজায় পা পিছলে দুকোটি বছর হেলাল হাফিজের কবিতায় বুঁদ হয়ে রক্তবমি করেছি ব্রহ্মাণ্ড কলসে।
মানুষের ভেতরে যদি মানুষ না থেকে মাটি ও অক্সিজেন থাকতো আর থাকতো সালোকসংশ্লেষনের সুব্যবস্থা
তবে, আমাদের ভেতরেও কৃষ্ণচূড়ার মতো ফুল ফুটতো
ঝরনা এবং নদীর মতো বয়ে যেতে পারতাম, সমুদ্রের মতো ঢেউ তুলতে পারতাম
পাহাড়ের মতো দাড়িয়ে থাকতাম, আমাদের গা চুলকিয়ে দিতো পাখিরা
আমরা ভালোবাসতে শিখিনি, আমাদের সৃজনশীলতা এসেছে ঘৃণা এবং হত্যায়, চুমুতে আমরা আজো অনভিজ্ঞ।
মানুষের বিরুদ্ধে, মানুষের মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমিই প্রথম “মানুষ” শব্দটির সংস্কার চেয়েছিলাম বলে ঈশ্বর আমাকে মানুষ করে দিলেন।

ঠিক সেইদিন থেকে সুপ্রিয় বন্ধুগন, ঈশ্বরের মুখের উপর চুতরা পাতার ঢিপা দিয়ে, বাদুরের রক্তে কুলকুচি করে বলেছিলাম-
যতদিন বেঁচে থাকবো মানুষের ভেতর ফুল ফুটতে দেবোনা।
চন্দ্রগ্রহণ ও বৃষ্টিপাত দেখবার জন্য কোথাও আকাশ না পেয়ে মানুষ ইউটিউব খুলে বসবে।
বন্ধুগণ! কবিতার কসম খেয়ে বলছি,
মানুষ এবং ঈশ্বরের বিরুদ্ধে আমিই প্রথম হুলিয়া জারি করেছি ।

৩ thoughts on “ঈশ্বরের বিরুদ্ধে হুলিয়া-

  1. হাত জোড় করে বলি ভালোবাসা
    হাত জোড় করে বলি ভালোবাসা খুঁজতে যাবেন না কোথাও।
    মানুষের ভেতরে মুখোশ, মানুষের বাহিরে মুখোশ, মানুষের মুখোশেও আজ মুখোশ লেগে আছে।

    তুফান নামাইছেন ভাই। লাইকড ইট লাইক হেল…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *