ধর্ম আমাকে কি দিয়েছে?

ধর্ম নিয়ে হাজারো সমালোচনা ও অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক প্রতিনিয়ত চলমান।তবে অস্তিত্ব যাই হোক ধর্মের রাজত্ব কিন্তু এখনো সমগ্র পৃথিবীতে রয়েছে। হয়তো এমন দেশ আর খুজে পাবেন না যে যেখানে ধর্মের কোন অস্তিত্ব নেই।মহা বিশ্বে আজ মানুষ পরস্পরের সাথে যুদ্ধ,মারামারি,খুন করছে সর্বোপরি সকল সংঘাতে মুল উৎস কিন্তু ধর্ম থেকে।এক শ্রেণীর শাসকগোষ্ঠীমহল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন নিপীরণে লিপ্ত আছে। বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে মধ্যেপ্রাচ্য খ্রিস্টান,মুসলিম ও ইহুদির সংঘাত,ভারতের হিন্দু ও মুসলিম সংঘাত, ভিয়েতনাম যুদ্ধ,আয়ারল্যান্ডে ক্যাথলিক বনাম প্রটেস্টানদের সংঘাত ইত্যাদি সংঘাতের কারণে অনেক মানুষ যায়।বর্তমান বিশ্বে এক জাতি থেকে অন্য জাতির সাথে সংঘাতের আবির্ভাবের পথে।জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থান বিশেষকরে মধ্যপ্রাচ্য দেশে আইএস,তালেবান আজ সকল জাতির অন্যতম হুমকি।এসকল সংঘাত ও দ্বন্দ্বের মুল হলো ধর্ম।কারণ আপনি মুসলিম,আমি বৌদ্ধ,আপনি হিন্দু,আমি খ্রিস্টান।সকলি কিন্তু একই রক্ত মাংস দিয়ে গড়ে ওঠা। আজ অব্দি যারা প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন বা দিচ্ছেন তারা সকলেই এই ধর্ম বিশ্বাসের জন্য। যে জ্ঞান বাস্তব অস্তিত্ব না পাওয়া পর্যন্ত স্বীকার না করে অথচ সে বিজ্ঞান এখনো ইশ্বরের অস্তিত্ব খুজে পায়নি।মানুষ আজ শুধু পৃথিবীতে সীমাবদ্ধ নেই।এর বাইরে সমগ্র মহাবিশ্বকেও বিচরণ করছে।তাহলে ইশ্বর থাকেন কোথায়?সত্যিই কি সে অলৌকিক?একদিনও দেখলাম না কেন সেই ইশ্বরকে?অথচ আমরা তার কাছে প্রার্থনা করি,পুজা করি।তাহলে তার হৃদয় কি পাষাণ?যে শুধু লুকিয়ে থাকতে পছন্দ করে।তার ভক্তদের কাছে একবার হলেও আবির্ভাব হতে পারে না। মঙ্গল গ্রহের মতো জায়গায় মানুষ দর্শন করতে পারলে ইশ্বরকে কেন খুজে পাবে না? হয়তো যারা একটু ধর্মানুরাগী তারা মনে করে ধর্ম একটি ভিন্ন বিষয়।কিছু অলৌকিক সম্পর্কও রয়েছ।মনে করতে পারে ধর্ম হলো ইশ্বরের বাণী সুবিন্যস্ত সমষ্টি। তাহলে বলতে পারি নিঃসন্দেহে এটা মুর্খ ছাড়া আর কিছু নয়। ধর্মকে আমরা কি শুধু অলৌকিক হিসেবে ভাবতে পারি? ধর্ম তো হতে পারে একটা সামাজিক বিষয় যার সাথে একে অপরের বা এক জাতি থেকে অন্য জাতির পারস্পরিক মৈত্রিবন্ধনের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া রয়েছে।তবে হ্যাঁ,এই সংজ্ঞাটি ব্যাখা করাটা দীর্ঘ লেখারও বটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *