দেশের সেনাবাহিনী কার জন্য?

ভাষার মাসে মহান দিনে এমন কথা শুনতে চাইনি।গত একুশে ফেব্রুয়ারীতে খাগড়াছরি জেলার আলুটিলার রিচাং ঝর্ণায় একটি বাঙালী লাশ পাওয়াকে কেন্দ্র সেটেলার বাঙালীরা নিরীহ আদিবাসীদের গ্রামে অতর্কিক হামলা করে।এতে একজন নিহত সহ অনেক আহত হয়েছেন।অথচ,সেই মানুষটি কিভাবে মারা গেছে তার কোন প্রমাণ ছাড়াই সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে পাহাড়িদের উপর হামলা করা হয়।কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর শান্তি বজায় রাখতে সরকার দায়বদ্ধ।কিন্তু,সেই মিথ্যাবাদী হাসিনার কথা আজ কোথায় রাখলো দেশের গর্ব সেনাবাহিনীরা।পার্বত্য চট্টগ্রামে সংখ্যালঘু আদিবাসীদের উপর ধারাবাহিক হত্যা,ধর্ষণ,নির্যাতন,শোষণ,উৎখাত ও বঞ্চনাজনিত মানবাধিকার লংঘনের হামলা বহুমাত্রিক।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার লেলিত সেনাবাহিনীদের উপস্থিতিতে এমন হামলা শোভা পায় না।যেখানে একের পর এক শান্তি স্থাপনের অজুহাত দিয়ে সেনাক্যাম্প করা হচ্ছে,বিপরীতে তাদের উপস্তিতিতে সেটেলার বাঙালিরা পাহাড়িদের উপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে।পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে এরকম কত লাশ নদী নালা,খাল বিলে,রাস্তা ঘাটে ,অলিগলিতে পাওয়া যায়।শুধু কি সেই পাহাড়ি ভুমিতে একটা লাশ পাওয়া গেলে সেটা আদিবাসীদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয় যে তারাই হত্যা করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি নিজেকে গণতন্ত্রের মানসকন্যা হিসেবে মনে করেন।কিন্তু,আপনার এই গণতন্ত্রের উপস্থিতিতে সংখ্যালঘুদের উপর শাসকগোষ্ঠী বাঙালীদের হামলা অত্যান্ত নিন্দিত ও উদ্বেগজনক। তবে এই প্রশ্ন থেকে যায়,যে আপনার সেনাবাহিনী কি আদিবাসীদের রক্ষার যোগ্য নয়? তখনই শান্তি ফিরে আসতে পারে যখন অস্থায়ী ক্যাম্প,বহিরাগত সেটেলার বাঙালীদের সেখান থেকে প্রত্যাহার করা হয়। আপনার যদি একটুও মনুষ্যত্ব্য থাকে অন্তত তাদের নিজ ভুমিতে শান্তিতে থাকতে দিন।

৩ thoughts on “দেশের সেনাবাহিনী কার জন্য?

  1. আমাদের পুর্বসূরিরা স্বাধীনতা
    আমাদের পুর্বসূরিরা স্বাধীনতা এনেছেন আমাদের শান্তিতে থাকার জন্যে,
    অথচ শুধু ধর্মের দোহাই দিয়ে দেশটা আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে,
    জঙ্গী হামলা এখন হারহমেশাই ঘটে,
    সংখ্যালঘু,পাহাড়ি আদিবাসি নির্যাতন,
    এগুলো কমন বিষয়,
    সরকার নীরব

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *