এখন বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ডের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, আর বাড়ছে দেহফ্রেন্ডের সংখ্যা! (প্রথম পর্ব: দেহফ্রেন্ডের উদ্ভব)

এখন বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ডের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, আর বাড়ছে দেহফ্রেন্ডের সংখ্যা! (প্রথম পর্ব: দেহফ্রেন্ডের উদ্ভব)
সাইয়িদ রফিকুল হক

আগে শুনতাম: এই মেয়েটির বা ওই ছেলেটির একটা বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড আছে। শুনে মানুষ ভ্রু-কুঁচকাতো। আর এখন মানুষ জানতে পারছে, দেখতে পারছে, বুঝতে পারছে, কারও-কারও ছেলে বা মেয়ের এখন দেহফ্রেন্ড আছে। এগুলো এখন মানুষের চোখে পড়ে না।
আমাদের সমাজ কত দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। অধঃপতন ঘটছে মানুষের। আর বানের জলের মতো ভেসে যাচ্ছে এখন কারও-কারও নৈতিক-মূল্যবোধ। মাতাল-মদ্যপায়ীর মদ্যপানের মতো মানুষ বিসর্জন দিতে শুরু করেছে তার অমূল্য মূল্যবোধকে।


এখন বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ডের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, আর বাড়ছে দেহফ্রেন্ডের সংখ্যা! (প্রথম পর্ব: দেহফ্রেন্ডের উদ্ভব)
সাইয়িদ রফিকুল হক

আগে শুনতাম: এই মেয়েটির বা ওই ছেলেটির একটা বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড আছে। শুনে মানুষ ভ্রু-কুঁচকাতো। আর এখন মানুষ জানতে পারছে, দেখতে পারছে, বুঝতে পারছে, কারও-কারও ছেলে বা মেয়ের এখন দেহফ্রেন্ড আছে। এগুলো এখন মানুষের চোখে পড়ে না।
আমাদের সমাজ কত দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। অধঃপতন ঘটছে মানুষের। আর বানের জলের মতো ভেসে যাচ্ছে এখন কারও-কারও নৈতিক-মূল্যবোধ। মাতাল-মদ্যপায়ীর মদ্যপানের মতো মানুষ বিসর্জন দিতে শুরু করেছে তার অমূল্য মূল্যবোধকে।

এখন একশ্রেণীর ছেলে-মেয়েরা মনে করে: বয়ফ্রেন্ড মানেই হলো দেহফ্রেন্ড। তাই, তারা কয়েকদিন ভালোবাসার নাটক করে ছেলেটির কাছে মেয়েটি, আর মেয়েটির কাছে ছেলেটি দেহদান করে থাকে। আর এসব করে তারা বিমল আনন্দ অনুভব করে থাকে। এগুলো এখন এই বিশেষশ্রেণীর কাছে আনন্দ ও রোমাঞ্চের বিষয়।
মানুষের সুস্থ-সুন্দর জীবনের জন্য অবশ্যই বন্ধু প্রয়োজন। আর এই বন্ধু ছেলে-মেয়ে মিলেমিশেই হতে পারে। এখন অতিআধুনিক-যুগ। আর তাই, একটা ছেলের গার্লফ্রেন্ড আর একটা মেয়ের বয়ফ্রেন্ড থাকতেই পারে। কিন্তু তাই বলে বয়ফ্রেন্ড আর গার্লফ্রেন্ডের সীমাঅতিক্রম করে একলাফে দেহফ্রেন্ড! এটি জাতির জন্য অশুভ একটি ইঙ্গিত।
আগের দিনেও ছেলে-মেয়েতে বন্ধুত্ব হয়েছে। কিন্তু তাই বলে তারা দেহফ্রেন্ড হয়ে যায়নি। তারা বছরের-পর-বছর বন্ধুত্বের মর্যাদা রক্ষা করেছে। আর এখন অনেকে একদিনে বন্ধুত্ব গড়ে আর তিনদিনে দেহমিলন ঘটায়! এরা মনুষ্যত্বের ও বন্ধুত্বের চরম অবমাননা করছে।

দেশে এখন ব্যাঙের ছাতার মতো প্রাইভেট-বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছে এবং উঠছে। সমাজ ও রাষ্ট্রের একশ্রেণীর নষ্ট ও লম্পট শিক্ষাবিস্তারের নামে এইসব শিক্ষাব্যবসা-বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলছে। আর এরা শিক্ষার নামে টাকার বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে একখানা করে সাদা বা রঙিন কাগজের সার্টিফিকেট হাতে ধরিয়ে দিচ্ছে। এদের ব্যবসাবাণিজ্য চলছে ব্রিটিশ-আমলের সেই ঈস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর মতো। এরা সারাদেশে এখন প্রাইভেট-ব্যবসাবিশ্ববিদ্যালয়ের নামে টাকার পাহাড় গড়ে তুলছে। আর এদের সাহচর্যেই প্রাইভেট-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হয়ে উঠছে যৌনলিপ্সু। এখানকার অধিকাংশ শিক্ষকই লম্পট। এরা শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের চেয়ে আজেবাজে ও অশ্লীল কথাবার্তা বলতে ভালোবাসে। এদের বিদ্যাশিক্ষা যৎসামান্য। কিন্তু কথিত-সার্টিফিকেট খুব ভারী-ভারী! আর এরা, এর ভারেই তাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে যৌনতার স্বাদ বিলিয়ে দিচ্ছে।
দেশের প্রাইভেট-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কোনোপ্রকার নৈতিক-মানদণ্ডের ভিত্তিতে এবং জাতীয় আশাআকাঙক্ষার ভিত্তিতে শিক্ষার পরিবেশ গড়ে ওঠেনি। আর এদেশে পাকিস্তানপন্থীদের প্রতিষ্ঠিত প্রাইভেট-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিক শিক্ষার নামে তাদের আরও অনৈতিক ও ধর্মান্ধতার পচাবুলিতে বিরাট-অশিক্ষায় পারদর্শী করে গড়ে তোলা হচ্ছে। এইসব বিভ্রান্ত-শিক্ষার্থী বাঙালি, মানুষ ও মুসলমান না হয়ে, তারা হচ্ছে: জঙ্গী, আধাজঙ্গী, পাকিস্তানী আর বাংলাদেশবিরোধী। তবুও এরা এখনও টিকে আছে।

এইসব আবর্জনাতুল্য শিক্ষাপল্লীতে ছেলে-মেয়েদের অবাধে মেলামেশার অবাধ সুযোগসুবিধা থাকায় অনেক শিক্ষার্থীই এখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে না ঝুঁকে কথিত-নামকরা প্রাইভেট ও ব্যবসামুখী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দিকে দিশেহারা হয়ে ছুটে যাচ্ছে। আর এরা সেখানে পৌঁছানোর জন্য এমন জোরে দৌড় দিচ্ছে, যেন সেখানে যেতে পারলেই চিরশান্তি।
একজন শিক্ষার্থীর একজন বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড থাকতেই পারে। কিন্তু তাই বলে বয়ফ্রেন্ডের নামে একেবারে দেহফ্রেন্ড! মানুষ এখন মূর্খ হচ্ছে। আর পড়ালেখা নামকাওয়াস্তে ও সহজ হচ্ছে। তাই, এখন যে-কেউ পরীক্ষা দিলেই পাস! আর এই পাসের কোনো শেষ নাই। তাই, এখন ছেলেমেয়েদের এতো-এতো দেহফ্রেন্ড হওয়ার সুযোগসৃষ্টি হচ্ছে।

পড়ালেখাটা এখন অনেকের স্রেফ নামকাওয়াস্তে। আর আসল উদ্দেশ্য হলো: যে-কোনো একটা প্রাইভেট-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া। আর সেখানে একবার ঢুকতে পারলে বয়ফ্রেন্ড ও গার্লফ্রেন্ড পাওয়া একেবারে সহজ। আর কয়েকদিনের বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডের অজুহাতে সুযোগসন্ধানীরা দেহফ্রেন্ড হয়ে যেতে পারবে। শুধু যে প্রাইভেট-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই অবস্থা তা নয়, দেশের পাবলিক-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও লেগেছে ঘুণ। একশ্রেণীর নরপশু বয়ফ্রেন্ডের ও গার্লফ্রেন্ডের মর্ম বুঝতে পারছে না। এটা ইউরোপ-আমেরিকা-মধ্যপ্রাচ্য না যে, বয়ফ্রেন্ড আর গার্লফ্রেন্ড মানেই দেহফ্রেন্ড। এটা বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালে এক সুমহান আদর্শের বীজমন্ত্রকে ধারণ করে এই জাতি তরতাজা ত্রিশলক্ষ জীবনের বিনিময়ে বাংলাদেশ-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে।
৩০লক্ষ মানুষের জীবনের বিনিময়ে যে-জাতি বিশ্বের বুকে নতুন এক রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে, আর সেই জাতির কোনো মূল্যবোধ থাকবে না? অবশ্যই থাকতে হবে। আর তাই, দেশের সর্বত্র এই জাতির প্রতিটি সন্তানকে ধ্যানে-জ্ঞানে-মননে বাঙালি করে গড়ে তুলতে হবে। আমাদের শুধু বাঙালিই হতে হবে। জয়-বাংলা

(চলবে)

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।

১১ thoughts on “এখন বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ডের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, আর বাড়ছে দেহফ্রেন্ডের সংখ্যা! (প্রথম পর্ব: দেহফ্রেন্ডের উদ্ভব)

  1. যেসব সম্পর্কের মুলসুরটই
    যেসব সম্পর্কের মুলসুরটই যৌনতা, সেখানে অযথা মূল্যবোধ সীমাঅতিক্রম এরূপ সন্ধান করাটা অকারণ প্রয়াস বলেই তো মনে হয়। হুদাই রে ভাই এসব চিন্তায়…………………..

    1. আগে আমাদের দেশে এমনটি ছিল না।
      আগে আমাদের দেশে এমনটি ছিল না। বন্ধুত্বের একটা সীমারেখা ছিল।
      আর লেখাটি অকারণে নয়। সমাজ বদলাবার চেষ্টা তো করতেই হবে।
      আর এখানে হারজিতের কোনো প্রশ্ন নাই।
      ধন্যবাদ আপনাকে।

  2. এখন অতিআধুনিক-যুগ। আর তাই,

    এখন অতিআধুনিক-যুগ। আর তাই, একটা ছেলের গার্লফ্রেন্ড আর একটা মেয়ের বয়ফ্রেন্ড থাকতেই পারে। কিন্তু তাই বলে বয়ফ্রেন্ড আর গার্লফ্রেন্ডের সীমাঅতিক্রম করে একলাফে দেহফ্রেন্ড! এটি জাতির জন্য অশুভ একটি ইঙ্গিত।

    অতি আধুনিক যুগের দোহায় দিয়ে যদি মেনে নিতে পারেন একটা মেয়ের বয়ফ্রেন্ডকে কিংবা একটি ছেলের গার্লফ্রেন্ডকে
    তবে একই কারণে আপনার কথিত দেহফ্রেন্ডকে মেনে নিতে আপত্তি কেন???
    আপত্তি কি বিবাহ বহির্ভূত যৌনতার কারণে????????

    আগের দিনেও ছেলে-মেয়েতে বন্ধু হয়েছে। কিন্তু তাই বলে তারা দেহফ্রেন্ড হয়ে যায়নি

    আগের দিনের পরিবেশ ছিল একরকম, এখন আরেকরকম।
    দুই সময়ের তুলনা করাটা কতটুকু যৌক্তিক?????

    1. আমার বক্তব্য পরিষ্কার। এই
      আমার বক্তব্য পরিষ্কার। এই আধুনিক যুগে কারও বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড থাকতে পারে। তাই বলে তা একমুহূর্তে দেহফ্রেন্ড হয়ে যাবে না। বন্ধুত্ব দোষণীয় কিছু নয়। তবে সেই বন্ধুত্বের পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।
      আর আমাদের আগের দিনের ইতিহাস তো টানতেই হবে। কারণ, একটি জাতির অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়েই তার ইতিহাস রচিত হয়। আমরা এখন ইতিহাসের অংশ। তাই, আমাদের কোনোপ্রকার অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়া জাতির জন্য অধঃপতনের শামিল।
      আপনাকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

  3. আমার বক্তব্য পরিষ্কার। এই
    আমার বক্তব্য পরিষ্কার। এই আধুনিক যুগে কারও বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড থাকতে পারে। তাই বলে তা একমুহূর্তে দেহফ্রেন্ড হয়ে যাবে না। বন্ধুত্ব দোষণীয় কিছু নয়। তবে সেই বন্ধুত্বের পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।
    আর আমাদের আগের দিনের ইতিহাস তো টানতেই হবে। কারণ, একটি জাতির অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়েই তার ইতিহাস রচিত হয়। আমরা এখন ইতিহাসের অংশ। তাই, আমাদের কোনোপ্রকার অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়া জাতির জন্য অধঃপতনের শামিল।
    আপনাকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

    1. একটি জাতির অতীত, বর্তমান ও

      একটি জাতির অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়েই তার ইতিহাস রচিত হয়।

      খাইছে আমারে
      ইতিহাস লিখার সময় আপনি ভবিষ্যৎ কোথায় পাবেন ভাই?
      টাইম ট্রাভেলার আছে নাকি আপনার কাছে ?
      একটু ধার দিয়েন ভাই।

      পবিত্রতা আর নৈতিকতার সীমা কি আপনি ঠিক করে দিবেন?
      আপনার ঠিক করা নৈতিকতার সীমা অন্যেরা মানবেইবা কেন
      কলেমা পড়ে বিয়ে না করে যদি কেউ শারীরিক সম্পর্ক করে সেটা আপনার কাছে অপবিত্র?

      1. একটি জাতির অতীত, বর্তমান ও

        একটি জাতির অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়েই তার ইতিহাস রচিত হয়। আমরা এখন ইতিহাসের অংশ।

        কথা সত্য। এসবকিছু নিয়েই ইতিহাস।
        আপনি দেখতে পাচ্ছেন না, আমাদের দেশের Vision নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত। এর ভিত্তিতেই দেশটা এখন ডিজিটালাইজড হচ্ছে। আপনি ভবিষ্যৎকে বাদ দিবেন কোন্ যুক্তিতে?
        পবিত্রতা আর নৈতিকতার সীমা ঠিক করে দিয়েছে আমাদের ধর্ম-রাষ্ট্র,সমাজ-জাতি।
        আমি তো আমার নৈতিকতার সীমা মানতে কাউকে বলছি না। আমি শুধু সমাজের কালো-অধ্যায়ের বিবরণ তুলে ধরছি। এখানে, সিদ্ধান্তগ্রহণের দায়দায়িত্ব ব্যক্তির।
        আর বিয়ে ছাড়া কেউ যদি কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে তাহলে আপনার দৃষ্টিতে কী?
        আবারও ধন্যবাদ আপনাকে।

  4. ইয়ে আপনার নৈতিক অনৈতিক মাপার
    ইয়ে আপনার নৈতিক অনৈতিক মাপার মানদন্ডটা দারুন গোলমেলে ঠেকছে। একটু যদি ক্লিয়ার করতেন সেটা কিভাবে সেট করসেন তাহলে পরস্পরবিরোধী কথাগুলার একটা মানে বের করা গেলেও যাইতে পারতো।

    1. আপনার বক্তব্য অস্পষ্ট। আপনি
      আপনার বক্তব্য অস্পষ্ট। আপনি আসলে কী বলতে চাচ্ছেন? আমি তো সহজ-সরল বাংলাভাষায় এটি লিখেছি।
      আর আমি তো নৈতিক ও অনৈতিক মানদণ্ড পরিষ্কার করেছি:

      এখন অতিআধুনিক-যুগ। আর তাই, একটা ছেলের গার্লফ্রেন্ড আর একটা মেয়ের বয়ফ্রেন্ড থাকতেই পারে। কিন্তু তাই বলে বয়ফ্রেন্ড আর গার্লফ্রেন্ডের সীমাঅতিক্রম করে একলাফে দেহফ্রেন্ড!

      ধন্যবাদ আপনাকে।

  5. মোর‍্যালিটি, নৈতিকতা এসবের
    মোর‍্যালিটি, নৈতিকতা এসবের মানদন্ড আপনি ঠিক করে দেয়ার কে? আপনার কাছে যা মর‍্যালিটি আমার কাছে তা বুলশিটও হতে পারে। ব্যাসিক্যালি আপনার খাউজানি হচ্ছে, বিয়েহীন যৌনতা নিয়ে। তার সুবিধা অসুবিধা লিখুন। পাবলিক নিজেই ঠিক করে নিবে, কোনটা গ্রহন করার যোগ্য। মর‍্যালিটির দোহাই দিয়ে নিজের চিন্তাভাবনা অন্নদের উপর চাপিয়ে দিতে আসছেন কেন? হেই যুগ কি আর আছে?

    1. আপনার ইচ্ছে আপনি অবাধ
      আপনার ইচ্ছে আপনি অবাধ যৌনাচারে লিপ্ত হন। আপনাকে তো কেউ ধরে রাখেনি। কিন্তু আমরা বাঙালি। আমাদের একটা নিজস্ব-সংস্কৃতি আছে। তাই, আমরা নৈতিক মূল্যবোধ-প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখি।
      আর আমি তো কোনো নৈতিক মানদণ্ড ঠিক করে দিচ্ছি না। বহুকাল আগে থেকে আমাদের ধর্ম-সমাজ-রাষ্ট্র যে নৈতিক মানদণ্ড দিয়েছে, আমরা তার পক্ষে। আর আমাদের এই মানদণ্ড ধরে রাখার চেষ্টাই করতে হবে।

      ১৯৭১ সালে এক সুমহান আদর্শের বীজমন্ত্রকে ধারণ করে এই জাতি তরতাজা ত্রিশলক্ষ জীবনের বিনিময়ে বাংলাদেশ-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে।
      ৩০লক্ষ মানুষের জীবনের বিনিময়ে যে-জাতি বিশ্বের বুকে নতুন এক রাষ্ট্র গড়ে তুলেছে, আর সেই জাতির কোনো মূল্যবোধ থাকবে না? অবশ্যই থাকতে হবে। আর তাই, দেশের সর্বত্র এই জাতির প্রতিটি সন্তানকে ধ্যানে-জ্ঞানে-মননে বাঙালি করে গড়ে তুলতে হবে। আমাদের শুধু বাঙালিই হতে হবে।

      জয়-বাংলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *