শেখ মুজিব কে কেন আমি বঙ্গবন্ধু,স্বাধিনতার ঘোষক ও জাতির পিতা বলি না

শেখ মুজিব ইতিহাসের এক আলোচিত নাম।বিভিন্ন সময়ে তিনি বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন ।ইতিহাসের আস্তাকুড়ে হারিয়া যাওয়া কিছু সত্য ইতিহাস এক করে মিলিয়ে দেখার ছোট্ট চেষ্টার সাথে শেষ পর্যন্ত থাকবেন বলে আশা করছি।

পয়েন্ট:১
বাংলাদেশের স্বাধিনতার ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের পরেই উনসত্তরের গন আভ্যুথ্থান কে স্বাধিনতা অর্জনে আরেকটি মাইল ফলক হিসাবে দেখা হয়।এই গন-আভ্যুথ্থানই শেখ মুজিবকে এনে দিয়েছিল বঙ্গবন্ধু খেতাব।এবার দেখা যাক বঙ্গবন্ধু হবার কতটা দাবিদার উনি ছিলেন ।

তথ্যসূত্র:১

শেখ মুজিব ইতিহাসের এক আলোচিত নাম।বিভিন্ন সময়ে তিনি বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন ।ইতিহাসের আস্তাকুড়ে হারিয়া যাওয়া কিছু সত্য ইতিহাস এক করে মিলিয়ে দেখার ছোট্ট চেষ্টার সাথে শেষ পর্যন্ত থাকবেন বলে আশা করছি।

পয়েন্ট:১
বাংলাদেশের স্বাধিনতার ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের পরেই উনসত্তরের গন আভ্যুথ্থান কে স্বাধিনতা অর্জনে আরেকটি মাইল ফলক হিসাবে দেখা হয়।এই গন-আভ্যুথ্থানই শেখ মুজিবকে এনে দিয়েছিল বঙ্গবন্ধু খেতাব।এবার দেখা যাক বঙ্গবন্ধু হবার কতটা দাবিদার উনি ছিলেন ।

তথ্যসূত্র:১
২২শে ফেব্রুয়ারী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহৃত হয়। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্তবৃন্দ মুক্তি পান। ঢাকায় সংগ্রামী লক্ষ লক্ষ জনতা তাহাদের স্বত:স্ফূর্ত সম্বর্ধনা জানায় অপরাহ্নে অনুষ্ঠিত পল্টন জনসভায়। লক্ষণীয় যে, শেখ মুজিবুর রহমান এই জনসভায় উপস্থিত হন নাই।
তথ্যসূত্র: অলি আহাদ / জাতীয় রাজনীতি : ১৯৪৫ থেকে ‘৭৫ ২০১২ (পঞ্চম সংস্করণ) । পৃ: ৩৪১

তথ্যসূত্র: ২

এইভাবেই ষড়যন্ত্র মামলার সকল কৃতিত্ব ও ত্যাগ তিতিক্ষার নৈবেদ্য ও জনপ্রিয়তা সুচতুর শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক মূলধনে পরিণত হয়। মামলার প্রকৃত ত্যাগী অভিযুক্ত লে: কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনের সকল ভূমিকা একপাশে পড়িয়া রহিল – আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শিরোপা এককভাবে কুক্ষিগত করিলেন শেখ মুজিবুর রহমান, জন কয়েক যুব নেতার বদৌলতে তিনি ভূষিত হইলেন ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে।
তথ্যসূত্র: অলি আহাদ / জাতীয় রাজনীতি : ১৯৪৫ থেকে ‘৭৫ ২০১২ (পঞ্চম সংস্করণ) । পৃ: ৩৪১

তথ্যসূত্র:৩

আগরতলা ষড়যন্ত্রের সকল আসামীর মুক্তির পরে একদিন লে: কমান্ডার মোয়াজ্জেম সাহেব আফসোস করে আমাকে বলেছিলেন যে, প্রকৃত বিদ্রোহ ও আগরতলা ষড়যন্ত্র নিজের জীবন বিপন্ন করে তিনি করেছিলেন, আর ভাগ্যের কী পরিহাস এই ষড়যন্ত্রের ফল পেল শেখ মুজিবুর রহমান।
– মেজর (অব:) মোহাম্মদ আফসার উদ্দিন / আমার দেখা বৃটিশ-ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ॥ [ বুলবুল প্রকাশনী – নভেম্বর, ১৯৯৩। পৃ: ১৬৬ ]

তথ্যসূত্র:৪

আদতে অন্যের অবদানকে স্বীকৃতি দেবার উদারতার অভাব ছিল শেখ মুজিবের মানসিকতায়। …. ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারের পর রেসকোর্সের ময়দানের সংবর্ধনা সভায় মামলায় অভিযুক্ত আসামীদের মঞ্চে তুলে পরিচয় করিয়ে দিতে পারতেন। তা করেননি একই কারণে।”

– সাক্ষাৎকার / রুহুল কুদ্দুস (৬ দফার প্রণেতা, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত প্রাক্তণ সিএসপি, অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের মূখ্যসচিব)

পয়েন্ট:২
ঘরে ঘরে দূর্গ ঘড়ে তুলতে বলে যে নেতা নিজের ইচ্ছায় আত্নসমর্পন করেছেন সে কিভাবে স্বাধিনতার ঘোষক হয়!কেন আমি স্বাধিনতার ঘোষক হিসেবে শেখ মুজিবকে মানি না তা নিচে চারটি তথ্যসূত্রে দেওয়া হল ।

তথ্যসূত্র:১
তাজউদ্দিনের‬ আহমদের ভাষ্য অনুযায়ায়ী,তিনি যখন তাকে বললেন মুজিব ভাই এটা আপনাকে বলে যেতেই হবে,কেন না কালকে কি হবে, আমাদের সবাইকে যদি গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় তাহলে কেউ জানবে না,কি তাদের করতে হবে।এই ঘোষণা কোনো না কোনো জায়গা থেকে কপি করে আমরা জানাব ।যদি বেতার মারফত কিছু করা যায় তাহলে সেটাই করা হবে।শেখ সাহেব তখন উত্তর দিয়েছিলেন,’এটা আমার বিরুদ্ধে দলিল হয়ে থাকবে।এর জন্য পাকিস্তানিরা আমাকে দেশদ্রোহের জন্য বিচার করতে পারবে।এই কথার পিঠে তাজউদ্দিন অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে সঙ্গে সঙ্গে রাত সম্ভবত নয়টায় পরপরই ৩২ নম্বর ছেড়ে চলে যান।পরবর্তিকালে এ ব্যাপারে আমি জিঙ্গেস করেছিলাম আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা আবদুল মোমিনকে ।তিনি ২৫ মার্চ সন্ধায় সেখানে উপস্থিত ছিলেন।তিনি তখন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ছিলেন।আবদুল মোমিন আমাকে বলেন যে তিনি যখন ৩২ নম্বরে যান,কখন দেখেন যে তাজউদ্দীন আহমদ খুব রেগে ফাইলপত্র বগলে নিয়ে সেখান থেকে চলে যাচ্ছেন।‪#‎মঈদুল‬ হাসান(প্রভাসি সরকারের প্রধানমন্ত্রির বিশেষ সহকারি) ‪#‎মুক্তিযুদ্ধের‬ পূর্বাপর ও কথোপকথন পৃষ্টা:২

এই একই কথা তাজউদ্দিন কন্যার মুখে শুনুন তথ্যসূত্র দুইয়ে..

তথ্যসূত্র: ২
পূর্ব পরিকল্পনা অনুয়ায়ি আব্বু স্বাধিনতার ঘোষনা লিখে নিয়ে এসেছিলেন এবং টেপ রেকর্ডার ও নিয়ে এসেছিলেন।টেপে বিবৃতি বা স্বাধিনতার ঘোষনায় স্বাক্ষর প্রদানে মুজিব কাকু অস্বিকৃতি জানান।কথা ছিল যে মুজিব কাকুর স্বাক্ষরকৃত স্বাধিনতার ঘোষনা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অবস্থিত বিদেশি সাংবাদিকদের কাছে পৌছে দেওয়া হবে এবং তারা আন্ডারগ্রাউন্ডে গিয়ে স্বাধিনতাযুদ্ধ পরিচালনা করবেন।আব্বু বলেছিলেন মুজিব ভাই এটা আপনাকে বলে যেতেই হবে,কারন কালকে কি হবে, আমাদের সবাইকে যদি গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় তাহলে কেউ জানবে না,কি তাদের করতে হবে।এই ঘোষনা কোনো না কোনো জায়গা থেকে কপি করে আমরা জানাব ।যদি বেতার মারফত কিছু করা যায় তাহলে সেটাই করা হবে।মুজিব কাকু তখন উত্তর দিয়েছিলেন,’এটা আমার বিরুদ্ধে দলিল হয়ে থাকবে।এর জন্য পাকিস্তানিরা আমাকে দেশদ্রোহের জন্য বিচার করতে পারবে।‪#‎শারমিন‬ আহমদ ‪#‎তাজউদ্দিন‬ আহমদ:নেতা ও পিতা । পৃষ্ঠা :৬০

তথ্যসূত্র:৩
ঐ দিন বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষনা দেবেন, এমন আশা অনেকেই করেছিলেন। ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপস্থিত রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রকে সাথে নিয়ে অগ্রসর হলে কয়েক ‘শ বা কয়েক হাজার প্রাণের বিনিময়ে হলেও ঢাকা সেনানিবাস দখল করা অসম্ভব ছিল না। কিন্তু সেদিন নেতা আমাদের, তথা সব বাঙালিদেরই হতাশ করেছেন।- লে: কর্নেল (অব:) আবু ওসমান চৌধুরী (৮ নং সেক্টর কমান্ডার) / এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম : ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ ॥ [চারুলিপি প্রকাশন – মার্চ, ১৯৯৯ । পৃ: ৮১/১০৪]

তথ্যসূত্র:৪

বিকেলে বহুদিন পর আবার ধানমন্ডীর বত্রিশ নম্বর রাস্তার দিকে এগোলাম। চারদিকে ঝিরঝিরে বিকেলের বাতাস।
আমাকে দেখে (শেখ মুজিব) বিমর্ষ হেসে বললেনঃ আসুন চৌধুরী আসুন। বললামঃ ব্যক্তিগত সাক্ষাতের জন্য নয়, সাংবাদিক হিসেবে এসেছি। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনার মত কি?
শেখ সাহেব বললেনঃ আমি তৈরি হয়ে রয়েছি।
আমি বিস্মিত হয়ে গেলাম।
জিজ্ঞেস করলামঃ তৈরি হয়ে রয়েছেন কিসের জন্য?
তিনি বললেনঃ সুটকেস গুছিয়ে রেখেছি , যদি নিতে আসে , তারা দেখবে আমি তৈরি। জেলের গাড়িতে উঠে পড়বো।
আমি হতাশ কণ্ঠে বললামঃ শুধু জেলে গেলেই কি আপনার সব সমস্যার সমাধান?
তিনি আগের মতোই নিস্পৃহ কণ্ঠে বললেনঃ আর কি করতে পারি? আমি সুটকেস গুছিয়ে তৈরি হয়ে রয়েছি।
– আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
[ সূত্র : অক্টোবর ৯ , ১৯৭০ , দৈনিক পূর্বদেশ , তৃতীয় কলাম ]

পয়েন্ট:৩
আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে ইতিহাস বদলানো যায়।শেখ মুজিবকে জাতির পিতা হিসেবে দাড় করানোর জন্য চলছে নানা প্রগান্ডা ।আসুন দেখি উনি কেম জাতির পিতা ছিলেন ।

তথ্যসূত্র:১
ইয়াহিয়া ও শেখ মুজিবের মধ্যে আপোষের যে ধারণা আমরা করেছিলাম তা ভিত্তিহীন ছিল না। তাছাড়া এই ধারণা যে শুধু আমাদের ছিল তাই নয়। পশ্চিম পাকিস্তানের বামপন্থী নেতাদের ধারণাও এরকমই ছিল। তারা ভাবছিলেন আমাদেরই মত। এর সাথে সম্পর্কিত ঢাকায় ২২শে মার্চের একটি ডিনার পার্টির উল্লেখ এখানে করা যায়।
সেদিন রাত্রে মুঈদুল হাসান তার বাসায় এক ডিনারে আমাকে দাওয়াত করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে আমি কিছু বলার আগে ‘ফিরে দেখা ১৯৭১’ শীর্ষক রিপোর্ট থেকে মুঈদকে উদ্ধৃত করা দরকার। তিনি বলেছেন, – ” সে দিন ২২ মার্চ। সন্ধ্যায় ন্যাপ প্রধান ওয়ালি খান, গাউস বক্স বেজেঞ্জো, ওদিকের এবং এদিকের আরও কতিপয় বিশিষ্ট ব্যক্তি আমার বাসায় নিমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে এসেছিলেন। স্থানীয় নিমন্ত্রিতদের মধ্যে যারা ছিলেন, তাদের মধ্যে জীবিত ব্যক্তি হিসেবে একমাত্র বদরুদ্দীন উমরের কথাই মনে করতে পারছি। ওয়ালি খান এসেই বললেন, আমি আজ সকালে ইয়াহিয়ার সঙ্গে দেখা করে জিজ্ঞেস করি, ‘কী তোমার সর্বশেষ অবস্থা?’ ইয়াহিয়া বললেন, ‘আমি যেখানে এসে দাঁড়িয়ে গেছি, সেখান থেকে বেরুতে হলে, আই হ্যাভ টু শুট মাই ওয়ে থ্রু।’ আমি খবরটা শেখ মুজিবকে দেওয়া দরকার মনে করে গেলাম তার কাছে। তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘জানেন, ইয়াহিয়া কী করতে পারে?’ একথা বলতেই শেখ সাহেব বললেন, ‘হি উইল হ্যাভ টু শুট হিস ওয়ে থ্রু।’ ওয়ালি বললেন, ‘ইয়াহিয়া খানের কথা হুবহু শেখ মুজিবের মুখে শুনে থ বনে গেলাম।’ তিনি আরও বললেন, ‘তাহলে ওদের দুজনের মধ্যে আগেই এ কথা হয়েছে’॥”
– বদরুদ্দীন উমর / আমার জীবন (তৃতীয় খন্ড) ॥ [জাতীয় সাহিত্য প্রকাশ – জুন, ২০০৯ । পৃ: ১৪৩-১৪৪]

তথ্যসূত্র: ২
স্বাধীনতার ঘোষণার ব্যাপারে রাজনৈতিক নেতৃত্ব কেন একটি পরিষ্কার সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি,সেটা ভাবাবেগমুক্তভাবে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।এ প্রসঙ্গে আরেকটি ছোট ঘটনার কথা বলি।২২ মার্চ সন্ধ্যায় পাকিস্তানের ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)প্রধান ওয়ালি খান,গাউস বক্স বেজেঞ্জো,ওদিকের এবং এদিকের আরও কতিপয় বিশিষ্ট ব্যাক্তি আমার বাসায় নিমন্ত্রিত অথিতি হিসেবে এসেছিলেন।স্থানীয় নিমন্ত্রিতদের মধ্যে যারা ছিলেন ,তাদের মধ্যে জিবিত ব্যক্তি হিসেবে একমাত্র বদরুদ্দীন উমরের কথাই মনে করতে পারছি।ওয়ালি খান এসেই বললেন ,আমি আজ সকালে ইয়াহিয়ার সঙ্গে দেখা করে জিঙ্গেস করি,’কি তোমার সর্বশেষ অবস্থা?; ইয়াহিয়া বললেন,আমি যেখানে এসে দাড়িয়ে গেছি,সেখান থেকে বেরোতে হলে ,আই হ্যাভ টু শুট মাই ওয়ে থ্রূ।আমি খবরটা শেখ মুজিবকে দেওয়া দরকার মনে করে গেলাম তার কাছে।তাকে জিঞ্জেস করলাম,জানেন ইয়াহিয়া কী করতে পারে ?এ কথা শুনে শেখ সাহেব বললেন ,’হি উইল হ্যাভ টু শুট হিজ হয়ে থ্র।ওয়ালি বললেন ইয়াহিয়ার কথা হুবাহু শেখ মুজিবের মুখে শুনে আমি থ বনে গেলাম।তিনি আরও বললেন তাহলে ওদের দুজনার মধ্যে আগেই এ কথা হয়েছে ।#‎মঈদুল‬ হাসান(প্রভাসি সরকারের প্রধানমন্ত্রির বিশেষ সহকারি) ‪#‎মুক্তিযুদ্ধের‬ পূর্বাপর ও কথোপকথন ।
পৃষ্টা:১৭ -১৮

তথ্যসূত্র:৩
শেখ মুজিব চারটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে একটি ছিল ভোলায়। ওই এলাকায় ডা. আজহারউদ্দিন ছিলেন জাসদের একজন শক্তিশালী প্রার্থী। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন আওয়ামী লীগের কতিপয় লোক ড. আজহারকে অপহরণ করে। ফলে তার মনোনয়নপত্র জমা পড়েনি। ভোলার ওই আসনে শেখ মুজিবকে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত বলে ঘোষনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের আরও ছয়জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
– মহিউদ্দিন আহমদ / জাসদের উত্থান পতন : অস্থির সময়ের রাজনীতি ॥ [ প্রথমা প্রকাশন – অক্টোবর, ২০১৪ । পৃ: ৯৬-১০০ ]

তথ্যসূত্র:৪
এমন সময় চারদিক থেকে অসংখ্য রক্ষীবাহিনী এসে ঘিরে ফেলে মিছিলের লোকজন। রক্ষীবাহিনী দেখে লোকজন পালাতে শুরু করলো। এ অবস্থায় রক্ষীবাহিনী নতুন কোনো উসকানি ছাড়াই মারপিট ও গুলি শুরু করলো।
… তখন এলোপাতাড়ি গুলি শুরু করেছে রক্ষীবাহিনী। তারা শোয়া অবস্থায় বুকের কাছে এসএলআর রেখে গুলি করতে থাকে। আমিও শুয়ে পড়লাম। চারদিকে মরণ চিৎকার। রক্তে ভেসে যাচ্ছে রাস্তা। আমার শরীর আশপাশের কয়েকজনের রক্তে ভিজে যেতে লাগলো। আমার কাছে মনে হচ্ছিল আমরা যেন কোন শত্রু দেশের সৈন্য। পাশবিক নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চললো চোখের সামনে। শুয়ে শুয়ে দেখলাম দেয়াল টপকে পলায়মান অনেককে গুলি করছে, যেন পাখি শিকার।
… একটানা পনের মিনিটের মতো গুলি চললো। আমি পাকিস্তানি আর্মিদের হাতেও ধরা পড়েছিলাম, জেল খেটেছি। কিন্তু এমন নির্মম নারকীয় কান্ড জীবনে আর দেখিনি। কোনো বিরোধী দলের মিছিলে এতো দীর্ঘ সময় ধরে একটানা কোথাও গুলি চালানো হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। (ইতিহাসের কাঠগড়ায় আওয়ামী লীগ / আহমেদ মুসা)॥”
– মহিউদ্দিন খান মোহন / আবর্জনার রাজনীতি রাজনীতির আবর্জনা ॥ [ শুভ প্রকাশন – মে, ২০০৩ । পৃ: ৩৫ ]

তথ্যসূত্র ১ ও ২ পড়লে বুঝতে পারবেন শেখমুজিব পাকিস্তানি বাহিনির আক্রমনে কথা জানত তবু দেশবাসিকে সর্তক করে দেয়নি।

সিরাজ শিকদার ও জাসদের হাজার হাজার নেতাকর্মি হত্যাকারি মুজিব কি ভাবে জাতির পিত হন !কোন পিতা কি সন্তানকে হত্যা করতে পারে! কোন ভোট ডাকাত কি জাতির পিতা হতে পারে!

তার পরেও শেখ মুজিবকে জাতির পিতা কেন বলতে হবে আশা করছি আপনারা আমাকে বুঝিয়ে বলবেন।

তথ্যসূত্র:Kai kaus ভাই

১০ thoughts on “শেখ মুজিব কে কেন আমি বঙ্গবন্ধু,স্বাধিনতার ঘোষক ও জাতির পিতা বলি না

  1. জাতির পিতার কনসেপ্টটাই একটা
    জাতির পিতার কনসেপ্টটাই একটা ফালতু বিষয়। একজন রাজসৈতিক নেতা হিসাকে মুজিবকে শেখ মুজিব বলাই সঠিক।

    মুজিবের রাজনৈতিক সফলতার পাশাপাশি রাজনৈতিক কুটিলতা নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত।

  2. সবই ঠিক আছে; কিন্তু শেখ মুজিব
    সবই ঠিক আছে; কিন্তু শেখ মুজিব যদি বাংলাদেশের সাধীনতা না চান, তাহলে পাকিস্তান সরকার ১৯৭১-এ তার মৃত্যুদন্ড দিয়েছিলো কেন? এই ব্যাপারে আপনাদের মতামত জানতে চাই।

    1. সবই ঠিক আছে বলে পোষ্টের সাথে
      সবই ঠিক আছে বলে পোষ্টের সাথে একমত হবার জন্য ধন্যবাদ।শেখ সাহেব স্বাধিনতা চাননি এমন মতামত আমি দেইনি কিন্তু উনি স্বাধিনতার ঘোষনা দেননি আমি সেটা বলেছি।আরো স্পষ্ট করে বললে দাড়ায় স্বাধিনতার ঘোষনা দেবার ঝুকি উনি নেননি । শেখ সাহেবের মৃত্যুদন্ডের রায় হয়েছিল এমন কোন তথ্য আমার কাছে নেই। দয়া করে সঠিক প্রমানাদি দিলে ভাল হয়

  3. শেখ মুজিব এবং ইয়াহিয়া’র
    শেখ মুজিব এবং ইয়াহিয়া’র কথোপকথনে ” I have to shoot my way through” এবং ” He will have to shoot his way through” কিছুতেই প্রমাণ করে না যে শেখ মুজিব জানতেন আগাম আক্রমনের কথা। আর ও অকাট্য যুক্তি চাই।যদি রাজনীতি করে থাকেন তাহলে জানবেন ” রাজনীতি আপন ময়দানে চলে বেশি”। শত্রুর সাথে রাজনীতি করার প্রয়োজন হয় না। ঠিক যে কজন মহারতির নাম এবং মন্তব্য উল্লেখ করেছেন প্রায় সবাই শেখ মুজিবের ওই জায়গাটায় বসতে চেয়েছিলেন। ৭১ ও ৭৫ এর পর তার অহরহ প্রমাণ ও মেলে। তাই রাজনীতিবিদ হিসেবে যা করার তাই করেছেন তিনি। রাজনৈতিক প্রতিদন্ধি হিসেবে ইয়াহিয়া’র সাথে যোগা্যোগ থাকাটাই সাভাবিক। আর ও অকাট্য যুক্তি দিন।

  4. প্রথমেই মন্তব্য করার জন্য
    প্রথমেই মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।গাফ্ফার চৌধুরি,মইদুল হাসান,শারমিন আহমদ,শেখমুজিবের প্রতিদন্ধি ছিলেন না।আপনি যে পয়েন্টটাতে অকাট্য প্রমান চেয়েছেন আমি ঐ পয়েন্টেরই একজন লেখক মইদুল হাসানের মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর ও কথোপোকথন বইয়ের ১৬ পৃষ্টা থেকে কয়েকটা লাইন দিলাম “আমি শেখ মুজিবুর রহমানকে মেজর দৌলার দেওয়া তথ্য,পাকিস্তানের হামলা বা আক্রমন প্রস্তুতি,ট্যাংকবহরকে ঢাকা শহরের চলাচলের জন্য প্রস্তুত করার সংবাদ,এমনকি তথ্যদাতার পারিবারিক পরিচয় ও প্রকারান্তে বুঝিয়ে দিতে পেরেছিলাম।আমি যা অনুমান করেছিলাম,তিনি শুনেই বললেন, ‘আমি সব জানি!আমি তাকে বললাম,আরও একটা সংবাদ আছে দেওয়ার।আমি ওই সূত্রকে জিঞ্জাসা করেছি,কী করে পাকিস্তানিদের ঠেকানো যায়।উত্তরে তারা জানিয়েছেন,তিনটি সুনির্দিষ্ট কাজ করতে হবে- এক.গোদনাইল পিওএল ডিপো অকেজো করা,দুই.ঢাকা বিমানবন্দর ব্যবহারের অনুপযোগি করা,তিন.চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দখল করা।এগুলো করার মতো এখানে পর্যাপ্ত বাঙ্গালি সৈন্য ও আছে ,তাদের পাওয়া যাবে বলে শুনেছি,তবে তার জন্য আপনাকে পরিষ্কার নির্দেশ দিতে হবে।”আশা করছি বুঝতে পেরেছেন।

    1. ও হো… ভুলে গিয়েছিলুম
      ও হো… ভুলে গিয়েছিলুম জিজ্ঞেস করতে। “ওই পয়েন্টর লেখক” বলতে কি বোঝালেন? সহিহ বুখারি নাকি ওটা? এতো প্রকারান্তর কিসের? ১/১১ নিয়ে আমাদের মঈন’উ’এর বইটা পড়বেন। পুরাই ডানো মাখা তুলসি পাতা তিনি ওখানে সাজিয়েছেন নিজেকে। তাই,বইয়ের পাতা তুলে না দিয়ে ঘটনাপ্রবাহ বলুন। আর আমার আমি কি জিনিশ? মুখে কাপড় পেচিয়ে কথা বললে সেটা গোঙানি হয়। রুদ্র কণ্ঠস্বর হয় না। আসুন মুখের কাপড় সড়িয়ে কথা বলি। মহান সিরাজ শিকদার বেচে থাকলে একই কথা বলতেন হয়তো।

      1. মুজিব তো ফেরেস্তা!আর
        মুজিব তো ফেরেস্তা!আর ফেরেস্তার নামে সমালোচনা করা যাবে না তাই না!আর আমার আমিতে আপনার সমস্যা কি?এটা মুখ দেখা দেখির জায়গা না তথ্য প্রমান দেখার জায়গা ।যে তথ্য গুলো আমি দিয়েছি পারলে সেটা ভূল প্রমান করেন চাপাবাজি আর গলাবাজি করে লাভ নাই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *