ফুটো দ্যা ও সানি লিওন সমাচার (ভিডিও সহ)


আমাদের ফুটো দা পেশায় ফটোগ্রাফার্।৪০ এর কাছাকাছি বয়স।এখনো অবিবাহিত।অত্যন্ত অমায়িক সজ্জন ব্যক্তি।মূলতঃ ফটোগ্রাফী থেকেই তাঁর ফটো দা নামকরণের সূত্রপাত।কালক্রমে তা অপ্রভংশ হয়ে ফুটো দা তে রূপান্তর্।ফুটো দার একটা শখের ব্যাপার হলো ফেসবুকে অপরিচিতজনদের সাথে চ্যাটে আড্ডা দেয়া।মহিলা হলেতো কথাই নেই।একেবারে রাত কাবাড়।

এই ফুটো দা সেদিন বিকেলে আমাদের আজাইড়া আড্ডার স্হানে আড্ডা দিতে এলেন।কথায় কথায় ফেসবুকের উপযোগীতার কথা উঠলো।নিতান্ত অভিযোগের সুরে জানালেন যে ,



আমাদের ফুটো দা পেশায় ফটোগ্রাফার্।৪০ এর কাছাকাছি বয়স।এখনো অবিবাহিত।অত্যন্ত অমায়িক সজ্জন ব্যক্তি।মূলতঃ ফটোগ্রাফী থেকেই তাঁর ফটো দা নামকরণের সূত্রপাত।কালক্রমে তা অপ্রভংশ হয়ে ফুটো দা তে রূপান্তর্।ফুটো দার একটা শখের ব্যাপার হলো ফেসবুকে অপরিচিতজনদের সাথে চ্যাটে আড্ডা দেয়া।মহিলা হলেতো কথাই নেই।একেবারে রাত কাবাড়।

এই ফুটো দা সেদিন বিকেলে আমাদের আজাইড়া আড্ডার স্হানে আড্ডা দিতে এলেন।কথায় কথায় ফেসবুকের উপযোগীতার কথা উঠলো।নিতান্ত অভিযোগের সুরে জানালেন যে ,

–“ফেসবুক হচ্ছে হাল্কা বিনোদনের মাধ্যম, আর তোমাদের মত কিছু অকালকুষ্মাণ্ড একে মতবাদ প্রচারের হাতিয়ারে পরিণত করেছ ,যা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

তিনি আরো জানালেন ফেসবুকের কর্তা ব্যক্তিদের কারো সাথে চ্যাটের সুযোগ পেলে তিনি এই ব্যাপারে অভিযোগ জানাবেন। ভিতরে ভিতরে টাস্কিত এবং কিঞ্চিত ক্রোধান্বিত হলেও এতক্ষণ চুপ করে শুনে যাচ্ছিলাম।শত হলেও দাদা একজন সিনিয়র অমায়িক ব্যক্তি !এতক্ষণে মওকা পাওয়া গেল।চোখেমুখে সিরিয়াস একটা ভাব নিয়ে বললাম ,

—-“দাদা, ফেসবুকের যাবতীয় অভিযোগের সমাধানের দায়িত্ব চীফ সিষ্টেম ইঞ্জিনিয়ার ম্যাডাম সানি লিওনের্।আপনি চাইলে তার কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন।”

সাথে সাথে সোজা হয়ে বসলেন ফুটো দা।বোঝাই গেল একজন ম্যাডামের সাথে কথা বলার সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত পুলকিত তিনি।পরম আগ্রহে জিগ্গেস করলেন কি করে সানি লিওনের সাথে যোগাযোগ করা যায়।সানি লিওন লিখে সার্চ দিতে বললাম।দ্রুত সেদিনের মত বিদায় নিয়ে প্রস্হান করলেন ফুটো দা।বোধ করি তর সইছিলোনা।

সপ্তাহখানেক কেটে গেলো।যথারীতি আড্ডায় মেতে ছিলাম।আই এস, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ থেকে শুরু করে হরতনের টেক্কা দা সবকিছু নিয়ে জম্পেস আলোচনা চলছিল।এমন সময় অমাবস্যার চাঁদের মত হাড়িমুখ করে ফুটো দা এলেন।বেশ কঠিন দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,

—-” আমাকে যদি কেউ কোনদিন তোমার মরার খবরো দেয় ,তাও আমি বিশ্বাস করবোনা”

আগেরদিনের ব্যাপারটা মাথায় ছিলনা।স্বভাবতই কারণটা জানতে চাইলাম।আগের যুগের মুনিঋষিরা যেরকম দৃষ্টিতে মানুষকে ভষ্ম করে ফেলতেন, সেরকম দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন ,

—-“তোমার কথা শুনে সানি লিওনের নাম লিখে সার্চ দিয়েছিলাম।রেজাল্ট যা দেখলাম তা নিশ্চই তোমাকে আর বলে দিতে হবেনা।তুমি ভালোমতই জানো যে আমি ব্যাচেলার্।এধরণের ব্যাপার আমাকে খুব প্রবলেমে ফেলে দেয়।তোমার পাল্লায় পড়ে পরপর দুরাত ঘুমোতে পারিনি ”

বলেই আর দাড়ালেন না।হন হন করে হেঁটে বেড়িয়ে গেলেন।ঠোঁটের কোণে কিঞ্চিৎ হাসি আর চোখে রাজ্যের বিস্ময় নিয়ে আমরা তাকিয়ে রইলাম তার গমন পথের দিকে ।

(ইহাও কিন্তু একটি উস্কানিমূলক লেখা। অনলাইন নিউজ পোর্টাল অবলম্বনে ব্র্যাকেটে ভিডিও সহ যুক্ত করা হইল)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *