পর্যটন নগরী কক্সবাজার

২০১৬ সালকে সরকার পর্যটন বৎসর ঘোষণা দিলেও কাজীর গরু কিতাবে আছে গোয়ালে নেই গল্পের মতো। ইতালির পর্যটকদের থেকে সেই দেশের যে আয় হয় তা বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের চার গুন। তাহলে দেখুন কত বড় শিল্পকে অবহেলার পাত্রে পরিণত হচ্ছে। যদিও পৃথিবীর বৃহত্তম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত সেই সৈকতে এক জন পর্যটকের সময় ব্যয় করার মতো সময় লাগে একদিন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কৃত্রিম উপায়ে পর্যটন এলাকাতে বিভিন্ন ধরনের উপভোগ্য রাইড থাকলেও যা আমাদের দেশে কোথাও নেই এমনকি কক্সবাজারেও নেই। ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যটন বিমুখ হয়ে যাচ্ছে পর্যটন এলাকাগুলো। এর জন্য রাজনৈতিক অস্থিরতা অন্যতম।


২০১৬ সালকে সরকার পর্যটন বৎসর ঘোষণা দিলেও কাজীর গরু কিতাবে আছে গোয়ালে নেই গল্পের মতো। ইতালির পর্যটকদের থেকে সেই দেশের যে আয় হয় তা বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের চার গুন। তাহলে দেখুন কত বড় শিল্পকে অবহেলার পাত্রে পরিণত হচ্ছে। যদিও পৃথিবীর বৃহত্তম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত সেই সৈকতে এক জন পর্যটকের সময় ব্যয় করার মতো সময় লাগে একদিন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কৃত্রিম উপায়ে পর্যটন এলাকাতে বিভিন্ন ধরনের উপভোগ্য রাইড থাকলেও যা আমাদের দেশে কোথাও নেই এমনকি কক্সবাজারেও নেই। ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যটন বিমুখ হয়ে যাচ্ছে পর্যটন এলাকাগুলো। এর জন্য রাজনৈতিক অস্থিরতা অন্যতম।

পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার।একজন অষ্ট্রেলিয়ান নারী পর্যটক প্রতি বছর একবার কক্সবাজারে একবার ঘরতে আসেন এতে বুঝা যায় কক্সবাজার ভ্রমনপিপাসুদের কাছে কত জনপ্রিয়। এটি চট্টগ্রাম থেকে ১৫৯ কিলোমিটার দেিণ অবস্থিত। আধুনিক কক্সবাজারের নামকরণ করা হযয়েছে প্রখ্যাত বিট্রিশ নৌ-অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স (মৃত্যু ১৭৯৮) এর নামানুসারে। যিনি ব্রিটিশ আর্মি অফিসার ছিলেন।

কক্সবাজারের ইতিহাস মুঘল আমলে শুরু হয়েছে। বর্তমান কক্সবাজারের পাশ দিয়েছে মুঘল শাসনকর্তা প্রিন্স শাহ সুজা আরাকান প্রদেশে যাওয়ার পথে এ অঞ্চলের পাহাড় ও সাগরের মিলিত সৌন্দর্য অবলোকন করে মুগ্ধ হয়েছে যান। তিনি তার সেনা-সামন্তকে এখানে ঘাঁটি করতে বলেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সেনা বহরের এক হাজার পালকি (ঢুলি) এখানে অবস্থান নেয়। এক হাজার ঢুলি (পালকি) এর নামে এর নামকরণও করা হয়েছে ডুলাহাজারা যা বর্তমানে চকোরিয়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন। মুঘল আমলের পরবর্তীতে এ অঞ্চল ত্রিপুরা এবং আরাকানদের দখলে চলে যায়। তারপর পর্তুগীজরা কিছু সময় এ অঞ্চলে শাসন করে। অত:পর ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স কে এ অঞ্চলের দাযয়িত্বভার দেয়া হয়। তিনি এখানে একটি বাজার প্রতিষ্ঠা করেন। যা ‘কক্স সাহেবের বাজার’ এবং পরবর্তীতে কক্সবাজার নামে পরিচিত পায়।

পাহাড়, সাগর, দ্বীপ, নদী ও সমতল ভূমির এক অনন্য মিলন মোহনা এ কক্সবাজার। এ জেলায় রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত যার দৈর্ঘ্য ১৫৫ কি.মি এবং এটি একটি অন্যতম স্বাস্থ্যকর স্থান। কক্সবাজার জেলার উত্তরে চট্টগ্রাম জেলা, পূর্বে বান্দরবান জেলা ও বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমানা বিভক্তকারী নাফ নদী এবং মায়ানমার, দনি-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর। এ জেলার আয়তন ২৪৯১.৮৬ বর্গ কি.মি.।

দীর্ঘ সমূদ্র সৈকত, ভৌগলিক অবস্থান ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্রের কল্যানে কক্সবাজার বাংলাদেশের গূরূত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ জেলার বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক, নয়নাভিরাম প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, সোনাদিয়া দ্বীপ, দেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ মহেশখালী, কুতুবদিয়া দ্বীপ, রম্যভূমি রামূ, রামু লামার পাড়া বৌদ্ধ ক্যাঙ, কলাতলী, ইনানী সমুদ্র সৈকত, হিমছড়ির ঝরনা, বৌদ্ধ মন্দির, ইতিহাস খ্যাত কানারাজার গুহা, রাখাইন পল্লী দেশ-বিদেশের ভ্রমন পিপাসু পর্যটককে আকৃষ্ট করে।

এক নজরে দর্শনীয় স্থান সমূহ :
হিমছড়ি, আদিনাথ মন্দির (মহেশখালী উপজেলা), শাহ ওমরের সমাধি (চকোরিয়া উপজেলা), মানিকপুরেরে ফজল কুকের সাতগম্বুজ মসজিদ, হাসের দীঘি, বীর কামলা দীঘি (টেকনাফ উপজেলা), মাথিন কূপ (কুতুবদিয়া উপজেলা), কালারমা মসজিদ, কুতুব আউলিয়ার সমাধি, রামকট হিন্দু মন্দির, রামকোট বুদ্ধ খেয়াং, লামাপাড়া বুদ্ধ খেয়াং (উখিয়া উপজেলা)), পাটাবাড়ি বুদ্ধ খেয়াং, কুতুপালাং বুদ্ধ মন্দির, আগভামেধা বুদ্ধ খেয়াং, বুদ্ধের প্যাগোডা, এক গম্বুজ মসজিদ।

রামু

বৌদ্ধ কৃষ্টির জন্য বিখ্যাত কক্সবাজারের রামু থানা। কক্সবাজার থেকে ঢাকার পথে আসতে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই প্রসিদ্ধ দর্শনীয় স্থান। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র স্থান।

এখানে রয়েছে বৌদ্ধ মন্দির, প্যাগোডা, ধাতু ও ব্রোঞ্জের তৈরি বুদ্ধ মূর্তি।

উখিয়া

কক্সবাজার শহর থেকে ৩৩ কিলোমিটার দণি-পূর্বে উখিয়া অবস্থিত। ছোট-বড় পাহাড়ের সারি, চমৎকার রাস্তা আর সবুজ বনভূমি দেখার মতো। এষানকার প্রধান আকর্ষণ হাতি ধরার খেদা। এছাড়া বড় বিড়াল, টিয়া, ময়ূর, তোতা দেখার সুযোগ রয়েছে এই এলাকায়।

সাফারি পার্ক

চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে চকোরিয়া উপজেলায় ডুলাহাজরা নামক স্থানে ইকোপার্ক অবস্থিত। বনের জীবজন্তু, পশুপাখি আর দুষ্প্রাপ্য সব গাছের সংগ্রহ রয়েছে এই সাফারি পার্কে। বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল উন্নয়নের পাশাপাশি শিা, গবেষণা ইকো টুরিজম ও চিত্তবিনোদনের সুযোগ সৃষ্টির লে এই পার্ক ১৯৮০-৮১ সালে সর্ব প্রথম হরিণ প্রজনন কেন্দ্র নামে স্থাপন করা হয়।

কুতুবদিয়া:

কুতুবদিয়া বাংলাদেশের সৌন্দর্যমন্ডিত দ্বীপগুলোর অন্যতম। চট্টগ্রাম থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে কিংবা কক্সবাজার হয়ে কুতুবদিয়া যেতে হয়। চট্টগ্রামের সদরঘাট থেকে শীত মৌসুমে স্টিমার ছেড়ে যায়। ৬/৭ ঘন্টা এ চমৎকার জার্নি পর্যটকদের ভীষণভাবে আকর্ষণ করে।

রয়েছে ১৮২৮ সালে নির্মিত বাতিঘর। বর্তমানে সেটি বিলুপ্ত প্রাপ্ত। এই বাতিঘর জাহাজিদের পথের দিননির্দেশনা দিত। কুতুব আউলিয়ার নামে এই দ্বীপের নামকরণ করা হয়া কুতুবদিয়া। কুতুবদিয়ার সৌন্দর্য সত্যিকারের মুগ্ধ হওয়ার মতো।

সোনাদিয়া:

কক্সবাজারের বিপরীতে উপকূলীয় ছোট একটি দ্বীপ সোনাদিয়া। এটি যাযাবর পাখিদের স্বর্গ। মনোরম এ দ্বীপের পশ্চিমাংশে বালুকাময়া ও ঝিনুকের জন্য বিখ্যাত। কক্সবাজার থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে মহেশখালী উপজেলায় এর অবস্থান।

হিমছড়ি:

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পথ ধরে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে প্রকৃতির এক বিচিত্র সৌন্দর্যে ভরপর হিমছড়ি। সমুদ্রের পাড় ঘেঁষে নয়নাভিরাম ঝর্নাধারা আর পাহাড় ও সাগরের মিতালি দেখতে হলে আপনাকে হিমছড়ি আসতেই হবে। বর্তমানে এখানে বেশ কযয়েকটি ছোটখাটো খাবার হোটেল ও রেস্তোরা গড়ে উঠেছে। সুউচ্চ পাহাড় দেখে যাদের উপরে ওঠার সাধ তাদের জন্য রয়েছে বিশাল সিঁড়িপথ।হিমছড়িতে দাঁড়িয়েছে দিগন্ত বিস্তৃত নীল সাগরের ঢেউ, পাহাড়ের পার ঘেঁষে সারি সারি ঝাউবন আর নৈসর্গিক দৃশ্য দেখার জন্য হিমছড়ি আপনাকে সারা বছর স্বাগত জানাবে।

ইনানি বিচ:

কক্সবাজারের অন্যতম সুন্দর সমুদ্র সৈকত ইনানি। শহর থেকে ৩৩ কিলোমিটার দণি উখিয়া থানায় এবং হিমছড়ি থেকে প্রায় ২০-২১ কিলোমিটার দূরে এর ইনানি সৈকতের পশ্চিমে মূল সমুদ্র সৈকত। পূর্বদিকে সুউচ্চ পাহাড় ও সমতলভূমি। বিস্তৃত সৈকতে অসংখ্য বিস্তৃত পাথরের সমারোহ।

অসংখ্য বন্যপ্রাণী ও পাখির সমারোহ রয়েছে এই এলাকাটিতে। বেশ কিছু মৎস্য হ্যাচারি আর স্থানীয় এক ধরনের ফল পর্যটকদের মুগ্ধ করবে। এখানের সুস্বাদু ডাব পাওয়া যায়।

মহেশখালী:

কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে সাগরের মাঝে অবস্থিত একটি দ্বীপ মহেশখালী। মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। মহেশখালীতে রয়েছে হিন্দুদের তীর্থস্থান বিখ্যাত আদিনাথ মন্দির।

পাহাড়ে চূড়ান্ত অবস্থিত এ মন্দির সারা বিশ্বের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি পবিত্র স্থান। প্রায় ৬০০ বছরের পুরনো এ প্রাচীন সভ্যতা দেখে যে কেউ মুগ্ধ হবেন। নেপালের রাজদরবারের বদান্যতায় ও স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টায় এটি নতুন রূপ ধারণ করেছে।

টেকনাফ:

বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার অর্ন্তত একটি উপজেলা। এটি বাংলাদেশের সর্বদণি-পূর্ব কোনায় অবস্থিত। কক্সবাজার জেলাসদর থেকে এর দূরত্ব ৮৬ কিলোমিটার। টেকনাফ উপজেলার পূর্ব প্রান্ত দিয়ে বয়ে গেছে নাফ নদ; এই নাফ নদের থেকেই এই অঞ্চলটির নামকরণ হয়েছে।

মাথিনের কূপ:

সে সময় টেকনাফ ছিল একটি ছোট বানিজ্যিক এলাকা। ব্যবসায়ীরা বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চাল, কাঠ, তামাক, তাজা এবং শুকনো মাছ এখানে জড়ো করতো। বার্মা থেকেও বাঁধাহীনভাবে অবৈধ পথে এখানে চাল আসত। এখানকার গোত্রের ভিতর, রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজনই বেশী ছিল। জল দুস্যুতা মাত্রারিক্ত বৃদ্ধির কারনে এবং ব্যবাসায়ীদের নিরাপত্তার জন্য তৎকালীন সরকার টেকনাফে একটি পুলিশ ফাঁড়ী স্হাপন করে, যার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে ধীরাজকে কলকাতা থেকে টেকনাফে বদলী করা হয়। সবুজ পাহাড় ঘেরা টেকনাফ থানা-অদূরে সমুদ্রের নীল জলরাশি। থানায় তার তেমন কোন কাজ কর্ম ছিলনা। অনেকটা এখানে সেখানে ঘুরে ফিরে কাটাতেন।
সেই সময় টেকনাফে সুপেয় পানির খুব অভাব ছিল। একদিন ভোরে একাধিক নারী কন্ঠের অস্পষ্ট মৃদু গুঞ্জনে ধীরাজের ঘুম ভেঙ্গে যায়। থানার ছোট বারান্দায় এসে দেখেন রং-বেরঙ্গের ফতুয়া (থামি-ব্লাউস) পরিহিতা ৫০/৬০ জন মগী তরুনী পাত কুয়ার চারিদিকে জড়ো হয়ে হাসি গল্পে মশগুল। তাদের সুউচ্চ কলহাস্যে থানা প্রাংগন মুখরিত। এটিই ছিল সমগ্র টেকনাফে একটি মাত্র কূয়া।
দেখা-দেখি, হাসা-হাসি এভাবে তাদের প্রেম ঘনীভুত হয়। দিন গড়াতে থাকে। একদিন, দুইদিন এইভাবে। ইতোমধ্যে দু’জনের প্রেমের কথা সবাই জেনে যায়। নানা বাধা সত্তেও দুজনের মধ্যে বিযয়ের কথা পাকা পাকি হয়।
এর মধ্যে কলকাতা থেকে চিঠি আসে ধীরাজের কাছে। তার বাবা অসুস্হ, ধীরাজকে কলকাতা যেতে হবে একমাসের ছুটি নিয়ে। ছুটি না মিললে চাকুরীতে ইস্তফা দিয়ে হলেও যেতে হবে। ধীরাজের আরও একটি ইচ্ছা ছিল বিষয়ের আগে তার ভবিষৎ নিয়ে তার বাবা-মা কে জানানো। ধীরাজ সিদ্ধান্ত নেন কলকাতা যাবেন। সিদ্ধান্তের কথা মাথিনকে জানানো হল। মাথিন রাজি হলেন না। মাথিন নিশ্চিৎ ছিলনা যে, “পরদেশী বাবু” তাকে বিয়ে করার জন্য কলকাতা থেকে ফিরে আসবে কিনা। তাই অনেকটা বাধ্য হয়ে ধীরাজ এক সন্ধায় টেকনাফ থেকে ছেড়ে পালিয়ে গেলেন।
মাথিনের মনে হলো, বাবার অসুখের কারনে হয়ে ধীরাজ কলকাতা চলে গেছে। কিন্তু বাস্তবিক পে ধীরাজ মাথিনকে বিয়ে করতে চাননি বলেই রাতে অন্ধকারে কাপুরুষের মত টেকনাফ থেকে পালিয়ে গেলেন।
ধীরাজের এভাবে চলে যাওয়াকে প্রেমিকা মাথিন সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি। ধীরাজকে হারিয়ে মাথিন অন্ন জল ত্যাগ করে হন শয্যাশায়ী। জমিদার বাবা ওয়াথিনসহ পরিবারের সদস্যরা শত চেষ্টা করেও অন্ন জল ছোঁয়াতে পারেন নি। তার এককথা ধীরাজকে চাই। প্রেমের এই বিচ্ছেদ এবং অতি কষ্টে একদিন মাথিন মারা যান।
এ কারনে প্রেমের সাী “মাথিনের কূপ” দেখে এখনো হাজারো প্রেমিক প্রেমিকা তাদের ঐতিহাসিক প্রেমের কথা স্মরণ করে আবেগে আপ্লুত হয়।
কক্সবাজার আমাদেও গর্ব। কক্সবাজারকে উন্নত বিশ্বেও সাথে পর্যটনের সাথে মিলিয়ে সাজালে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প বিশ্ব পর্যটনের সাথে পাল্লা দিয়ে দেশের জাতীয় আয়ের বিরাট ভূমিকা রাখবে। প্রয়েজন সরকারী বা বেসরকারী পৃষ্ঠপোষকতা।

১ thought on “পর্যটন নগরী কক্সবাজার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *