নীল নকশা বাস্তবায়ন কি উদ্দেশ্যই ছিল!

কোন নীল এজেন্ডা বাস্তবায়নে একজন মাহফুজ আনামের হাতে দুরভিসন্ধির কলম থাকতে পারে না। বরদাশত করা যায় না। ব্যাপকভাবে পরিচিত ও প্রশংসিত সভ্যতার এই অগ্রযাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করার মহান ব্রত হওয়া উচিত সংবাদ মাধ্যমগুলির। লাখো কোটি নিপীড়িত মানুষের আর্তনাদ, হাহাকার ও ন্যায়বিচার পাওয়ার আকাংখাকে অবহেলা করে নিজেদের মনগড়া সংবাদ প্রচার করে তাদের ক্ষমা নেই। এক-এগারোর সময় ডেইলি স্টার সম্পাদক চাপে পড়ে যে সংবাদ ছেপে ভুল করেছিলেন বলে স্বীকার করেছেন ৮ বছর পর তিনি কি শুধুই বিবেকের তাড়নায় নাকি নতুন কোনও চাপে সেই সত্যটি স্বীকার করেছেন, তাও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। তবে শুধু ভুল স্বীকার করলেই দায় মুক্তি হবে না। ২০১২ সালে বিবিসির ফ্ল্যাগশিপ অনুষ্ঠান ‘নিউজ নাইটে‘ মার্গারেট থ্যাচার সরকার ক্যাবিনেটের একজন রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর অভিযোগ প্রচার করেছিলো। পরবর্তী সময়ে সেই অভিযোগের সত্যতা না পাওয়া গেলে বিবিসির মতো প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিলো। সেই সময়ে বিবিসির ওপর রুপার্ট মারডকের মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে বিরাট একটি চাপ এসেছিলো। বিবিসির ডিরেক্টর জেনারেল জর্জ অনটুইসেল শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করেছিলেন। এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিবিসি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ক্রিস প্যাটেন বলেছিলেন, ‘বিবিসির বর্তমান অবস্থান তৈরি হয়েছে মানুষের ভরসার কারণেই, বিবিসি যদি এটা হারিয়ে ফেলে তাহলে সবকিছু শেষ। মাহফুজ আনামও, তার প্রতিষ্ঠান ডেইলি স্টারের বর্তমান অবস্থান তৈরি হওিয়ার পেছনে মানুষের যে আস্থা ছিলো সেই জায়গাটা এখন আর নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *