নির্জলা ভোগের কাব্য. .

রাতকে চেনো ?
খর্বকায় পান্ডুলিপি যেথা লিখে চলে বৈভবের গান..
কিংবা কখন বৃহন্নলার নাভিমূলে জেগে ওঠে অশরীরী কামনা,
শিরিষ গাছের ফাঁকে কেঁদে ওঠে কফিলের মর্মন্তুদ কর্কশ..

বরং আমিই বলি-
তোমার বাহুডোর খুলে দাও,
সাত্বিক আহ্বানে আচমকা নাড়িয়ে দাও বেপরোয়া হৃদপিন্ড ।
অথবা শাড়ির কুঁচি মেলে দাও শামিয়ানা করে-
তারাগুলো আর দেখবে না ।

কপালের স্বেদবিন্দুকে প্রশ্ন করি : ‘শিশির কি তোর জাতভাই ?’
নবাগত শিশুর অস্ফুট চিৎকারে বলে : ‘ক্ষোভ. . কিংবা ক্রোধের মতই প্রেক্ষাপট ।’
আমি যেচে গিয়ে চুমো খাই,
ওর লাজুক বুক দুলে ওঠে,
আলগোছে কিংবা সন্তর্পনে জিভালেপনের সাহিত্যে রচি পরবর্তী ভাবাবেগ-

রাতকে চেনো ?
খর্বকায় পান্ডুলিপি যেথা লিখে চলে বৈভবের গান..
কিংবা কখন বৃহন্নলার নাভিমূলে জেগে ওঠে অশরীরী কামনা,
শিরিষ গাছের ফাঁকে কেঁদে ওঠে কফিলের মর্মন্তুদ কর্কশ..

বরং আমিই বলি-
তোমার বাহুডোর খুলে দাও,
সাত্বিক আহ্বানে আচমকা নাড়িয়ে দাও বেপরোয়া হৃদপিন্ড ।
অথবা শাড়ির কুঁচি মেলে দাও শামিয়ানা করে-
তারাগুলো আর দেখবে না ।

কপালের স্বেদবিন্দুকে প্রশ্ন করি : ‘শিশির কি তোর জাতভাই ?’
নবাগত শিশুর অস্ফুট চিৎকারে বলে : ‘ক্ষোভ. . কিংবা ক্রোধের মতই প্রেক্ষাপট ।’
আমি যেচে গিয়ে চুমো খাই,
ওর লাজুক বুক দুলে ওঠে,
আলগোছে কিংবা সন্তর্পনে জিভালেপনের সাহিত্যে রচি পরবর্তী ভাবাবেগ-
সময় রুখে দাঁড়ায় ।
সশব্দে ঘড়ির কাঁটায় কামড় বসিয়ে বলে :

‘লোভ নয়, অনুভবে শুষে যাও ।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *