চুম্বনময় ফেব্রুয়ারি এবং একজন অভিজিৎ রায় (মুক্তচিন্তার মোড়কে আমাদের দৈনতা)

ফেব্রুয়ারি!
শব্দটার সাথে আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারি লাইনটা ক্যান জানি চলে আসে, ফেব্রুয়ারি বললেই চলে আসে, চলে আসে ভাষা, চলে আসে বাংলা, লিখি, লিখতে ভালোলাগে কারন প্রতিটা বাংলা অক্ষর আমাকে রফিক কে ফিল করায়, সালাম জাব্বার কে অনুভব করায়, আমি কলম ভালোবাসি, আমি কি বোর্ড ভালোবাসি। ক্যান জানি চলে আসে, রক্তে নাচন জাগায়। রক্তলাল শিমুল, পলাশ, লাল লাল লাল রঙ, আমার বসন্ত, কেমন জানি একটা নতুন করে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করার স্পর্শ বোলায়। আমি বুঝতে পারিনা, ক্যান জানি চলে আসে, রক্তে চলে আসে, সালাম রফিক জাব্বার, প্রভাতফেরি সব কেমন জানি স্বপ্ন স্বপ্ন স্মৃতি ,শৈশব, তারুন্য।

ফেব্রুয়ারি!
শব্দটার সাথে আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারি লাইনটা ক্যান জানি চলে আসে, ফেব্রুয়ারি বললেই চলে আসে, চলে আসে ভাষা, চলে আসে বাংলা, লিখি, লিখতে ভালোলাগে কারন প্রতিটা বাংলা অক্ষর আমাকে রফিক কে ফিল করায়, সালাম জাব্বার কে অনুভব করায়, আমি কলম ভালোবাসি, আমি কি বোর্ড ভালোবাসি। ক্যান জানি চলে আসে, রক্তে নাচন জাগায়। রক্তলাল শিমুল, পলাশ, লাল লাল লাল রঙ, আমার বসন্ত, কেমন জানি একটা নতুন করে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করার স্পর্শ বোলায়। আমি বুঝতে পারিনা, ক্যান জানি চলে আসে, রক্তে চলে আসে, সালাম রফিক জাব্বার, প্রভাতফেরি সব কেমন জানি স্বপ্ন স্বপ্ন স্মৃতি ,শৈশব, তারুন্য।
বাদ দেন পুরান কথাবার্তা অন্তত অভিজিৎ রায় এর কথা ভেবেও অন্তত আমাদের লজ্জা পাওয়া উচিত। অভিজিৎ রায় এই প্রজন্মের লোক ছিলেন, আমাদের লোক ছিলেন। অভিজিৎ রায়ের রক্তের স্মৃতিমাখা রক্তাক্ত ফেব্রুয়ারি কে চুম্বন নিয়ে ইস্যু বানানির মতো সস্তা হিটসিকিং এর জন্যও হয়তো অনেকেই লজ্জা অনুভব করবে না যদিও তাদেরকে বিভিন্ন ইজমে এই মুক্তচিন্তার প্রজন্মের(কথিত) অগ্রদুত হিসাবে গন্য করা হয় ।
হুমায়ন আজাদ বেচে থাকলে উস্কানিমুক্ত বাংলা একাডেমিকে সোদার পাশাপাশি নিজের অশিক্ষিত সন্তানের কর্মকান্ডে র‍্যাটকিল খেতে চাইতেন । অথচ ড. হুমায়ুন আজাদ, ড. অভিজিৎ রায় এই ফালতু, বিভ্রান্ত, স্বমেহনে লিপ্ত প্রজন্মের জন্য ঝুকি নিয়ে প্রান হারালেন। ড. আভিজৎ রায় বোকা ছিলেন না, তিনি আমাদের ভাই ছিলেন, বন্ধু ছিলেন, আমাদের শিক্ষক ছিলেন। তিনি জানতেন তাকে খুব দ্রুত মৃত্যুবরণ করতে হবে। তিনি শুধু জানতেন না কতটা নির্বোধ প্রজন্মের জন্য তিনি এতবড় ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তায় হাটছেন। এই ফ্রেব্রুয়ারি হতে পারতো ড. অভিজিৎ রায়, ড. হুমায়ুন আজাদ, আরজ আলি মাতব্বরদের ঘরে ঘরে পৌছে দেবার মাস, এই মাস হতে পারতো বাংলাকে আরো সমৃদ্ধ করার মাস। আরো অনেক সৃজনশীল প্রতিবাদ ও প্রতিজ্ঞার মাস হতে পারতো ফেব্রুয়ারি। যুগ যুগ ধরে চলমান বাংগালী জাতিস্বত্তার যুদ্ধের চেতনা কিংবা উত্তরনের পার্লস বুঝতে ব্যার্থ হয়েছে কথিত এই মুক্তচিন্তার আন্দোলনের অগ্রদুতরা।
অভিজিৎ রায় ব্যার্থ হয়েছিলেন এই প্রজন্ম কে বুঝতে। এই প্রজন্মের কাছে পুস্তকের চেয়ে চুম্বন বেশি আকর্শনীয়। চুম্বনে যৌনাবেদন আছে যা পুস্তকে নাই। আমি এটাও জানি এই কথিত মুক্তচিন্তকরদের অনেকেই কখনো বুঝতেও পারবে না তারা কতবড় নির্বুদ্ধিতা করেছিল, যেখানে লজ্জা পাওয়া আরো দুরের বিষয়। শুধু এটুকুই বলবো, আমাদের লজ্জা পাওয়া উচিত । আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত, সতর্ক হয়ে সামনে অগ্রসর হওয়া উচিত। কারন এই প্রজন্ম বিভ্রান্ত হলেও এই প্রজন্মই আলোর যুদ্ধের শেষ মশাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *