# ধর্ষক # বাঙ্গালি V/S # ভালবাসার # চুম

ইংরেজি অভিধানে kiss শব্দের অর্থ চুমু
বা স্পর্শ। অথবা ব্যক্তিগত ভাবে এটি
ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ।
ধর্ষন শব্দের আবিধানিক অর্ধ Rape/
outrage/torture/অবমাননা/ ইজ্জতহানী।
অার ধর্ষক নামের অর্থ-OUTRAGE MODESTY/
.OUTRAGEOUS
# kiss, #sex , #rape -এ ৩টির অর্থ ভিন্ন।
দুঃখের বিষয় বাঙ্গালী গুলিয়ে
ফেলছে অর্থ।এ এক মহা সমস্যা।মাঝে
মধ্যে মনে হয় এর চেয়ে নিরক্ষর
বাঙ্গালি বেশ ভাল ছিল।এরা
অক্ষরজ্ঞান সমৃদ্ধ নির্বোধ
মাথামোটা outragious বা ধর্ষক
বাঙ্গালি। গত কয়েকদিন ধরে
‘ভালবাসা দিবসে চুমু খাব পুলিশি
পাহাড়ায়” ( https://mobile.facebook.com/
events/515631988598247?_rdr ) নামক একটা

ইংরেজি অভিধানে kiss শব্দের অর্থ চুমু
বা স্পর্শ। অথবা ব্যক্তিগত ভাবে এটি
ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ।
ধর্ষন শব্দের আবিধানিক অর্ধ Rape/
outrage/torture/অবমাননা/ ইজ্জতহানী।
অার ধর্ষক নামের অর্থ-OUTRAGE MODESTY/
.OUTRAGEOUS
# kiss, #sex , #rape -এ ৩টির অর্থ ভিন্ন।
দুঃখের বিষয় বাঙ্গালী গুলিয়ে
ফেলছে অর্থ।এ এক মহা সমস্যা।মাঝে
মধ্যে মনে হয় এর চেয়ে নিরক্ষর
বাঙ্গালি বেশ ভাল ছিল।এরা
অক্ষরজ্ঞান সমৃদ্ধ নির্বোধ
মাথামোটা outragious বা ধর্ষক
বাঙ্গালি। গত কয়েকদিন ধরে
‘ভালবাসা দিবসে চুমু খাব পুলিশি
পাহাড়ায়” ( https://mobile.facebook.com/
events/515631988598247?_rdr ) নামক একটা
ইভেন্টের পোষ্ট পড়ছিলাম। বাঙ্গালি
এখানেও আলু বেগুন এক করেছে!
ভালবেসে ২ জন মানুষ চুমু খাবে।
এখানে কোন আইন থাকতে পারে না।
চুমু আর দৈহিক সম্পর্কের মধ্যে আকাশ
পাতাল ফারাক,বাঙ্গালির তা বুঝে
আসে না। আর দৈহিক সম্পর্কের জন্য ও
কেন ই বা আইন লাগবে?আমার মতে এর
জন্য প্রয়োজন ২ জন মানুষের সম্মতি একে
অন্যের কাছে। কিন্তু outragious
বাঙ্গালির নিয়ম ভিন্ন।এরা ধর্ষনকে
উপভোগ করবে কিন্তু ঠোঁট মেলালেয়
গ্রেপ্তার!
আমিও গুলিয়ে ফেলছি প্রসঙ্গ!কেন ই
বা গুলাব না?জন্মসূত্রে আমি ও যে
বাঙ্গালি।তবে outragious বা ধর্ষক
বাঙ্গালি নয়। আসলে গুলিয়ে ফেলার
চর্চা আমাদের সে শিশুকাল থেকে
দেওয়া হচ্ছে। এ জাতির জ্ঞানচর্চায়
জাতির জনকের নাম পাল্টায় বছর বছর
বিমানবন্দরের নামের মত! সে জাতি
না গুলিয়ে কি বা করবে?
এবার প্রসঙ্গে আসা যাক-
“ভালবাসা দিবসে চুমু খাব পুলিশি
পাহাড়ায়” ইভেন্টের পোষ্টগুলোতে
এক এক জন পুরুষ তাদের দন্ডের গুনগত
মানের পরিচয় দিচ্ছিলেন এক একটি
পোষ্ট এ। এর কারন-ইভেন্টের ক্রিয়েটর
একজন নারী।তাতেই বাঙ্গালি
উত্তেজিত। এক এক করে ধর্ষক
বাঙ্গালি গুলোর প্রোফাইল
দেখছিলাম,আর অবাক হচ্ছিলাম।এরা
বেশির ভাগ ই শিক্ষিত!
এ ধরনের মানসিকতা তবে কি শিক্ষা
ক্ষেত্র থেকেই প্রথম তৈরি হচ্ছে?
বাঙ্গালি থেকে এক একজনকে
বানানো হচ্ছে অন্ধবিশ্বাসে
বিশ্বাসী ধর্ষক বাঙ্গালি?যাদের
কাছে নারীর অর্থ মা / বোন / মেয়ে
নয়তো মাগী!এরা নারীর লোভনীয়
প্যাক্যেজ ছাড়ে পরকালের পুরষ্কার
স্বরুপ। কিন্তু দন্ড কি আর অতদিন ঠান্ডা
রাখা যায়?ব্রা এর ফিতা দেখে ও এর
লাফালাফি! আর সুযোগ পেলে এরা
১২ বছরের বাচ্চার মধ্যে ও হুর / গেলমান
কিনবা অপ্সরী দেখে হুমড়ি খেয়ে
পড়ে। এটা বললাম লালসার দিক দিয়ে
নারীর মূল্যায়ন।ভিন্নতাও আছে,কিছু
বিশেষ সময়ে নারী মানেই অশুচি /
অপবিত্র।তখন এদের ছোঁয়াও পাপ!
ঋতুস্রাবের সময় নারীকে মূল্যায়ন করা
হয় দানবী রুপে।এখানে শেখানো হয়
নারী শুধু নারী নয়,ঋতুস্রাব এর প্রথম দিন
নারী চন্ডালী,২য় দিন ব্রক্ষঘাতিনী
এবং ৩য় দিন রজকী। তাই তো এখনো
ফার্মেসীগুলোতে কোন নারী
স্যানিটরি ন্যাপকিন কিনতে গেলে
তার দিকে শিক্ষিত দোকানদারও
বাঁকা চোখে তাকায়। তারা বোঝে
না,নারী যদি অপবিত্র হয়, নারীর
ঋতুস্রাব যদি অশুদ্ধ হয় তবে আমাদের
প্রত্যেকের জন্ম অশুদ্ধ।
কথা হচ্ছে তবে কি এদের মানসিকতা
পাল্টানোর নয়?
পাল্টানো সম্ভব।সেক্স বা যৌন সম্পর্ক
কে অন্ধকারে বন্ধ করা যাবে না।এটি
প্রাকৃতিক প্রকৃয়া।এটা সম্পর্কে
জানতে হবে জানাতে হবে।
নারীকে ভোগ্য পন্য ভাবা যাবে না।
নারী সে ও মানুষ, এর পর আর কোন
যেহেতু থাকতে পারে না।
নারীকে দুর্বল বলে বন্ধি করার
মধ্যযুগীয় মানসিকতা বাদ দিতে হবে।
কেননা পুরুষতান্ত্রিক সমাজে
নারীকে ফতেয়া দিয়ে বন্ধি করা হয়
যাতে,নিজ নারীর বুকে অন্য পুরুষের
দাঁত না বসে! পরিষ্কার ফল মুখে তুলার
মত একটি ব্যাপার!নারীকে বুঝতে হবে
সে কারো ব্যক্তিগত সম্পদ হতে পারে
না।
প্রতিটা পুরুষের দন্ড নিয়ে অহংকার
বাদ দিয়ে সম্মান করতে হবে নারীকে
একজন মানুষ হিসেবে।
যেদিন নারীকে প্রজনন মেশিন/সেক্স
বোম ছাড়া শুধু নারী হিসেবে
ভালবাসা যাবে,সেদিন হয়ত
ভালবাসা দেখানোর জন্য আর ইভেন্ট
খুলতে হবে না। ততদিন পর্যন্ত ঘুনে ধরা
প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন হবে
এভেবেই-“প্রকাশ্যে চুমু খেয়ে।পুলিশ
পাহাড়াই”
জয়তু নারী।
সবুজ মূর্খ,
ভন্ডগ্রাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *