ব্যক্তিগত কথা-কেউ রাগ করবেন না

নিজের বুদ্ধি-বিবেক আজকাল লোপ পাচ্ছে, সৃত্মি হারিয়ে অসহায় হয়ে যাচ্ছি প্রায়। মানুষের মাঝে কথাবলা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কারন তাদের একদম সয্য করতে পারছি না। তাদেরকে সয্য করা বড় কথা না , তাদের কথা বলার টপিকস গুলোকে খুব বেশি ঘৃনা হয় আমার। মানুষ যে কতটা নারীপাগল হতে পারে তা এদের কাছে না আসলে হয়তো বুঝতে পারতাম না। নারী কি এমন জিনিস যার যাদুতে আকৃষ্ট হয়ে মানুষ তার সবচেয়ে মুল্যবান সম্পদ “লজ্জা”কে বিসর্জন দিতে পারে? এদের কিছুকিছু কর্মকান্ড মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানায়। লজ্জা আর সম্মান মানুষের দুটি মহৎ বৈশিষ্ট্য কিন্তু তার ছিটেফোটাও এদের মাঝে নাই। গর্ব করার মত কোনো জিনিস আজকাল এদের মাঝে নাই কিন্তু তারপরও তারা সেই “নারী” নিয়েই গর্বে ব্যস্ত। (আজ তাদেরকে প্রোপোজ করছে, তাদের জন্য খাবার পাঠাচ্ছে, তাদেরকে প্রশংসা করছে(চুল ভাল, দাত ভাল, হাটা সুন্দর, হাসি সুন্দর ব্লা ব্লা ব্লা),তাদের সাথে ফোনে কথা বলছে, সারাদিন চ্যাট করছে এমনকি ফোন থেকে ফোনে ফাইল পর্যন্ত চালাচালি হচ্ছে।) আমার মনে হয় এগুলো গর্বের ঘরে পড়ে না এগুলো তাদের অহংকার। তারা এগুলো নিয়ে এতো বেশি অহংকার করে যে তারা একসময় প্রায় ভুলেই যায় যে তারা আসলে মানুষ নাকি অন্য কিছু। এদের পতন আছে কিনা আমার আদৌ জানা নেই তবে এটুকু বলতে পারি যে এরা এক মহামারী মানসিক রোগে আক্রান্ত। যার এন্টিবায়োটিক একমাত্র ঐসব নারীদেরই জানা আছে। এই সব মানসিক বিকারগ্রস্ত রোগীদের দেখতে দেখতে আমার চোখের বেহাল দশা, শুনতে শুনতে কান পচে যাচ্ছে, ইন্দ্রিয় অসাড় হয়ে যাচ্ছে। আমি স্বাভাবিক চিন্তাশক্তি হারাচ্ছি। পরিনত হচ্ছি অনুভুতিহীন অবিশ্বাস্য বস্তুতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *