চলতি দশকেই দেশের অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ চলে যেতে পারে উগ্রপন্থীদের হাতে।

রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত ধর্মসভা যখন সমাজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারাবেন, আর সাধারণ মানুষের যখন ধর্মসভার প্রতি আস্থা নষ্ট হবে, তখনেই সমাজের অসরকারি স্থর থেকে ধার্মিক সমাজের উপর নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে। আর তারা রাষ্ট্র ক্ষমতা নিজের করে নিতে চেষ্টা করবে, তখনেই হবে সংঘাত।

সেকুলার বাংলাদেশের মনে রাখা উচিৎ কমিউনিষ্ট বিশ্বের পতনের পরে এই সভ্যতার জন্য প্রধান হুমকি হল ইসলাম!!

রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত ধর্মসভা যখন সমাজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারাবেন, আর সাধারণ মানুষের যখন ধর্মসভার প্রতি আস্থা নষ্ট হবে, তখনেই সমাজের অসরকারি স্থর থেকে ধার্মিক সমাজের উপর নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে। আর তারা রাষ্ট্র ক্ষমতা নিজের করে নিতে চেষ্টা করবে, তখনেই হবে সংঘাত।

সেকুলার বাংলাদেশের মনে রাখা উচিৎ কমিউনিষ্ট বিশ্বের পতনের পরে এই সভ্যতার জন্য প্রধান হুমকি হল ইসলাম!!
সে জন্য সরকারে যেই থাকুন ধর্মের উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আসুন। আর এই নিয়ন্ত্রণের কৌশল হল, দেশের চালক গষ্টিকে তৃণমুলের মত ধার্মিক হতে হবে। আর নিজের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে হবে।
আমরা জানি মুক্তিযুদ্ধে নাস্তিকদের নেতৃত্ব ভিত্তিক বিশাল আধিপত্য ছিল, তাই বলে যে দেশের জনগণ নাস্তিকতার সমর্থনে যুদ্ধ করেছে তা কিন্তু নয়। ব্যাপারটি ছিল সম্পুর্ন জাতীয়তাবাদী আবেগ।

মাদ্রাসা-হুজুর-দাড়ি-টুপি এসব দেখলেই সরকারে মধ্যে থাকাকা কিছু বাচালের আবেগে টান পড়ে, তারা সবাই নাকি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি, কিন্তু খুব ভয়ঙ্কর ব্যাপার হল এটা যে এই লোক গুলোর সমাজে এত বেশি নিয়ন্ত্রণ আছে যে তাদের কোথায় মানুষ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রয়োজনে বাদ দিবে কিন্তু তাদের পক্ষ নিবে। আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে নাস্তিকতা মিলিয়ে ফেলেটা একটা কৌশল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এটা কিন্তু মারাত্মক ভুল হচ্ছে। হয়ত ভাবছেন তখন তো নাস্তিকদেরকেই মানুষ সমর্থন করেছে সুতরাং এটা আসলে নাস্তিকদেরেই চেতনা। না এটা জাতীয়তাবাদী আবেগ তখন যেমন সময় এসেছিল তাতে একটা কাকতাড়ুয়াকে নেতা বানালেও মানুষ তাকে সমর্থন করত।

ধর্মিয় সম্প্রদায়ের উপর যত মিথ্যা কতৃত্ব করতে চেষ্টা করবেন তত তাদের উন্মাদনা বেড়ে যাবে, আজ থেকে অল্প কিছুদিন আগেও দেশে হিন্দু মুসলিম কোন ভাগাভাগি ছিল না , কিন্তু এখন তৃণমূলে মুসলিম বিশ্বাসীরা হিন্দুদের শত্রু মনে করছে। এটার কারন শুধুই ইন্টারনেট ভিত্তিক ইসলাম বিদ্বেষীতা আর থানা গুলোতে অতিরিক্ত হারে হিন্দু পুলিশ নিয়োগ। যদিয় সরকার বলবে যে যাদের যোগ্যতা আছে তারাই মূলত সুযোগ পেয়েছে, তবে অপ্রিয় হলেও সত্য যে সরকারের অনুগত কিছু লোকের দরকার ছিল তাই রাজনিতিক প্রয়োজনেই স্বেচ্ছাচারী ভাবেই তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

সরকারি বাহিনী আর যাই করুক ৫ মের ঘটনাটাই তাদের কাল(৫ মেয়ের ঘটনার ব্যাপারে আমার কাছে কোন তথ্য নেই, তবে জনমনে আবেগ রয়েছে যে সরকার সেই রাতে অনেক আলেম হত্যা করেছে)।
যদি সেদিন কেউ মরে থাকে তবে এর দায় মুসলমান সরকারের কিন্তু মানুষের আবেগ বলছে অন্য কথা। তাদের ভাবনায় কোন মুসলিম যত খারাপেই হোক নিরীহ আলেমদের হত্যা করতে পারে না(!), নিশ্চয়ই ঐ পুলিশ সদস্যরা হিন্দু ছিল!!
এটা সত্যি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে,অল্প সংখ্যক হিন্দু সম্প্রদায় কে বিশাল মুসলিম সম্প্রদায়ের মুখোমুখি দাড় করানো হয়েছে।

সরকার বলছেন আমরা জামাতের বিরধিতা করি ইসলামের নয়, কিন্তু দুঃখের ব্যাপার পুর্বেকার চেয়ে উদ্বেগজনক পরিমান বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে জামাত। সরকারের গুটিকয়েক হিন্দু আর নাস্তিকদের পাসে নিয়ে বিশাল জনসংখ্যার নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণ করা অনেক মুশকিল হয়ে যাবে। আর এটাও সত্যি যে,
জামাত কে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দেশে মুসলিমদের মধ্যে আন্তঃসংঘাত তৈরি হবে কারন তাদের প্রতি অনেক আলেম ওলামার কোন আস্থা নেই এবং পরস্পর সম্পর্ক হল সাপ-বেজি।

যাইহোক, সরকার কে আস্থা আস্থা অর্জন করতে হলে নিজেদের খুব স্বচ্ছ হতে হবে অথচ দিনে দিনে দুর্নিতি বেড়েই চলেছে। তবে বাঙ্গালী নেতৃত্ব চাইলে দুর্নিতি অনিয়মের লাগাম টেনে ধরতে পারে। যেহেতু সর্বময় ক্ষমতা তাদের হাতে।
এমনতবস্থায়
দেশে শান্তি ও ঐক্যের প্রয়োজনে তৃণমুলে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের আবেগ ছড়িয়ে দিতে হবে , জাতিয় ও আঞ্চলিক নেতাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
আমাদের ভারতিয় সমাজে ধর্মের গ্রুরুত্ব অনেক বেশি, তাই ধর্মিয় সংগঠন গুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে ।(দমন নিপিড়ন করে নয়, নিজে ধার্মিক হয়ে, রাষ্ট্রে ধর্মিয় বিষয় কে গুরুত্ব দিয়ে )।
অন্যথায়
দেশের পরিস্থিতি দেখে এমন ভবিষ্যৎ বাণী করা যেতে পারে
যে, চলতি দশকেই দেশের অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে উগ্রপন্থীদের হাতে।
আর এমন অবস্থা রাষ্ট্র ও জনগণের জীবন করে তুলবে দুর্বিশহ।

২ thoughts on “চলতি দশকেই দেশের অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ চলে যেতে পারে উগ্রপন্থীদের হাতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *