তার চেয়ে ভালো পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাতিল করে দেন

বাংলাদেশ সরকার ও সেনাবাহিনীর হাবভাব দেখে মনে হচ্ছে তারা ১৯৯৭ সালের তথাকথিত পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইতস্তত: করছে। এতোই যদি সমস্যা হয় তাহলে চুক্তিটি বাতিল বা সংশোধনের উদ্যোগ নেন না কেনো সরকার মহোদয়? আপনারা তো অসীম ক্ষমতাশালী!

চলমান সমস্যা সমাধান না করে নতুন নতুন সমস্যা সৃষ্টি করে আপনারা পাহাড়ে সেনাবাহিনীর অবস্থানকে বৈধ করতে চান! গুটিকয়েক সন্ত্রাসীর জন্য পুরো পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীদের উপর কেন আপনারা খড়গহস্ত হচ্ছেন?


বাংলাদেশ সরকার ও সেনাবাহিনীর হাবভাব দেখে মনে হচ্ছে তারা ১৯৯৭ সালের তথাকথিত পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইতস্তত: করছে। এতোই যদি সমস্যা হয় তাহলে চুক্তিটি বাতিল বা সংশোধনের উদ্যোগ নেন না কেনো সরকার মহোদয়? আপনারা তো অসীম ক্ষমতাশালী!

চলমান সমস্যা সমাধান না করে নতুন নতুন সমস্যা সৃষ্টি করে আপনারা পাহাড়ে সেনাবাহিনীর অবস্থানকে বৈধ করতে চান! গুটিকয়েক সন্ত্রাসীর জন্য পুরো পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীদের উপর কেন আপনারা খড়গহস্ত হচ্ছেন?

আপনারা যা খুশী তাই করতে পারেন। সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, পর্যটন কেন্দ্র, বিজিবি ক্যাম্প বসানো হচ্ছে; তাও আবার আদিবাসীদের (পুনর্বাসন ছাড়া) উচ্ছেদ করে। আদিবাসীদের জমি দখলের জন্য ক্রিমিনাল বাঙ্গালীদের লেলিয়ে দিচ্ছে সরকারী বাহিনী; হামলা-অগ্নিসংযোগ-খুন-ধর্ষণের ঘটনায় মামলা নিতে চায় না পুলিশ; নিলেও বিচার হয় না।

এতসব কর্মকাণ্ড দেখে মনে হচ্ছে আপনারা তাদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দিতে চাচ্ছেন। আপনাদের অসীম ক্ষমতা। দেন না ওদের বের করে; বলে দিন “এই উগ্র মুসলিমদের দেশে অমুসলিমদের, বিশেষ করে পাহাড়িদের, জায়গা হবেনা।” নির্দিষ্ট সময় দিয়ে নোটিশ দেন বাড়ি-ঘর ফেলে চলে যেতে।

সরাসরি বলতে বাধা কোথায়? আপনারা তো এদেরকে আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতিই দিতে চান না; অসভ্য, বর্বর, আনস্মার্ট বলে গালি দেন।

আপনারা দুই নাম্বারী ব্যবসা করতে চান, টাকা কামাতে চান, সন্ত্রাসীদের পেলে-পুষে অস্ত্র আর মাদকের টাকায় ভাগ বসাতে চান; বুঝতে পারছি। আদিবাসীরা পড়ালেখা ও ব্যবসায় বাঙ্গালী চামবাজদের চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছে। সেই সুযোগে ভাবছেন এদের তিলে তিলে শেষ করবেন? সারা দুনিয়ার মানুষ কি চোখে ঠুলি পড়ে থাকে বলে আপনাদের ধারণা?

আদিবাসীদের পক্ষে যারা কথা বলে সেইসব বাঙ্গালীদের আপনারা টাকা দিয়ে, পাহাড়ের ইজারা দিয়ে, নইলে ভয় দেখিয়ে দমাতে চান? করেন। কিন্তু সবার মুখ তো বন্ধ করতে পারবেন না। সবাই তো টাকার গোলাম না।

সবশেষে, পাহাড়ে ইতিহাসের সবচেয়ে নিকৃষ্টতম নির্যাতনে সেনাবাহিনী কিভাবে আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জামায়াত, রোহিঙ্গা, জঙ্গি সবাইকে এক কাতারে নিয়ে আসলো তার একটা উত্তর চাই।

৪ thoughts on “তার চেয়ে ভালো পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাতিল করে দেন

  1. এরা সমতলে পাকি, অাফগানি, সৌদি
    এরা সমতলে পাকি, অাফগানি, সৌদি অার পাহাড়ে খাঁটি বাংগালী, খাঁটি দেশপ্রেমী। এই অাত্ম-পরিচয় অাভাবে ভোগা জাতির কাছে নিজের অধিকার চাওয়া কতটুকু যৌক্তিক হতে পারে তাই ভাবছি :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি:

  2. আপনি কি চান ? ওখানে স্কুল,
    আপনি কি চান ? ওখানে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় না হোক ? আদিবাসীদের সুরক্ষার জন্যই ওখানে সেনা বাহিনীর উপস্থিতি প্রয়োজন । এরকম স্পর্শকাতর জায়গা থেকে সেনা বাহিনী সরিয়ে নেওয়া কি বুদ্ধিমানের কাজ হবে ? তবে আদিবাসীদের অন্যান্য যত সমস্যা আছে তার সমাধান অবিলম্বে হওয়া দরকার । আদিবাসীদের উচিৎ সেনা বাহিনীকে শত্রু না ভেবে বন্ধু ভাবা এবং নপ্রয়োজনে ্তাদের সাহায্য নেওয়া ।

  3. দেশের অন্যসব অঞ্চলে যদি
    দেশের অন্যসব অঞ্চলে যদি সেনাবাহিনী প্রয়োজন না হয় তাহলে শুধু পার্বত্য চট্রগ্রামের জন্য কেনো? তারা অাদিবাসী বলে না তারা নিজেদের অধিকারের জন্য অান্দোলন করে বলে?

  4. বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও তার সেনা
    বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও তার সেনা বাহিনী যা করছে তা খুবই অমানবিক। আদিবাসীদের নিজের জমি থেকে তাদের উচ্ছেদ করে দিচ্ছে। আদিবাসীরা কী চায় না চায় সেটি আদিবাসীরা বলবে। আদিবাসীদের উপকার করার নামে সেখানে চলছে আগ্রাসন ও ভূমি দখল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *