আইএস কিংবা জঙ্গি সংগঠন ইসলাম রক্ষা নয় ধ্বংস করছে

ইসলাম শান্তির ধর্ম। কোন আইএস কিংবা জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক হতে পারে না। ধর্ম মানুষকে জোরপূর্বক গ্রহন করানো যায় না, মানুষ সেচ্ছায় আল্লাহর ভীতি থেকে অস্থিরতা-বিহীন সুন্দর জীবন যাপনের জন্য ধর্মের সান্নিধ্য আসে।
পৃথিবী জুড়ে আইএস কিংবা জঙ্গি সংগঠন যে বর্বরতা, সহিষ্ণুতা চালাচ্ছে তাতে ইসলাম ধর্ম রক্ষা নয় ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। ইসলাম সম্পর্কে মানুষের বিরুপ ধারনা জন্ম নিচ্ছে, মানুষের বিমুখতা দেখা দিবে ধর্ম সম্পর্কে।

ইসলাম শান্তির ধর্ম। কোন আইএস কিংবা জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক হতে পারে না। ধর্ম মানুষকে জোরপূর্বক গ্রহন করানো যায় না, মানুষ সেচ্ছায় আল্লাহর ভীতি থেকে অস্থিরতা-বিহীন সুন্দর জীবন যাপনের জন্য ধর্মের সান্নিধ্য আসে।
পৃথিবী জুড়ে আইএস কিংবা জঙ্গি সংগঠন যে বর্বরতা, সহিষ্ণুতা চালাচ্ছে তাতে ইসলাম ধর্ম রক্ষা নয় ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। ইসলাম সম্পর্কে মানুষের বিরুপ ধারনা জন্ম নিচ্ছে, মানুষের বিমুখতা দেখা দিবে ধর্ম সম্পর্কে।
আমি এর আগে আইএস,লাদেন এবং জঙ্গিদের বিরুদ্ধে একটা পোষ্ট করেছিলাম। তখন আমার এক জৈনিক ভাই বিরুপ ধারনা পোষন করেছেন। তিনি বলেছেন মুসমান বলে কেউ যদি থেকে থাকে তাহলে ঐ আইএস-জঙ্গিরাই আছে। তারা নাকি ইসলামের পক্ষে জিহাদ করছে।
ভাই মানছি ইসলামে জিহাদকে ফরজ বলে ধরা হয়েছে। কিন্তু জিহাদ টা কেন? মানুষের মনে ইসলাম সম্পর্কে বিরুপ ধারনা সৃষ্টি করার জন্য?
যে ব্যক্তি সমসাময়িকতার সাথে তাল মিলিয়ে চলে না তার মত মুখ্য আর ক্ষতিকর কেউ নেই..
নবী কারিম (সঃ) ও ইসলামের পথে যুদ্ধ করেছেন। তখন যুদ্ধটা প্রয়োজন ছিল। তিনি যুদ্ধ করে মানুষ আটক করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতে বাধ্য করেন নি। তিনি যুদ্ধ করেছেন অত্যাচারিদের বিরুদ্ধে, তিনি যুদ্ধ করেছেন ধর্ম বিনাশকারীদের বিরুদ্ধে। তিনি যুদ্ধ করেছেন ইসলামকে প্রকাশ্যে আনার জন্য।
কিন্তু এখন যুদ্ধ করার কোন প্রশ্ন আসে না। ইসলাম প্রতিষ্ঠা অনেক আগেই হয়েছে। আপনি নামাজ পরেন, আল্লাহর ইবাদাত করেন, দেখেন তো কেউ আপনাকে ধর্মচ্যুত করে নাকি?
আমি তো দেখি না এই আইএস কিংবা জঙ্গিরা ইসলাম প্রচার করে বেধর্মী কে মুসলিম বানিয়েছে, অসহায় এর পাশে দাড়িয়েছে। আজ যখন হাজার হাজার মুসলিম রহিঙ্গা সাগরে ভাসছে, তখন এই মুসলিম লেবাসধারী জঙ্গিরা কি আঙ্গুল চুসছে?
ভাই বুঝতে শিখুন এরা মোটেও কোন ইসলামিক সংগঠন নয়। এদের ছলনায় পা দিয়েন না। এরা ইসলামকে ধ্বংসের খেলায় মেতেছে। এরা ইহুদির দল।
এই আমাদের দেশের কথা ভাবেন?এই দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠা হয়েছে কিভাবে? অলিআউলিয়ারা বেধর্মীকে কোরআনের আলো দেখিয়ে, আল্লাহর সত্যতা তাদের কাছে তুলে ধরে মুসলমান বানিয়েছেন।
জাকির নায়েকের কথা সবাই ই জানেন। তিনি শত-শত বেধর্মী, ভিনধর্মীকে ইসলামের যুক্তি দেখিয়ে, ইসলাম যে শান্তির ধর্ম তা সবার মাঝে তুলে ধরে মুসলমান করেছেন।
ইসলামের শিক্ষা সবার মাঝে তুলে দেয়ার জন্য, অসহায়-দারিদ্র মুসলিম কে সাহায্য করার জন্য পৃথিবীর নানা দেশ বিচরন করে বেরান। নানা সংগঠন-ফোরাম তৈরি করেছেন।
কোথায় তার মাঝে তো জঙ্গিকতা দেখি না।

২ thoughts on “আইএস কিংবা জঙ্গি সংগঠন ইসলাম রক্ষা নয় ধ্বংস করছে

  1. আই এস যদি প্রকৃত ইসলাম না হয়,
    আই এস যদি প্রকৃত ইসলাম না হয়, তারা যদি ইসলামের নামে খুন খারাবি , অমুসলিম নারী ধর্ষন, ইত্যাদি করে থাকে, সে ব্যাপারে দুনিয়ার কোন মুসলমান দেশের আলেম সমাজ থেকে সমন্বিত প্রতিবাদ নেই কেন ? কেন আলেম সমাজ সমন্বিতভাবে ফতোয়া দিচ্ছে না যে , আই এস এর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই ? আমরা তো দেখি শুধু ব্যাক্তিগত ভাবে দুই একজন আলেম প্রতিবাদ করে, তাও অনেকটা ঠেকায় পড়ে, যদি তাদেরকে প্রশ্ন করা হয়, তাহলেই। আগে জানার চেষ্টা করুন , কেন আলেম সমাজ সমন্বিতভাবে আই এসের বিরুদ্ধে কথা বলে না , তারপর আই এস নিয়ে লিখবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *