কোরানের বাণী, কেন এত ফানি? পর্ব ৩: অদৃশ্যে বিশ্বাস করতে হবে


আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লা সুরা বাকারায় বলছেন,

আলিফ লাম মীম। ইহা সেই কিতাব যাহাতে কোনো সন্দেহ নাই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য, যারা অদৃশ্যে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে।

প্রথমেই গোঁজামিল। আলিফ লাম মীম – এর মানে কী তা কেউ জানে না। যার মানে কেউ জানেনা তাকে অর্থহীন বলাই উচিত। যে গ্রন্থ সকল মানুষের উদ্দেশ্যে প্রণীত সে গ্রন্থে এরকম উদ্ভট হুরুফে মুক্বাত্তাত থাকার কী মানে কে জানে।


আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লা সুরা বাকারায় বলছেন,

আলিফ লাম মীম। ইহা সেই কিতাব যাহাতে কোনো সন্দেহ নাই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য, যারা অদৃশ্যে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে।

প্রথমেই গোঁজামিল। আলিফ লাম মীম – এর মানে কী তা কেউ জানে না। যার মানে কেউ জানেনা তাকে অর্থহীন বলাই উচিত। যে গ্রন্থ সকল মানুষের উদ্দেশ্যে প্রণীত সে গ্রন্থে এরকম উদ্ভট হুরুফে মুক্বাত্তাত থাকার কী মানে কে জানে।

তারপরের মহান বাণী, ইহা সেই কিতাব যাহাতে কোনো সন্দেহ নাই। সেই সন্দেহ কি আল্লাহ পাকের নাকি মুহাম্মদের না মুমিন উজবুকদের? এমনভাবে সন্দেহের কথা বলা হচ্ছে যেন আল্লাহপাক নিজেকে প্রবোধ দিচ্ছেন বিশাল সন্দেহের মধ্যে নিমজ্জিত হয়ে। অথবা নিজের বাণী আল্লাহর নামে চালিয়ে দিতে দিতে মুহাম্মদের মধ্যে প্রায়শ যে সন্দেহের দোলাচল কাজ করত তারই বহি:প্রকাশ। নাহলে এমন বিনোদনধর্মী কথাবার্তা এখানে আসবে কেন? এক্কেরে প্রথমেই সন্দেহ, এর নামই কোরান। ২য় পর্বে লেখেছি, আল্লাহ পাক মুহাম্মদকে নিশ্চিত করছেন, তিনি পাগল নন। এখন আবার কোরানের প্রথমে আপনি যখন পড়া শুরু করেছেন মাত্র তখনই নিয়ে এসেছেন সন্দেহের আয়াত। ঠিক যেমন জোকের তেল বিক্রেতা তার মহা-গুণধর ঔষধ জনসমক্ষে প্রদর্শনের আগে যে বক্তৃতা দেয়, আপনাদেরকে এখন যা ঔষধটি দেখাব সেটা সেবন করলে আর কোনো দুর্বলতা থাকবে না!

যেজন্য এটা লেখা। সেটা হচ্ছে অদৃশ্যে বিশ্বাস। কেন কোরানের একদম প্রথমেই এই অদৃশ্যের ব্যাপার-স্যাপার নিয়ে আসা হল? সন্দেহের আয়াতের ঠিক পরেই।

যেহেতু একটু পরেই শুরু হবে অদৃশ্য-অবাস্তব-গাঁজাখুরি বস্তু নিয়ে মহাকীর্তন। আল্লাহপাক নিজেই অদৃশ্য, ফেরেশতা অদৃশ্য, পরকাল অদৃশ্য, জান্নাত-জাহান্নাম সবই অদৃশ্য। আর মুহাম্মদের মৃত্যুর পর তিনিও অদৃশ্য, তার কোনো ছবিও আঁকতে দেন নি কাউকে। আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে আজ থেকে এক দুই বা শত নয়, দেড় হাজার বছর আগে সুদূর মক্কার কোনো এক লোকের সাথে আল্লার ডাইরেক্ট কানেকশন ছিলো। এরকম জিনিসে বিশ্বাস না করলে কিন্তু পুরাই খবর আছে।

এছাড়া বিশ্বাস ব্যাপারটা নিয়েও কথা হোক। বিশ্বাসের প্রয়োজন হয় তখনই যখন তা সম্পর্কে সন্দেহের অবকাশ থাকে। যা প্রমাণ সম্ভব তাকে কেউ বিশ্বাস করতে বলে? আর যে বস্তুতে বিশ্বাস করতে বলা হয় তাতে যেকোনো যুক্তিবাদির সন্দেহ করা উচিত সবার আগেই। ধর্মগুলোতে বিশ্বাসের আদেশ করা হয়, আহবান করা হয় – এগুলো যাচাই করতে বলা হয় না। আপনি যাচাই করেন আর না করেই বিশ্বাস করে ফেললে অনন্ত স্বর্গ। হাশেম মোল্লার ছেলে বাপের দেখে কোরানে হাফেজ হয়ে জান্নাতে হুরি ভোগে চলে যাবে, আর আমরা যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে ইমান হারিয়ে অনন্ত জাহান্নামে। How funny!

মূল প্রসঙ্গে চলে আসি। শাস্ত্রে নির্দেশ থাকলেই অদৃশ্য বিষয়ে আমাদের কি বিশ্বাস স্থাপন করা উচিত? তাহলে আগে দেখি দৃশ্যমান বস্তুতেই আমরা কতটুকু বিশ্বাস স্থাপন করতে পারি।

আমাদের সকল অঙ্গের ব্যাপক ত্রুটি রয়েছে। তাই সব কটি ইন্দ্রিয়তে হেলুসিনেশন হয়। চোখের দেখার মধ্যে অনেক ভুল থাকে, ভিজুয়াল হেলুসিনেশন হয়, ইল্যিউশন হয়। আমরা দড়িকে সাপ ভেবে ভুল করি। ভয়ের মধ্যে থাকলে ভুত দেখে ফেলি এবং পরে ব্যাপক আত্মবিশ্বাসের সাথে তা বলেও বেড়াই। দুটি বস্তুর দৈর্ঘ-প্রস্থের তুলনায় ভুল করি। মরিচীকা দেখি। আবার আমাদের দেখার ভুল আর মস্তিষ্কের অনুধাবনের সমস্যার কারণে pareidolia এর প্রাদুর্ভাব হয়। খ্রিস্টানরা আকাশে, দেয়ালে যিশুকে দেখে ফেলে, হিন্দুরা গরুর দেহে ওম দেখতে পায়, মুসলমানরা মাংসের টুকরোয় আল্লাহ লেখা দেখতে পায় ইত্যাদি।

আবার সূর্যকে আমরা অতি ছোট্ট দেখি, মনে হয় সে যেন চাঁদের তুলনায় খুব একটা বড় নয়। আমরা দেখি সূর্য আর চাঁদ উভয়টাই পৃথিবীকে ঘুরছে। আমরা দেখি সূর্য সাগরে অস্থ যাচ্ছে। আমরা দেখি তারাগুলো বড্ড ছোট আকারের। আমরা দূরের পাহাড়গুলোকে কাছে দেখতে পাই। অর্থাৎ এমনকী দৃশ্যমান বস্তু ও এর সম্পর্কিত ব্যাপারগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা, যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাসযোগ্য নয়, গ্রহণযোগ্য নয়। সেখানে আল্লাহ বলছেন, অদৃশ্যে বিশ্বাস করতে। How funny!

৩৯ thoughts on “কোরানের বাণী, কেন এত ফানি? পর্ব ৩: অদৃশ্যে বিশ্বাস করতে হবে

  1. @বেহুলার ভেলা
    কোরআন যে সময়

    @বেহুলার ভেলা

    কোরআন যে সময় অবতীর্ণ হয়েছে, সে সময়কার ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট জানার চেষ্টা করবেন, এতে আপনার মস্তিষ্কের উন্নতি হবে।

  2. কোরানে যা বলা আছে তা কার বানী
    কোরানে যা বলা আছে তা কার বানী ও কে লিখেছে তার কি কোন সুনির্দিষ্ট আয়াত আপনি পেয়েছেন ? জানার ইচ্ছা থেকেই প্রশ্ন । কোরান যে আল্লাহরই বানী ও আল্লাহ নিজে লিখেছে তার কি সুনির্দিষ্ট আয়াত আছে ?

    1. Allah The Almighty Confirms
      Allah The Almighty Confirms this fact, when He Says (what means):

      • {And if any one of the polytheists seeks your protection, then grant him protection so that he may hear the Words of Allah.} [Quran 9:6]

      • {Those who remained behind will say when you set out toward the war booty to take it, “Let us follow you.” They wish to change the Words of Allah.} [Quran 48:15]

      Those two verses prove that the Quran is the Words and Speech of Allah

          1. আর মুশরিকদের কেউ যদি তোমার
            আর মুশরিকদের কেউ যদি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে তাকে আশ্রয় দেবে, যাতে সে আল্লাহর কালাম শুনতে পায়, অতঃপর তাকে তার নিরাপদ স্থানে পৌছে দেবে। এটি এজন্যে যে এরা জ্ঞান রাখে না। [সুরা তাওবা: ৬]
            তোমরা যখন যুদ্ধলব্ধ ধন-সম্পদ সংগ্রহের জন্য যাবে, তখন যারা পশ্চাতে থেকে গিয়েছিল, তারা বলবেঃ আমাদেরকেও তোমাদের সঙ্গে যেতে দাও। তারা আল্লাহর কালাম পরিবর্তন করতে চায়। বলুনঃ তোমরা কখনও আমাদের সঙ্গে যেতে পারবে না। আল্লাহ পূর্ব থেকেই এরূপ বলে দিয়েছেন। তারা বলবেঃ বরং তোমরা আমাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করছ। পরন্তু তারা সামান্যই বোঝে। [সুরা ফাতাহ: ১৫]
            এই আয়াত দিয়ে কিভাবে প্রমান হয় কোরান আল্লাহর লেখা বা আল্লাহরই বানী ?

    2. কোরানে যা বলা আছে
      তা কার বানী

      কোরানে যা বলা আছে
      তা কার বানী ও কে
      লিখেছে তার কি কোন সুনির্দিষ্ট
      আয়াত আপনি পেয়েছেন ? জানার
      ইচ্ছা থেকেই প্রশ্ন ।

      লোল…. আচ্ছা,আমি যদি আপনাকে বলি আপনি কি যানেন আপনার বাবা কে? উত্তর কি ভাবে দিবেন?

      1. বাবা কে এটা প্রমাণ করার মত
        বাবা কে এটা প্রমাণ করার মত জেনেটিক সায়েন্সে অনেক পদ্ধতি আছে। কাঠমোল্লাদের ওয়াজের কথা সব জায়গায় খাটেনারে ধর্ম পাগল!

        1. বাবা কে এটা প্রমাণ করার মত

          বাবা কে এটা প্রমাণ করার মত
          জেনেটিক সায়েন্সে অনেক পদ্ধতি
          আছে।

          আপনি কি ৫-১৮ বছর বয়স পর্যন্ত আবস্থায়ে জেনেটিক সায়েন্সে দিয়া বাবাকে বাবা বলে বিশ্বাস করতেন?আচ্ছা বলুন তো আজ পর্যন্ত আপনি আপনার বাবার DNA টেস্ট করছেন? যদি না করেন তাহলে কী ভাবে বুঝলেন উনি আপনার বাবা???উত্তর দিন!!

          1. জেনেটিক টেস্টিং ছাড়া আপনি কার
            জেনেটিক টেস্টিং ছাড়া আপনি কার সন্তান সেটা শত ভাগ নিশ্চিত হতে পারেন না। কিন্তু আপনি যে আপনার বাবার সন্তান সেটা নিশ্চিত হওয়ার খুব একটা প্রয়োজনও হয় না। কারণ আপনার প্রয়োজন এমন একটা লোক যে আপনার পেলে-পুষে বড় করবে। তাকেই বাবা বলে জানেন। একটি পরিবারে আমরা দীর্ঘদিন বাবা-মা এর আচার-আচরণ, চিন্তা-ভাবনা দেখার ও বুঝার সুযোগ পাই। তাই তাদের সম্পর্কে মোটামুটি সঠিক ধারণা করতে পারি। কিন্তু তারপরেও পৃথিবীতে অগণিত সন্তান বড় হচ্ছে ভুল বাবা-মা এর দ্বারা।

            এটা কেমন যুক্তি যে আপনি আপনার বাবাকে না দেখে বিশ্বাস করে ফেলেছেন তাই আল্লাহকেও বিশ্বাস করে ফেলতে হবে? আল্লাহকে কি আমরা দেখেছি, তার কথা শুনেছি? কোরানে বা অন্য ধর্ম শাস্ত্রে যেসব আয়াত আছে, শ্লোক আছে সবগুলই নিম্ন শ্রেণীর আবালীয় এবং ক্ষতিকর। এগুলো বরং মানুষের সাথে যোগাযোগকারী ভগবান-আল্লার অস্তিত্বকে অপ্রমাণ করে দেয়।

            একটু মাথা খাটিয়ে কথাবার্তা বলবেন দয়া করে। আপনি নিজে প্রতারিত হয়েছে ধর্মের দ্বারা, অন্যে কেন হলো না সেটা নিয়ে ক্ষোভ দেখাতে হবে কেন?

  3. যা কিছুই বলুন না কেন,আপনার
    যা কিছুই বলুন না কেন,আপনার আগে অনেক বড় বড় মাথা আলা লোকেরা কেউ কিছু করতে পাড়ে নাই,আর আপনিও কিছু করতে পাড়বেন না।মূর্খ লোকের বকবকানি থেকে বাল ছাঁচা অনেক ভাল।

  4. @রিয়াজ খাঁন , স্বাবাভাবিক
    @রিয়াজ খাঁন , স্বাবাভাবিক ভাবে বাবা মা তাদের সরাসরি ব্যবহার দিয়েই বাচ্চাদের কাছে বাবা বা মা হিসাবে পরিচিতি দেন । নাকি আপনি রাস্তার যে কাউকেই বাবা বলে ডাকেন ?

    1. মূর্খ চাষা এইতো লাইনে আইছেন।
      মূর্খ চাষা এইতো লাইনে আইছেন। এখন এই যে সরাসরি ব্যবহার দিয়েই আপনারে আনছে এটা কি আপনি দেখছেন???
      .
      না দেখেন নাই,এটা আপনাকে কে বলছে।আপনার মা বলছে উনি আপনার বাবা!! আর আপনি বিশ্বাস করলে যে উনি আপনার বাবা কি ঠিক তো?

  5. @ রিয়াজ খাঁন ,
    ?
    না দেখেন

    @ রিয়াজ খাঁন ,
    ?

    না দেখেন নাই,এটা আপনাকে কে বলছে।আনার মা বলছে উনি আপনার বাবা!! আর আপনি বিশ্বাস করলে যে উনি আপনার বাবা কি ঠিক তো?

    না শুধু মায়ের কথাতেই বিশ্বাস করি নাই, পাশাপাশি বাপের আচার ব্যবহার দেখার পরে মানছি । আমনে কি শুধু অন্যের কথা শুইনাই কাউরে বাপ ডাকেন নাকি ? আপনার মা যে মিথ্যা বলে নাই তা বুঝেন কি কোরান দেখে ?

    আল্লাহ কবে আইয়া আপনারে কইছে যে তিনি আল্লাহ ? আর না খায়ে থাকলে কি আপনারে এক বেলা খাওইয়াছে ? কার কথা শুইনা আপনারে কারে আল্লাহ বানাইছেন ?

    1. না শুধু মায়ের কথাতেই বিশ্বাস

      না শুধু মায়ের কথাতেই বিশ্বাস করি
      নাই, পাশাপাশি বাপের আচার ব্যবহার দেখার পরে মানছি । আমনে কি শুধু অন্যের কথা শুইনাই কাউরে বাপ ডাকেন নাকি ?

      🙂 মূর্খ চাষা ভাই রেগে গেলেন!!আমার লাইন থেইকা লাফ দিয়া ১০ হাত দূরে পড়ছেন। উনি যে আপনার বাপ তার কি গেরান্টি??
      .
      দেখেন চিন্তা করে!! প্রথমে কে বলল বাবু বাবাকে দেখও!!
      সবটুকু আপার বিশ্বাস।উনি পরিচয়ে দিছেন উনি আপনার বাবা , আর আপনি বিশ্বাস করলেন।দেখেন ভদ্র ভাবে লিখতেছি।
      ﻟَﻢْ ﻳَﻠِﺪْ ﻭَﻟَﻢْ ﻳُﻮﻟَﺪ
      আপনি এর অর্থ যানেন??
      .
      তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।
      তাহলে উনি কেন আপনার খাওয়াবে?আপনাকে খাওয়ার জন্যে ২টা হাত দিছে, কাজ করার জন্যে শক্তি দিয়ে।কেন উনি আপনারে মুখে তুইলা খাওয়াবে?? যদি খাইতে চান তাহলে লাইনে দাড়াই মাড়া যাবেন।কারন সারা বিশ্বের সমস্ত লোক তার হাতেই খাইতে চাইবে। আমি ঠিক বলছি?

    2. না শুধু মায়ের কথাতেই বিশ্বাস

      না শুধু মায়ের কথাতেই বিশ্বাস করি
      নাই, পাশাপাশি বাপের আচার ব্যবহার দেখার পরে মানছি । আমনে কি শুধু অন্যের কথা শুইনাই কাউরে বাপ ডাকেন নাকি ?

      🙂 মূর্খ চাষা ভাই রেগে গেলেন!!আমার লাইন থেইকা লাফ দিয়া ১০ হাত দূরে পড়ছেন। উনি যে আপনার বাপ তার কি গেরান্টি??
      .
      দেখেন চিন্তা করে!! প্রথমে কে বলল বাবু বাবাকে দেখও!!
      সবটুকু আপার বিশ্বাস।উনি পরিচয়ে দিছেন উনি আপনার বাবা , আর আপনি বিশ্বাস করলেন।দেখেন ভদ্র ভাবে লিখতেছি।
      ﻟَﻢْ ﻳَﻠِﺪْ ﻭَﻟَﻢْ ﻳُﻮﻟَﺪ
      আপনি এর অর্থ যানেন??
      .
      তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।
      তাহলে উনি কেন আপনার খাওয়াবে?আপনাকে খাওয়ার জন্যে ২টা হাত দিছে, কাজ করার জন্যে শক্তি দিয়ে।কেন উনি আপনারে মুখে তুইলা খাওয়াবে?? যদি খাইতে চান তাহলে লাইনে দাড়াই মাড়া যাবেন।কারন সারা বিশ্বের সমস্ত লোক তার হাতেই খাইতে চাইবে। আমি ঠিক বলছি?

  6. দেখেন চিন্তা করে!! প্রথমে কে
    দেখেন চিন্তা করে!! প্রথমে কে বলল বাবু বাবাকে দেখও!!
    সবটুকু আপার বিশ্বাস।উনি পরিচয়ে দিছেন উনি আপনার বাবা , আর আপনি বিশ্বাস করলেন।দেখেন ভদ্র ভাবে লিখতেছি।

    হাহাহাহাহা মা যে তার স্বামীকে খুসি করানোর জন্যই আপনাকে তার স্বামীকে বাবা ডাকতে বলে নাই তাই বা বুঝলেন ক্যামতে ? বিশ্বাসই যদি সব হয় তাইলে বাপকে ও আল্লাহকে অবিশ্বাস করা তো খুবই সহজ ।
    মিথ্যাকে বিশ্বাস দিয়ে ধরে রাখতে হয়, সত্য বিশ্বাসের ধার ধারে না । সত্য মেনে নিতে বাধ্য হয় । আমি নিশ্চিত নই আপনি সত্য -এর সংগা জানেন কিনা । আমার ধারনা আপনি শুধু সত্য -এর উদাহরন মুখস্ত করছেন । আর তাই মুখস্তের মধ্যে না হলেই সেটা মিথ্যা ভাবেন ।

  7. @ বেহুলার ভেলা ভাই জান তর্ক
    @ বেহুলার ভেলা ভাই জান তর্ক পড়ে আগে বলেন আপনার এই বেহুলার ভেলা ” নিকটা কেন দিলেন? বেহুলার ভেলা মানে কি

  8. @ বেহুলার ভেলা ভাই জান তর্ক
    @ বেহুলার ভেলা ভাই জান তর্ক পড়ে আগে বলেন আপনার এই বেহুলার ভেলা ” নিকটা কেন দিলেন? বেহুলার ভেলা মানে কি

  9. বিশ্বাসই যদি সব হয় তাইলে

    বিশ্বাসই যদি সব হয় তাইলে বাপকে ও আল্লাহকে বিশ্বাস করা তো খুবই সহজ ।

    ভাই জান আমি সহমত, কিন্তু আপনি দেখেন না কারন আপনি ধর্মান্ধ___ধর্মান্ধ

  10. একটা কথা বলতে চাই যে যার ধর্ম
    একটা কথা বলতে চাই যে যার ধর্ম পালন করো,এবং আপর ধর্মকে সম্মান করো।কে কি করছে সেটা দেখার দরকার নেই,তুমি কি করছেন সেইটা দেখেন।

    অন্যের ধর্মকে সন্মানই যদি করব তাইলে সেইটা পালন করব না কেন ? আমি যা করছি তা নিজের বুদ্ধিতে করছি অন্যের কথা শুনে কিছু করছি না ।
    যদি ধর্মই না থাকতো তাহলে দূনিয়া থাকতো না,আর যারা ধর্মান্ধ তাদের সামনে পাহাড় আনলেও চোখ খুলবে না।

    তার মানে আগে ধর্ম তৈরি হয়েছে পরে দুনিয়া তৈরি হইছে ?

    1. অন্যের ধর্মকে সন্মানই যদি করব

      অন্যের ধর্মকে সন্মানই যদি করব তাইলে সেইটা পালন করব না কেন ?

      আপনার মাথায়ে কিছু আছে নাকি Pk হইছেন।

      তার মানে আগে ধর্ম তৈরি হয়েছে
      পরে দুনিয়া তৈরি হইছে ?

      হ্যা, এটা আপনি মানবেন না,যেহেতু ধর্মের প্রতি আপনার বিশ্বাস নাই।আপনার যে বিজ্ঞান কালকে কথা বলছে কোরআন তা ১৪০০ বছর আগে বলছে। আপনাদের (ধর্মান্ধ) কথা মাত্র কিছু ব্লগে থাকবে,কিন্তু আপনি পাড়বেন না কোরআনে ভূল দেখাতে,যাদি আজ এই পর্যন্ত কেউ পারতো তাহলে তার নাম গিনিজ বুক উঠতো।
      .
      .

  11. … সমাপ্তি
    .
    এই খানেই

    সমাপ্তি
    .
    এই খানেই সমাপ্তি করতে চাই,ফাল্তু কথাবার্ত থেকে দূরে থাকার জন্যে অনেক দিন ইস্টিশনে আসিনি। একটা কথা বলতে চাই যে যার ধর্ম পালন করো,এবং অপর ধর্মকে সম্মান করো।কে কি করছে সেটা দেখার দরকার নেই,তুমি কি করছেন সেইটা দেখেন।
    .
    যদি ধর্মই না থাকতো তাহলে দূনিয়া থাকতো না,আর যারা ধর্মান্ধ তাদের সামনে পাহাড় আনলেও চোখ খুলবে না।

  12. আপনার যে বিজ্ঞান কালকে কথা

    আপনার যে বিজ্ঞান কালকে কথা বলছে কোরআন তা ১৪০০ বছর আগে বলছে।

    দুই একটা উদাহরন দেন দেহি ।

    আপনি পাড়বেন না কোরআনে ভূল দেখাতে,যাদি আজ এই পর্যন্ত কেউ পারতো তাহলে তার নাম গিনিজ বুক উঠতো।

    গ্রীনিজ বুকে নাম না উঠলেও চাপাতির মৃত্যু তালিকায় ঠিকই উঠে ।

  13. দুই একটা উদাহরন দেন দেহি
    .

    দুই একটা উদাহরন দেন দেহি

    .
    ১. কোরআনের চ্যালেঞ
    সকল সংস্কৃতিতে,সাহিত্য ও কবিতা মানুষের ভাব প্রকাশ ও সৃজনশীলতার হাতিয়ার। সাহিত্য ও কবিতা বিশ্বে এক সময় গর্বের মর্যাদা লাভ করেছিল যা বর্তমান যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লাভ করেছে।

    এমনকি অমুসলিম পন্ডিতেরা পর্যন্ত স্বীকার করেছে যে, কোরআন হল সর্বোৎকৃষ্ট আরবী সাহিত্য। ভূপ্রষ্ঠে এর চাইতে শ্রেষ্ঠ সাহিত্য দ্বিতীয়টি নেই। কোরআন মানবজাতিকে এরূপ গ্রন্থ আবিষ্কারের চ্যালেঞ্জ দিয়েছে।

    আল্লাহ বলেনঃ-আমি আমার বান্দার প্রতি যা নাযিল করেছি, এ বিষয়ে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে,তাহলে এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে আস।আল্লাহ ছাড়া তোমাদের সাহায্যকারীদেরকেও সাথে নাও- যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক।আর যদি তা না পার,অবশ্য তোমরা তা কখনও পারবেনা,তাহলে,সে দোযখের আগুন থেকে পানা চাও,যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। সূরা বাকারা-২৩-২৪
    .
    কোরআন তার যে কোন একটি মাত্র সূরার মত অনুরূপ আরেকটি সূরা তৈরির চ্যালেঞ্জ দিয়েছে। কোরআনে বহুবার একই ধরণের চ্যালেঞ্জের পুনরাবৃত্তিও হয়েছে। বর্তমান কাল
    পর্যন্ত কোরআনের সূরার মত সৌন্দর্য, অলংকার, গভীরতা ও অর্থের দিক থেকে সমমানের আরেকটি সূরা চ্যালেঞ্জ অপূরণকৃত রয়ে গেছে। বর্তমান যুগের কোন লোক পৃথিবী চেপ্টা এ মর্মে সর্বোত্তম কাব্যিক ভঙ্গীতে কোন ধর্মীয় পুস্তকের বক্তব্যকে মেনে নেবে না। কেননা, আমরা যে যুগে বাস করছি, সে যুগে মানবিক কারন, যুক্তি ও বিজ্ঞানকে প্রাধান্য দেয়া হয়। কোরআনের অতি চমকপ্রদ ও সুন্দর ভাষার জন্য অনেকেই একে ঐশী গ্রন্থ হিসাবে মেনে নিতে চাইবে না। কোন ঐশী গ্রন্থের দাবীদার কে অবশ্যই যুক্তি ও কারণের শক্তির দিক থেকে ও গ্রহণযোগ্য হতে
    হবে।
    .
    প্রখ্যাত নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থ বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনেষ্টাইন বলেছেনঃ বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অন্ধ। আসুন আমরা কোরআন নিয়ে গবেষনা চালাই যে,তা বজ্ঞানের সাথে সামজ্ঞস্যপূর্ন না অসামজ্ঞস্যপূন্য। কোরআন কোন বিজ্ঞান গ্রন্থ নয়, বরং নিদর্শন গ্রন্থ। এতে ৬ হাজার নিদর্শন (আয়াত) আছে। এক হাজারেরও বেশী আয়াতিজ্ঞানের মূল বিষয় বসতু নিয়ে আলোচনা করেছে।

    আমরা সকলে জানি যে, বিজ্ঞান অনেক সময় সিদ্বান্ত পরিবর্তন করে। এই পুস্তিকায় আমি কেবল বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত সত্য (Fact) নিয়ে আলোচনা করবো, কল্পনা বা ধারনার উপর নির্ভরশীল তত্ত্ব নয়, যা প্রমানিত হয়নি।
    .
    . ২. জ্যোতিষ শাস্ত্র বিশ্ব সৃষ্টি ও মহা বিস্ফোরণ (বিগ ব্যাংগ)
    .
    বিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে জ্যোতিবিদের প্রদত্ত ব্যাখ্যা ব্যাপকহারে গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে নভোচারী ও জ্যোতিবিদদের সংগৃহীত ও পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষামূলক উপাত্ত দ্বারাও তা সমর্থিত হয়েছে। মহা বিস্ফোরণ তত্ত অনুযায়ী মহাবিশ্ব ছিল প্রথমে একটি বিশাল নীহারিকা। পরে ২য় পর্যায়ে তাতে এক বিরাট বিস্ফোরণ ঘটে। ফলে ছায়া পথ তৈরী হয়। এগুলো পরে তারকা, গ্রহ, সূর্য ও চন্দ্র ইত্যাদিতে রুপান্তরিত হয়। বিশ্বের সূচনা বিষ্ময়কর এবং দৈবক্রমে তা ঘটার সম্ভাবনা শূন্য পর্যায়ে।

    পবিত্র কোরআন মহাবিশ্বের সৃষ্টি সম্পর্কে নিম্নোক্ত আয়াতে বলেছে, “কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মূখ বন্ধ ছিল, তারপর আমি ঊভয়কে খুলে দিলাম।” – সূরা আম্বিয়া-৩০
    .
    ড: জাকির আবদুল করিম নায়েক
    .
    আরো লাগবে???

  14. “কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে

    “কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মূখ বন্ধ ছিল, তারপর আমি ঊভয়কে খুলে দিলাম।” – সূরা আম্বিয়া-৩০

    ইহা কি পূর্বে কোন কন্ডম জাতিয় বেলুন ছিল যে তাহার মুখ খুলিয়া দিতে হইবে ?

    প্রখ্যাত নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থ বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনেষ্টাইন বলেছেনঃ বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অন্ধ।

    উনি কি ইসলাম ধর্মের কথা বলিয়াছেন ? নাকি পদার্থের ধর্মের কথা বলিয়াছেন ?

    আল্লাহ বলেনঃ-আমি আমার বান্দার প্রতি যা নাযিল করেছি, এ বিষয়ে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে,তাহলে এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে আস।আল্লাহ ছাড়া তোমাদের সাহায্যকারীদেরকেও সাথে নাও- যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক।আর যদি তা না পার,অবশ্য তোমরা তা কখনও পারবেনা,তাহলে,সে দোযখের আগুন থেকে পানা চাও,যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। সূরা বাকারা-২৩-২৪

    নিশ্চয় আপনি একটা নজরুল গীতি লিখিতে পারিবেন না । লিখিলে তাহা নজরুল গীতি হইবে না তা শিশুরাও বোঝে , বোঝেন না আপনারা ।

  15. এইখানে আমরা প্রশ্ন তুলছি
    এইখানে আমরা প্রশ্ন তুলছি আল্লাহ এর অস্তিত্ব নিয়ে, আর অনেকেই আল্লাহ-এর রেফেরেন্স দিয়ে যাচ্ছেন। আগে ত বুজতে হবে যে, আল্লাহ বলে আসলে কেউ ছিল কিনা !!! তারপর তার বানী নিয়ে আলাপ করা যাবে।

    একজন বল্লেনঃ “কোরআন যে সময় অবতীর্ণ হয়েছে, সে সময়কার ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট জানার চেষ্টা করবেন”। এইটা একটা common dialogue (মডারেট মুসলিম দের খুব প্রিও বাক্য এটা). যুক্তির খেই হারিয়ে ফেল্লেই এইটা বলেন উনারা। যিনি এই article লিখেছেন, তিনি কি reference না দেখেই লিখেছেন? আর সেটা যদি সন্দেহ থাকে তো লেখকের কাছে reference চান, তাহলেইত হয়। সেটা না করে উনারা ধারনা করে আছেন যে লেখক ইসলামের ইতিহাস জানেননা। Funny, is not it? আচ্ছা মানলাম, লেখক না হই জানেন না, উনারা তো জানেন, উনারা তাহলে একটা article লিখুন না? মানুষ কে দ্বীনের পথে নিয়ে আসুন না? যাই হোক, দুইটা ছোট প্রশ্ন দিয়ে শেষ করি (প্রশ্ন টা দ্বীনী ভাইদের জন্য)ঃ
    – Hubal God কে ছিলেন, জানেন তো?
    – Allat (اللآت), al-‘Uzza (العزة) and Manat (مناة) ? এদের নাম শুনেসেন নিশ্চই?

    না জানা থাকলে গুগল করেন।

    [পরিশেষঃ লেখক ভাই, email address টা দিলাম না। হাজার হোক, ইসলাম তো শান্তির ধর্ম, শেষে যদি আমারে কুপাইয়া শান্তি স্থাপন করা হই, তাহলেই হইছে ভাই… জানের ডর আছে ত]

  16. “হাজার জন জ্ঞানীর সাথে

    “হাজার জন জ্ঞানীর সাথে যুক্তিতর্কে হয়তো আমি জিতে যাব, কিন্তু একজন মূর্খের সাথে আমি কখনোই পেরে উঠবো না।”

    — ইমাম শাফিঈ (রাহিমাহুল্লাহ)

    দূরমিয়া কারে কি কই,মূর্খ আবার মাথায়ে কিছু আছে নাকি!!!
    মিয়া চাষা মানুষ, বলদ নিয়া থাকেন ধর্মের বানী আপনার মাথায়ে ঢুকবে না 🙂 🙂 🙂

  17. দূরমিয়া কারে কি কই,মূর্খ আবার

    দূরমিয়া কারে কি কই,মূর্খ আবার মাথায়ে কিছু আছে নাকি!!!
    মিয়া চাষা মানুষ, বলদ নিয়া থাকেন ধর্মের বানী আপনার মাথায়ে ঢুকবে না খুশি খুশি খুশি

    ইসলামে চাষাবাদ নিষেধ –এইটা জানেন তো ? প্রশ্ন দিলে উত্তর দেওয়া না শিখলে তাকে শিক্ষিত বলে নাকি ?

  18. নিশ্চয় আপনি একটা নজরুল গীতি

    নিশ্চয় আপনি একটা নজরুল গীতি লিখিতে পারিবেন না । লিখিলে তাহা নজরুল গীতি হইবে না তা শিশুরাও বোঝে , বোঝেন না আপনারা ।

    .
    .আলু আলু…… যে নজরুলের কথা বলছে তার জীবনি জানেন?

    নজরুল এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রাথমিক শিক্ষা ছিল ধর্মীয়। স্থানীয় এক মসজিদে সম্মানিত মুয়াযযিন হিসেবে কাজও করেছিলেন।

  19. নজরুল এক দরিদ্র মুসলিম

    নজরুল এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রাথমিক শিক্ষা ছিল ধর্মীয়। স্থানীয় এক মসজিদে সম্মানিত মুয়াযযিন হিসেবে কাজও করেছিলেন।

    তাকে কাফের হিসাবে ঘোসনা দিয়ে কল্লা ফেলানোর ঘোসনা দেওয়া হইছিল সেইটা চাইপা গেলেন কেন ? পরে তিনি হাম নাদ লিখে কোন মতে রক্ষা পাইছেন । ইতিহাস বলতে হলে পুরাটাই বলা শিখুন ।

    কোরান কিভাবে আল্লাহর বানী হলো ও সেটার প্রথম লেখক কে ছিল ? –এই মূল প্রশ্নের জবাব কিন্তু এখনও দেন নাই । কোরান থেকে তথ্য দিয়ে প্রমান করুন কোরান আল্লাহর বানী । খামাখা প্যাচায়ে লাভ নাই ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *