তিস্তাপারের কৃষকরা আনন্দে আত্মহারা

হঠাৎ যেন ঈদের খুশির মতই আনন্দ ধরে রাখতে পারছে না তিস্তাপারের কৃষকরা। যেখানে পানি স্বল্পতার কারণে প্রায় মরুভূমিতে পরিণত হয়েছিল তিস্তা, সেচ খালগুলো শুকিয়ে কাঠ হয়েছিল। হঠাৎ তিস্তায় পানি বাড়ায় মহাখুশি তারা। যেন স্বপ্নের মত আচমকা উজান থেকে আসা ঢলে বাড়তে থাকে পানি। তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে গড় পানি প্রবাহ ১ হাজার ৪২১ কিউসেক। হঠাৎ পানি বৃদ্ধিতে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্পের প্রধান সেচ খাল থেকে শাখা খাল পর্যন্ত এখন পানিতে টইটম্বুর। পানি বাড়ছে নদীতেও। আর এ পানি পেয়ে উচ্ছ্বসিত এ অঞ্চলের কৃষকরা। এ প্রবাহ অব্যাহত থাকলে অতিরিক্ত ফসল ফলানোর স্বপ্ন দেখছেন তারা। গত বছর এ সময়ে তিস্তায় পানি পাওয়া গিয়েছিল ২০০ থেকে ৩০০ কিউসেক। সে অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এবার ১৮ হাজার ৫০০ হেক্টর কমিয়ে ১০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রায় ২ মাস ধরে তিস্তায় প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ কিউসেক পানি পাওয়া গেছে। তবে সম্প্রতি তা কমতে কমতে ৫০০ কিউসেকে এসে দাঁড়ায়। যদিও প্রকৃতপক্ষে (স্বাভাবিকভাবে) এ সময় ৫ থেকে ৬ হাজার কিউসেক পানি থাকার কথা। অতিরিক্ত পানি পাওয়ায় ১৫ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এ বছর লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে দ্বিগুন ফসল ফলানো সম্ভব ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *