ইন্ডিয়ান বাংলা চলচ্চিত্রে বাঙালীর পবিত্র জাতীয় সংগীতের অবমাননা

গহনার বক্স টাইটেলে নির্মিত একটি ইন্ডিয়ান চলচিত্রে, ১৯৪৭ সাল বা তৎকালীন কিছু কুলাঙ্গার কতৃক হিন্দু নির্যাতন(যদিও ইন্ডিয়াতে বিহারী, বাঙালী, পাঞ্জাবী মুসলিমদের এর চেয়ে কয়েক শ্ত গুণ বেসি নির্যাতন করা হয়েছিল বা এখনো চলছে ) অতপর তাদের ইন্ডিয়া চলে যাওয়া, ১৯৭১ সালে পাকিস্থানিদের সাথে আমাদের যুদ্ধ ইন্ডিয়া সরকার, ইন্ডিয়ান কম্যুনিস্ট পার্টির সহায়তা ইত্যাদি তুলে ধরে কিছুটা কমেডি টাইপের একটা চলচিত্র এটি।


গহনার বক্স টাইটেলে নির্মিত একটি ইন্ডিয়ান চলচিত্রে, ১৯৪৭ সাল বা তৎকালীন কিছু কুলাঙ্গার কতৃক হিন্দু নির্যাতন(যদিও ইন্ডিয়াতে বিহারী, বাঙালী, পাঞ্জাবী মুসলিমদের এর চেয়ে কয়েক শ্ত গুণ বেসি নির্যাতন করা হয়েছিল বা এখনো চলছে ) অতপর তাদের ইন্ডিয়া চলে যাওয়া, ১৯৭১ সালে পাকিস্থানিদের সাথে আমাদের যুদ্ধ ইন্ডিয়া সরকার, ইন্ডিয়ান কম্যুনিস্ট পার্টির সহায়তা ইত্যাদি তুলে ধরে কিছুটা কমেডি টাইপের একটা চলচিত্র এটি।

এই চলচিত্রেরে প্রধান নারী অভিনেত্রির ভুমিকায় অভিনয়কারি ফরিদপুর জিলার বাঙ্গালী বংসদ্ভুত একজন ইন্ডিয়ান হিসেবে চিত্রিত হয়েছেন। বিরতির পরে এখানে সেই নারী অভিনেত্রি মুক্তিযুদ্ধা ভুমিকায় একজন পুরুষের সাথে অশ্লীল চুম্মুনের দৃশ্যে ও অতি আবেদনময় চিত্রায়িত হয়েছে। এই চিত্রের ব্যাকগ্রাউন্ড সংজ্ঞিত হিসেবে আমাদের পবিত্র জাতীয় সঙ্গীত ব্যাবহার করা হয়। এবং এই চরিত্রে শুরুতে বিখ্যাত বাঙালী কবি জীবন আনন্দ দাসের “আবার আসিব ফিরে ধান সিঁড়িটির তিরে কবিতাটি ব্যাবহার করা হয়”

আমি অবাক হই যে বাংলাভাষী ইন্ডিয়ানরা এত সাহস পায় কিভাবে? আমাদের জাতীয় সঙ্গীত তাদের নিকট এমন হেয়ালি মনে হয় কিভাবে?

একটি রক্ষনশীল জাতী হিসেবে ঐ ভারতীয় কুলাঙ্গারদের এহেন কর্মের কি কোন প্রতিবাদ চাইতে পারি না। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের সংস্কৃতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে?

২ thoughts on “ইন্ডিয়ান বাংলা চলচ্চিত্রে বাঙালীর পবিত্র জাতীয় সংগীতের অবমাননা

  1. ভারতের তথাকথিত বাঙালিরা এখন
    ভারতের তথাকথিত বাঙালিরা এখন হিন্দুস্তানি হয়ে গেছে । শুধু তাই নয়, ওঁরা এখন আর মানুষের পর্যায়ে পড়ে না । তাঁদেরকে বাংলাদেশে বিরোধী বানাতে আমাদের দেশের জামাতী ও মৌলবাদীদেরও বড় ভুমিকা রয়েছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *