বাংলার তাত্ত্বিক রাষ্ট্র-চিন্তুক সিরাজুল আলম খান

বাংলাদেশের রহস্যজনক তাত্ত্বিক রাষ্ট্র-চিন্তুক সিরাজুল আলম খান অসুস্থতার সুযোগে দীর্ঘদিন পর আবার আলোচনায় এসেছেন। এই প্রজন্মের অনেকেই হয়ত রাজনীতির রহস্যজনক এই মহা পুরুষকে চিনেন না। কথিত আছে মুক্তিযুদ্ধের পটভুমি থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত যে কোন রাজনৈতিক সংকটে ‘সিরাজুল আলম খান’র কোন না কোন ভুমিকা আছেই। সর্বশেষ তিনি আলোচনায় এসেছিলেন ১/১১-এর রাজনৈতিক সংকটের সময়। ধারণা করা হয় ১/১১-এর পটভুমিতে সিরাজুল আলম খানের ভুমিকা ছিল অন্যতম। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটে তার একটা উল্লেখযোগ্য ভুমিকা থাকবে বলে অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের ধারণা। রাষ্ট্র-চিন্তক বলে খ্যাত এই রহস্যময় রাজনৈতিক গুরু গত বৃহঃস্পতিবার মধ্য রাতে অসুস্থ হয়ে ল্যাব-এইড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন বলে তার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক পরামর্শক হিসাবে গোপনে কাজ করেন বলে অনেকে ধারনা করেন। বাংলাদেশের রাজনীতির সাথে ছাত্রজীবনে তার সংশ্লিষ্টতার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নীচে পেশ করা হল। এই সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে অনুমান করতে পারবেন রাজনীতির এই মহাপুরুষের বাংলাদেশের রাজনীতিতে কতটুকু প্রভাব ছিল এবং বর্তমানে আছে।



ছাত্র জীবনের সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক কর্মকান্ডের বিবরণঃ

সিরাজুল আলম খান মেধাবী ছাত্র হিসাবে শিক্ষায়তনে সুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসাবে তিনি ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং পরবর্তীকালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হন। ১৯৬৩-’৬৪ এবং ১৯৬৪-’৬৫ এই দুই বছর তিনি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি বাঙালির ‘জাতীয় রাষ্ট্র’ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষে ১৯৬২ সনে গোপন সংগঠন ‘নিউক্লিয়াস’ গঠন করেন। নিউক্লিয়াস ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ নামেও পরিচিত। এই উদ্যোগে তাঁর প্রধান সহকর্মী ছিলেন আবদুর রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমেদ। ১৯৬২-’৭১ পর্যন্ত ছাত্র আন্দোলন, ৬-দফা আন্দোলন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার আন্দোলন, ১১-দফা আন্দোলন পরিকল্পনা ও কৌশল প্রণয়ন করে এই ‘নিউক্লিয়াস’। আন্দোলনের এক পর্যযে গড়ে তোলা হয় ‘নিউক্লিয়াসে’র রাজনৈতিক উইং বি.এল.এফ এবং ‘জয় বাংলা বাহিনী’। স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে ‘জয় বাংলা’ সহ সকল স্লোগান নির্ধারণ এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে “…এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” বাক্যসমূহের সামরিক সংযোজনের কৃতিত্ব ‘নিউক্লিয়াসে’র। এইসব সিদ্ধান্ত গ্রহণে সিরাজুল আলম খানের ভুমিকা ছিল মুখ্য। ’৬৯-’৭০ সনে গন-আন্দোলনের চাপে ভেঙে পড়া পাকিস্তানী শাসনের সমান্তরালে ‘নিউক্লিয়াসে’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংগঠন করা হয় ছাত্র-ব্রিগেড, যুব-ব্রিগেড, শ্রমিক-ব্রিগেড, নারী-ব্রিগেড, কৃষক-ব্রিগেড, সার্জেন্ট জহুর বাহিনী। এদের সদস্যরা এ ভেঙ্গে পড়া পাকিস্তানী শাসনের পরিবর্তে যানবাহন চলাচল, ট্রেন-স্টীমার চালু রাখা, শিল্প-কারখানা উৎপাদন আব্যাহত রাখা এবং থানা পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খ্লা রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করে। নিউক্লিয়াসের সদস্যদের দ্বারা এইসব দূরুহ কাজ সম্পাদনের জন্য কৌশল ও পরিকল্পনাও ‘নিউক্লিয়াসে’র। ১৯৭০-’৭১ সন নাগাদ বি.এল.এফ এর সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ হাজারে। এদের প্রত্যেকেই মুক্তি্যুদ্ধ চলাকালে উন্নত সামরিক ট্রেনিং প্রাপ্ত হন এবং ‘মুজিব বাহিনী’ নামে কার্যক্রম পরিচালনা করে। প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের অধীনস্হ ১১টি সেক্টরের পাশাপাশি ৪টি সেক্টরের বিভক্ত করে বি.এল.এফ-এর সশস্ত্র সংগ্রামের পরিকল্পনা ও কৌশল ছিল কেবল ভিন্ন ধরনের নয়, অনেক উন্নতমানের এবং বিজ্ঞানসম্মত। বি.এল.এফ-এর চার প্রধান ছিলেন সিরাজুল আলম খান, শেখ ফজলুল হক, আব্দুর রাজ্জক এবং তোফায়েল আহমেদ। ১৯৭১ সনের ১লা মার্চ ইয়াহিয়া খান আকস্মিকভাবে নির্বাচিত পাকিস্তান জাতীয় উদ্বোধনী সভা স্হগিত ঘোষণার পর পরই ২রা মার্চ বাংলাদেশর প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীত নির্ধারণসহ ৩রা মার্চ ‘স্বাধীন বাংলার ইশ্‌তেহার’ ঘোশণার পরিকল্পনাও ‘নিউক্লিয়াসে’র। বাংলাদেশের স্বাধীনতার লক্ষ্যে এই দুটি কাজ ছিলো প্রথম দিকনির্দেশনা। আর এই দুই গুরুদায়িত্ব পালন করেন যথাক্রমে আ স ম আবদূর রব এবং সাজাহান সিরাজ। ১৯৭০ সনের নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের নির্বাচিত করার দায়িত্ব পালন করে বি.এল.এফ। নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে গণ-আন্দোলনে গড়ে ওঠা জনমতকে সাংবিধানিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে গণরায়ে পরিণত করার এই কৌশলও নির্ধারণ করে বি.এল.এফ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সানন্দে এই সিদ্ধান্ত মেনে নেন। আন্দোলন, নির্বাচন, সমান্তরাল প্রশাসন এবং আসন্ন সশস্ত্র সংগ্রামকে হিসাবে নিয়ে বিভিন্ন বাহিনী গড়ে তোলার কৃতিত্ব সিরাজুল আলম খানের।

১৯৭১ সনে স্বাধীনতার পর আন্দোলন-সংগ্রামের রূপ ও চরিত্র বদলে যায়। সিরাজুল আলমের পরিকল্পনায় গড়ে ওঠে একমাত্র বিরোধী দল ‘জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল’-জাসদ। ১৯৭৫ সনের ৭ই নভেম্বরে অনুষ্ঠিত ‘সিপাহী জনতার গণ-অভ্যুত্থান’ বাঙ্গালির জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। জাসদ গঠন এবং ‘সিপাহী জনতার গণ-অভ্যুত্থান’ এর নেপথ্য পরিকল্পনাকারী ছিলেন সিরাজুল আলম খান। আর এই দুটি বৃহৎ ঘটনার নায়ক ছিলেন মেজর জলিল, আ স ম আবদুর রব এবং কর্ণেল আবু তাহের।

সিরাজুল আলম খান ভিন্ন ভিন্ন তিন মেয়াদে প্রায় ৭ বছর কারাভোগ করেন। সিরাজুল আলম খানের বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রী অঙ্ক শাস্ত্রে হলেও দীর্ঘ জেল জীবনে তিনি দর্শন, সাহিত্য, শিল্পকলা, রাজনীতি-বিজ্ঞান, অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সমাজ বিজ্ঞান, পরিবেশ বিজ্ঞান, সামরিক বিজ্ঞান, মহাকাশ বিজ্ঞান, সংগীত, খেলাধুলা সম্পর্কিত বিষয়ে ব্যাপক পড়াশোনা করেন। ফলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের উপর গড়ে উঠে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য এবং দক্ষতা। সেই কারণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক নিযুক্ত হন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন রাজ্যের অসকস বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯৬-’৯৭ সনে। আর্থ-সামাজিক বিশেষনে সিরাজুল আলম খানের তাত্বিক উদ্ভাবন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়। মার্কসীয় ‘দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদে’র আলোকে বাংলাদেশের জনগণকে শ্রমজীবী-কর্মজীবী-পেশাজীবী হিসাবে বিভক্ত করে ‘রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক’ মডেল হাজির করেছেন সিরাজুল আলম খান। চিরাচরিত পার্লামেন্টারী ধাঁচের ‘অঞ্চল ভিত্তিক’ প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি শ্রম,কর্ম, পেশায় নিয়োজিত সমাজ শক্তি সমূহের ‘বিষয় ভিত্তিক’ প্রতিনিত্বের ব্যবস্থা সংবলিত ‘দুই কক্ষ’ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট গঠন, ফেডারেল সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন, বাংলাদেশকে কয়েকটি প্রদেশে ভাগ করে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন এবং প্রাদেশিক সরকার গঠন, উপজেলা পর্যায়ে স্ব-শাসিত স্থানীয় সরকার পদ্ধতি চালু করার মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ-পাকিস্তানী ঔপনিবেশিক আইন ব্যবসা ও শাসন কাঠামোর পরিবর্তে স্বাধীন দেশের উপযোগী শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার মডেল উত্থাপন করেন তিনি। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা সমূহের স্বীকৃতির প্রয়োজনও তাঁর চিন্তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশকে শিল্পায়ন করার লক্ষ্যে প্রবাসীদের অর্থায়নে ‘উপজেলা শিল্প এলাকা’ এবং ‘পৌর শিল্প এলাকা’ গঠন করার তাঁর প্রস্তাব ইতোমধ্যেই সবার দৃষ্টি আকর্ষন করেছে। নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘মাইক্রো ক্রেডিট’ ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং ‘সামাজিক ব্যবসা’ (Social Business) এর সমর্থক তিনি। ৬৭ বছর বয়স্ক সিরাজুল আলম খান এখন দেশে-বিদেশে ‘রাজনৈতিক তাত্বিক ব্যক্তিত্ব’ হিসেবে পরিচিত।

তাঁর দীর্ঘ ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য ছাত্র-যুব নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক এক বিষ্ময়কর ব্যাপার। রাজনৈতিক তত্ত্ব উদ্ভাবন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন মডেল প্রণয়নে তাঁর প্রধান সহযোগীরা হলেন ড. জিল্লুর রহমান খান, প্রফেসর রাজিয়া আহমেদ এবং মহিউদ্দিন আহমদ।

ব্যক্তিগত জীবনে সিরাজুল আলম খান অবিবাহিত।

৯ thoughts on “বাংলার তাত্ত্বিক রাষ্ট্র-চিন্তুক সিরাজুল আলম খান

  1. পেছন থেকে এতো কলকাঠি নাড়ে,
    পেছন থেকে এতো কলকাঠি নাড়ে, অথচ উনার কথা তেমন একটা আলোচনায় আসে না। এই পোস্টের মাধ্যমে অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ পোস্টের জন্য। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  2. নিউক্লিয়াস বেপারটাই তো আগে
    নিউক্লিয়াস বেপারটাই তো আগে জানতাম না।অনেক এডভেঞ্চারাস বেপার ছিল সেটা হয়তবা।যে ধরনের প্রতিভার বর্ণনা পড়লাম সেই ভাবে ইতিহাসের পাতায় ভদ্রলোক কে পাইনি।সেটা আমার ইতিহাস জ্ঞ্যানের সিমাদ্ধতা হতে পারে।যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বিরোধী দল গঠনের কারনেই কি তাঁকে আমরা সেভাবে পাইনি ইতিহাসে?

  3. সেটা আমার ইতিহাস জ্ঞ্যানের

    সেটা আমার ইতিহাস জ্ঞ্যানের সিমাদ্ধতা হতে পারে।

    না, এটা আপনার সীমাবদ্ধতা না। এটা ইতিহাসের সীমাবদ্ধতা। আমি বলছি না সিরাজুল আলম খান একজন বিশাল মহামানব। কিন্তু বাংলাদেশের সকল প্রকার রাজনৈতিক দুর্যোগের সাথে তিনি জড়িত। পজিটিভ নেগেটিভ সব ক্ষেত্রেই তিন জড়িত ছিলেন বলে অনেকের ধারনা। সেই হিসাবে আমাদের ইতিহাস বেত্তাদের সিরাজুল আলম খানের তথ্য আমাদেরকে না জানানোর দায়ভার নিতেই হবে।

    যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বিরোধী দল গঠনের কারনেই কি তাঁকে আমরা সেভাবে পাইনি ইতিহাসে?

    এটি একটি প্রধান কারণ বলতে পারেন। তবে স্বাধীনতার পরে বাংলাদের সব সরকারের সাথেই তার সু-সম্পর্ক ছিল বলেই জানি।

  4. এই ‘নিউক্লিয়াস” শব্দটি খুব
    এই ‘নিউক্লিয়াস” শব্দটি খুব পুরানো নয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার কৃতিত্ব নেয়ার জন্য ইঁদুর দৌড় নুতুন নয়। কে জাতীয় পতাকার নক্সা করেছিলেন,কে প্রথম তা বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দিয়েছিলেন,কে প্রথম জাতীয় পতাকা সেলাই করেছিলেন,কে জয় বাংলা প্রথম বলেছিলেন,ইত্যাদি। কিন্তু একটি কথা কি আমরা মনে রাখি যে এসব নিউক্লিয়াস ফিউক্লিয়াস এর কোণই মূল্য থাকত না যদি না বঙ্গবন্ধু সন্মতি না দিতেন?। সাফল্যের দাবীদার জনগন,সঠিক ইতিহাস জানার অধিকার সবার আছে।,কিন্তু মনে রাখতে হবে ৬৯-৭১ এ বঙ্গবন্ধুর কথাই ছিল আসল,আর সব ছিল সহায়ক শক্তি। বঙ্গবন্ধুর কথা ছাড়া তখন কারো কথার ই কোন মূল্য ছিল না যদি না বঙ্গবন্ধু তা মঞ্জুর না করতেন। এখন সিরাজুল আলম খান কেন?… এরকম অনেকেই রাজনইতক দলাচালে অনেক কিছু কামিয়েছেন, এদের মাঝে আহমদ ছফা,থেকে অধুনা ফরহাদ মাঝার ও আছেন। বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের(!) সপ্ন দ্রষ্টা সিরাজুল আলম খানরা যে গণবাহিনী করেছিলেন সেই গণবাহিনী আজ ডাকাতি করে খায়,আগেও তাই করেছে। এরা হল(সিরাজুল আলম খান ) যুবকদের সপ্ন দেখিয়ে প্রতারিত করেছে বিপ্লবের নামে। পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বগলে সাদা মেয়ে নিয়ে ফূরতি করেছে। এদের প্রকাশ্যে ফাঁসি দেয়া উচিৎ।

  5. “নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী
    “নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘মাইক্রো ক্রেডিট’ ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং ‘সামাজিক ব্যবসা’ (Social Business) এর সমর্থক তিনি”

    ——————-এই কথাটা মোটামুটি হাসিয়েই ফেললো। :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *