হায়রে পুলিশ…হায়রে দুর্নীতি

আমাদের এলাকার এক নিরীহ স্কুল শিক্ষকের
জমিতে জোরপূর্বক দখল করে বাড়িঘর নির্মাণ
করেছে কিছু লোক। শিক্ষকটি তাদের সাথে
কোন ঝামেলায় না গিয়ে পুলিশের সাহায্য চায়।
পুলিশ আশে এবং অপরাধীদের কয়েকজনকে
গ্রেফতারও করে। যাওয়ার সময় সেই শিক্ষকের
নিকট থেকে প্রায় দশ হাজারের মত টাকা ঘুষ নেয়
যা আমার নিজের চোখে দেখা। আসামীকে
নিয়ে রাস্তা পর্যন্ত যাওয়ার পর আসামী বলে সে
বিশ হাজার টাকা দিবে তাকে যেন পুলিশ ছেড়ে
দেয়। তো পুলিশ ঘুষ নিয়ে সেই আসামিকেও
ছেড়ে দিলো যা আমার নিজের চোখে দেখা।
আবার থানায় গিয়ে দেখা গেলো কি সুন্দর দৃশ্য।
যে পুলিশ আসামী ধরার জন্য বাইরে যায় ফেরার

আমাদের এলাকার এক নিরীহ স্কুল শিক্ষকের
জমিতে জোরপূর্বক দখল করে বাড়িঘর নির্মাণ
করেছে কিছু লোক। শিক্ষকটি তাদের সাথে
কোন ঝামেলায় না গিয়ে পুলিশের সাহায্য চায়।
পুলিশ আশে এবং অপরাধীদের কয়েকজনকে
গ্রেফতারও করে। যাওয়ার সময় সেই শিক্ষকের
নিকট থেকে প্রায় দশ হাজারের মত টাকা ঘুষ নেয়
যা আমার নিজের চোখে দেখা। আসামীকে
নিয়ে রাস্তা পর্যন্ত যাওয়ার পর আসামী বলে সে
বিশ হাজার টাকা দিবে তাকে যেন পুলিশ ছেড়ে
দেয়। তো পুলিশ ঘুষ নিয়ে সেই আসামিকেও
ছেড়ে দিলো যা আমার নিজের চোখে দেখা।
আবার থানায় গিয়ে দেখা গেলো কি সুন্দর দৃশ্য।
যে পুলিশ আসামী ধরার জন্য বাইরে যায় ফেরার
পর তার পকেট থেকে বড় বড় টাকার বান্ডিল
বের হতে দেখা যায়। যা আমার নিজের
স্বচোক্ষে দেখা। প্রায় চার দিন আগের কথা
আমার বাসার পাশেই ৩ জন ইয়ারা ব্যবসায়ীকে পুলিশ
গ্রেফতার করে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে। দৈনিক
যুগান্তরের একজন প্রতিনিধি সেখানে ছিলো তা
হয়তো পুলিশ খেয়াল করে নাই। ইয়াবা
ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে তার বাবা-ভাইদের
পুলিশ গোপনে বলে যায় কাল থানায় ৫০ হাজার টাকা
নিয়ে গিয়ে তাকে নিয়ে আসবেন। কিন্তু পরের
দিন দৈনিক যুগান্তরে এটা নিয়ে খবর প্রকাশ হওয়ার
পর পুলিশ আর তাকে ছাড়ে নাই। ইয়ারা ব্যবসায়ীর
বাবা ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেলে বলে এটা তো
সংবাদ মাধ্যমে জেনে গেছে তাকে তাকে
আদালত থেকে জামিন ছাড়া ছাড়তে পারবে না।
তাকে আর বলে আপনার ছেলেকে বলবেন
সে ইয়ারা ব্যবসা করে যে টাকা পায় তার কিছু অংশ
আমাকেও দিতে বলবেন সে শান্তিমত ব্যবসা
করতে পারবে।
এইতো কিছুদিন আগে সিলেটে কিশোর রাজন
হত্যার বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা
নেয়নি পরে অনলাইনে এই হত্যার ভিডিও প্রকাশ
হলে সারাদেশে তোলপাড় উঠলে সেই পুলিশ
অপরাধীর বিরুদ্ধে তদন্তে প্রমানিত হয় সে
গাফেলতি করেছে মামলা নেওয়ার জন্য তাই
তাকে বহিস্কারও করা হায়।
পুলিশের কিছু দুর্নীতি ও অবহেলার কথা লিখলাম।
কবে জানি একটা পত্রিকায়িএক সৎ পুলিস অফিসারের
কথা পরেছিলাম। সে প্রায় ১০ বছর ধরে চাকুরী
করার পরও তার নিজের বোনকে বিয়ে দিয়ে তার
পারিবারিক অবস্থা ঠিক করে সে বিয়ে করবে তাই
পারছিলো না। কারণ সে ঘুষ নেয়নি। সরকার যে
কয় টাকা বেতন দেয় এতে ঢাকাতে বাসা ভাড়া
দিয়ে নিজের মাকে নিয়েই থাকতে পারছিলো না
বিয়েটা করবে কিভাবে। কিন্তু হায় এমন পুলিশ
অফিসাররা আজ কোথায়??? বর্তমানে দুর্নীতির
সাথে উৎপ্রত ভাবে জড়িত প্রায় সব পুলিশ। শুধু
দুর্নীতিই নয় বিভিন্ন মাদক ব্যবসায় জড়িত আজ
পুলিশ। মানুষ আস্থা হারাচ্ছে পুলিশ থেকে। এই
পুরো ব্যবস্থারই পরিবর্তন করতে হবে।
রক্ষকই যখন ভক্ষক তখন সাধারণ মানুষ আর কাদের
উপর ভরসা রাখব ?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *