নতুন শিক্ষানীতি সেক্যুলার নয় হিন্দুয়াণী! !!

বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষা সিলেবাস
প্রণয়নের আগে বলা হয়েছিলো- নতুন
শিক্ষানীতি হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষ বা
সেক্যুলার। বলা হয়-
“এ শিক্ষা নীতি সংবিধানের নির্দেশনা
অনুযায়ী দেশে সেক্যুলার, গণমুখী শিক্ষা
ব্যবস্থা গড়ে তোলার ভিত্তি ও রণকৌশল
হিসেবে কাজ করবে।” (সূত্র: শিক্ষানীতি
২০০৯, অধ্যায়-১, শিক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য)
কিন্তু বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে বর্তমান
শিক্ষা সিলেবাস মোটেও ধর্মনিরপেক্ষ নয়,
বরং পুরোটাই হিন্দুয়ানী।
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, ক্লাস ৯-১০ এর
বাংলা বইয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে ‘আমার
সন্তান’ নামক একটি কবিতাংশ। কবিতার
লেখক- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। মূলত এই

বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষা সিলেবাস
প্রণয়নের আগে বলা হয়েছিলো- নতুন
শিক্ষানীতি হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষ বা
সেক্যুলার। বলা হয়-
“এ শিক্ষা নীতি সংবিধানের নির্দেশনা
অনুযায়ী দেশে সেক্যুলার, গণমুখী শিক্ষা
ব্যবস্থা গড়ে তোলার ভিত্তি ও রণকৌশল
হিসেবে কাজ করবে।” (সূত্র: শিক্ষানীতি
২০০৯, অধ্যায়-১, শিক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য)
কিন্তু বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে বর্তমান
শিক্ষা সিলেবাস মোটেও ধর্মনিরপেক্ষ নয়,
বরং পুরোটাই হিন্দুয়ানী।
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, ক্লাস ৯-১০ এর
বাংলা বইয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে ‘আমার
সন্তান’ নামক একটি কবিতাংশ। কবিতার
লেখক- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। মূলত এই
কবিতাটি হচ্ছে মধ্যযুগে রচিত ‘মঙ্গলকাব্য’।
মঙ্গলকা্ব্যের সংজ্ঞা দিতে
উইকিপিডিয়া বলছে-“যে কাব্যে দেবতার
আরাধনা, মাহাত্ম্য-কীর্তন করা হয়, যে কাব্য
শ্রবণেও মঙ্গল হয় এবং বিপরীতে হয়
অমঙ্গল;যে কাব্য মঙ্গলাধার, এমন কি, যে
কাব্য ঘরে রাখলেও মঙ্গল হয় তাকে বলা হয়
মঙ্গলকাব্য।” http://bn.wikipedia.org/wiki/
মঙ্গলকাব্য)
‘আমার সন্তান’ নামক কবিতাটি মূলত
হিন্দুদের দেবী অন্নপূর্ণার প্রশংসা ও তার
নিকট প্রর্থনাসূচক কবিতা। কবিতার
শেষাংশে বলা হচ্ছে-
“প্রণমিয়া পাটুনি (মাঝি) কহিছে জোড়
হাতে।
আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে
তদাস্তু বলিয়া দেবী দিলা বরদান।
দুধে ভাতে থাকিবে তোমার সন্তান”
কবিতায় স্পষ্ট অন্নপূর্ণা দেবীর কাছে
প্রার্থনা করা হচ্ছে, এবং কোমলমতি মুসলিম
ছাত্র-ছাত্রীরা দেবীর প্রশংসা তার
নিকট প্রার্থন করা শিখছে।
(আরো দেখতে পারেন- bn.banglapedia.org/index.php?title=মঙ্গলকাব্য )
শুধু একটি নয়,
১) ৯ম-১০ম শ্রেণীর বাংলা বইয়ে ‘সুখের
লাগিয়া’ নামক একটি কবিতা সংযুক্ত করা
হয়েছে, যা মূলত হিন্দুদের কৃষ্ণ ও রাধা’র
অবৈধ প্রণয়কাহিনী বা কীর্তণ।
২) ৬ষ্ঠ শ্রেণীর বাংলা বইয়ের একটি গল্প
সংযুক্ত করা হয়েছে যার নাম ‘লাল গরুটা’।
গল্পটি দিয়ে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের
হিন্দুদের গোমাতাবাদ শিক্ষা দেওয়া
হচ্ছে। গল্পের মূল শিক্ষা- গরু হচ্ছে মায়ের মত
সেটাকে জবাই ভালো কাজ নয়।
৩) ৮ম শ্রেণীর বাংলা বইয়ে (দ্রুত পঠন)
হিন্দুদের দেব-দেবীদের কাহিনী রামায়ন
অন্তুর্ভূক্ত করা হয়েছে।
কি বুঝলেন ???
দাবি করা হয়েছিলো বাংলাদেশের
শিক্ষা সিলেবাস ধর্মনিরপেক্ষ, অথচ
শেখানো হচ্ছে হিন্দুত্ববাদ, এটা কেমন
বিচার, আপনি বলুন ???

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *