১লা বৈশাখ নারী লাঞ্চনা নিয়ে কিছু কথা..(অনেক আগের লেখা, ইস্টিশন ব্লগে নতুন…)

১লা বৈশাখ বর্ষবরণের দিনে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যৌন হয়রানি!
প্ল্যান্ড গ্রুপ (পরিকল্পিত দল)।
তারা ফটকের কাছে আসছে এবং চলাচলের পথ
আটকে নারীদের হেনস্তা করছে।
মেয়েটির শাড়ি প্রায় পড়ে যাচ্ছে। ব্লাউজ
ছিঁড়ে গেছে……..
আক্রমণকারী ৩০-৪০জন।
আমি দ্রুত আমার পাঞ্জাবি খুলে মেয়েটিকে
দিলাম। তিনি ঝুকে এক হাতে মুখ ঢেকে ছিলেন।
আমরা ওই মেয়েটিকে নিয়ে একটা রিকশায় তুলে
দেই..
হুড তুলে তিনি শাড়ি গুছিয়ে আমার
পাঞ্জাবীটা কেউ একজনের হাতে ফেরত দিয়ে
দেন। আমি পাঞ্জাবীটা আবার পড়ে নিই।
শুনে মনে হচ্ছে কোন বাংলা সিনেমার
কাহিনী!
একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে এটাই কর্তব্য।
যাইহোক,

১লা বৈশাখ বর্ষবরণের দিনে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যৌন হয়রানি!
প্ল্যান্ড গ্রুপ (পরিকল্পিত দল)।
তারা ফটকের কাছে আসছে এবং চলাচলের পথ
আটকে নারীদের হেনস্তা করছে।
মেয়েটির শাড়ি প্রায় পড়ে যাচ্ছে। ব্লাউজ
ছিঁড়ে গেছে……..
আক্রমণকারী ৩০-৪০জন।
আমি দ্রুত আমার পাঞ্জাবি খুলে মেয়েটিকে
দিলাম। তিনি ঝুকে এক হাতে মুখ ঢেকে ছিলেন।
আমরা ওই মেয়েটিকে নিয়ে একটা রিকশায় তুলে
দেই..
হুড তুলে তিনি শাড়ি গুছিয়ে আমার
পাঞ্জাবীটা কেউ একজনের হাতে ফেরত দিয়ে
দেন। আমি পাঞ্জাবীটা আবার পড়ে নিই।
শুনে মনে হচ্ছে কোন বাংলা সিনেমার
কাহিনী!
একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে এটাই কর্তব্য।
যাইহোক,
– আপনি অর্ধ নগ্ন পোশাক পছন্দ করেন না? কিন্তু
কতাবার আপনায়ার আব্বা আম্মাকে বারন
করেছেন আপনার বোন কে এই ধরনের পোশাক
কিনে না দিতে?
-আপনি মেয়েদের স্কিন/জিন্স পেন্ট পছন্দ
করেন না? গুড, BUT কতবার আপনার প্রেমিকাকে
নিষেধ করেছেন?
-আপনি বেপর্দা পছন্দ করেন না? সবসময়
হিজাবের পক্ষে কথা বলেন! ভেরি গুড, কিন্তু
আপনি আপনার স্ত্রীকে কতটুকু পর্দার মাঝে
রেখেছেন?
শরীর দেখানোর নাম যদি “আধুনিকতা” হয়, তবে
আদিম
অসভ্য মানুষ’ই ছিলো সবচেয়ে “আধুনিক” মানুষ।
ইভটিজাররা তাদের কাজের বেলায়
স্বজনপ্রীতি করে না.. ইভটিজাররা এ ধরনের
পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করে এটাও ভুলে
যায় তারাও একজন নারীর সন্তান,একজন নারীর
ভাই,একজন নারীর প্রেমিকা বা স্বামী !
ইভটিজিংয়ের জন্যে একশ্রেণীর অভিভাকও
দায়ী। তারা মেয়েদের উগ্র পোশাকে অভ্যস্ত
করে তুলছে…..
মেয়েদের নিয়ে কটাক্ষ কারার আগে একবার
ভাবুন নিজের দায়িত্ব আপনি কতটুকু পালন
করেছেন।
আসলে আমরা যদি প্রত্যেকেই আমাদের
পরিবারের দিকে নজর দেই এবং শরীয়ত সম্মত
পোশাক পরতে বাধ্য অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতো
না।
তবে যারা এই কাজটি করেছে তারা আসলে
মানুষ না, তারা জানোয়ার।
গোটা কয়েকটা যুবকের জন্য আজ সব যুবকের
দোষ।
আমরা এই জঘন্য নারী লাঞ্চনা কারীদের
শাস্তি চাই…
আইন করে সবকিছু দমন করা যায় না। এটি নিজস্ব
মূল্যবোধ ও পরিবারের শিক্ষার বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *