গুডবাই পিনাকি কাগুঃ ল্যাদান ইন পিস

আজ ফেসবুকে দেখলাম আমাদের প্রিয় Azam Khan ভাই , দেশের একমাত্র ফেসবুকীয় বুদ্ধিজীবী ,যুক্তির পাওয়ার প্ল্যান্ট , ছাগুবাদের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর , আমার পরম পূজ্য , মান্যগণ্য জঘন্য দাদা পিনাকি ভদকাচার্যের পূর্ব জন্মের আসল পরিচয় জনসমক্ষে ফাসঁ করে দেয়ায় , মান্যবরের লালিত গেলমান বাহিনী আজম ভাইয়ের ইনবক্সে ল্যাদাচ্ছে !


আজ ফেসবুকে দেখলাম আমাদের প্রিয় Azam Khan ভাই , দেশের একমাত্র ফেসবুকীয় বুদ্ধিজীবী ,যুক্তির পাওয়ার প্ল্যান্ট , ছাগুবাদের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর , আমার পরম পূজ্য , মান্যগণ্য জঘন্য দাদা পিনাকি ভদকাচার্যের পূর্ব জন্মের আসল পরিচয় জনসমক্ষে ফাসঁ করে দেয়ায় , মান্যবরের লালিত গেলমান বাহিনী আজম ভাইয়ের ইনবক্সে ল্যাদাচ্ছে !

পূর্ব জন্মে বিশ্বাসীরা মনে করেন ,মানুষ প্রতি জন্মেই তার আগের জন্মের কিছু গুণ বা দোষ সাথে করে নিয়ে আসেন। গত কয়েকদিন ধরে একটানা বুদ্ধিভিত্তিক যুক্তিবিদ্যার ছদ্মাবরণে স্লো পয়জন উদগীরণ করণে যারপরনাই অতীষ্ঠ হয়ে আজম ভাই এর কারণ খুজতে চেয়েছিলেন।

কিন্তু কেচো খুঁড়তে বেরিয়ে পড়লো সাপ। দেখা গেলো আমার এই মহাজ্ঞানী দাদাটি গত জন্মে ছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে পলাশীর প্রান্তরে বিশাসঘাতকতা করা উপ সেনাপতি রায় দূর্লভ! দাদার পাকিপ্রেমের রহস্যটা একেবারে দিবালোকের মতো পরিষ্কার হয়ে গেল।

এর আগে তিনি কি ছিলেন? সেটাও পেয়েছেন Omi Rahman Pial ভাই এর আগে , পৌরাণিক যুগে তিনি ছিলেন আসলে শাপগ্রস্ত একজন ঋষি। যিনি এক অপ্সরার ক্যাবারে নৃত্যে উতলা হয়ে তপস্যা ভঙ্গ করে এইজন্মে খাইস্টা প্রকৃতির যবনগণের পা চাটার অভিশাপে অভিশপ্ত হন। দাদার ছাগুপ্রেমের মর্মার্থ আরো পরিষ্কার হয়ে গেল।

কিন্তু তার আগে কি ছিলেন? সেটা অনুসন্ধান করতে গিয়ে যখন বিপাকে পড়ে গিয়েছিলাম , তখন স্বয়ং angel Gabriel এসে আমাকে শোনালেন একটি মধ্য আফ্রিকার উপকথা। পশু আর পাখির মধ্যে কে শ্রেষ্ঠ এই প্রশ্ন তুলে সুড়সুড়ি দিয়ে বাদুড় রা দুই পক্ষের মধ্যে ভয়ানক যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়। আর সূযোগ মতো বাদুড়ের দল উভয়পক্ষ থেকে নিতে থাকে ফায়দা। কিন্তু বিধি বাম। অকারণ রক্তক্ষয়ে অতীষ্ঠ হয়ে একসময় সন্ধি স্থাপিত হয় দুইপক্ষে। বাদুড়েরা পরে গেল বিপাকে। পশু বা পাখি কোন সমাজেই তারা ঠাঁই পেলোনা। কারণ তারা পাখির মত উড়ে আর পশুর মত বাচ্চা প্রসব করে। সর্বোপরি মুখ দিয়ে করে মলত্যাগ!!আর দাদা হলেন এই বাদুড়দেরই সমগোত্রীয়!! না পারলেন ছাগু হতে ,না পারলেন চেতনাবাজ হতে। কোন পক্ষেরই পূর্ণ আস্থা পেলেন না কোনদিন। যার কারণে মুক্তচিন্তার নামে মাঝে মাঝে দূর্গন্ধময় পদার্থে দাদাও চারদিক ভরিয়ে ফেলেন।

মহাজ্ঞানী দাদাকে নিয়ে এটাই আমার শেষ লেখা। কারণ একে নিয়ে লিখে অনেক ভাইবেরাদারের ঝাড়ি খেয়েছি ডাস্টবিন ঘাটার কারণে।আর বলে লাভটাইবা কি? লেজ কি কখনো সোজা হয়?

শুধু পরিশেষে আমার আর এক গুরু Hillol Dutta র ভাষায় দাদার প্রতি ইতিনিবেদন ,

” লক্ষ লক্ষ লোক শহিদ, পিনাকী ঝিমায়, মুজিব সপরিবারে খুন হলো, পিনাকী নখ খুঁটে, চার নেতাকে জেলখানায় ব্রাশফায়ার করা হলো, পিনাকী হাই তোলে।

ব্লগার খুন হয়, পিনাকী তড়াক করে লাফিয়ে ওঠে তাদের দোষ খুঁজতে, হেফাজতি ছাগল মরে, পিনাকী বুকের কাপড় ছিঁড়ে কাঁদে আর অভিশাপ দেয়, রাজাকারের ফাঁসি হয়, পিনাকীর অন্তর্গত বেদনা দার্শনিকতা, মানবিকতা আর নৈতিকতার ভেক ধরে দুর্গন্ধময় মল, নোংরা বমি আর নষ্ট বীর্য হয়ে সবদিকে গলগল করে বেরুতে থাকে।

সাবাশ বেটা সত্যের সেনানী , চোতমারানি!”

২ thoughts on “গুডবাই পিনাকি কাগুঃ ল্যাদান ইন পিস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *