দাসদের প্রতি মুসলিম নীতি বর্বর ?

দাসত্ব মানে হল কোনো মানুষকে জোর পূর্বক শ্রম দিতে বাধ্য করা। সাধারণত দাসকে তাঁর মনিবের অস্থাবর সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। এক্ষেত্রে কাউকে তাঁর ইচ্ছার পরিবর্তেও দাস করা যেতে পারে। এটি হতে পারে তাঁর আটক, জন্ম, ক্রয় করা সময় থেকে। দাসদের স্থান বা মালিককে ত্যাগ করা, কাজ না করার বা শ্রমের মজুরী পাবার অধিকার নেই।

ইসলাম ধর্মে দাসত্বের অস্তিত্ব রয়েছে। মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ কোরআনের সূরা নাহলে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে,

দাসত্ব মানে হল কোনো মানুষকে জোর পূর্বক শ্রম দিতে বাধ্য করা। সাধারণত দাসকে তাঁর মনিবের অস্থাবর সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। এক্ষেত্রে কাউকে তাঁর ইচ্ছার পরিবর্তেও দাস করা যেতে পারে। এটি হতে পারে তাঁর আটক, জন্ম, ক্রয় করা সময় থেকে। দাসদের স্থান বা মালিককে ত্যাগ করা, কাজ না করার বা শ্রমের মজুরী পাবার অধিকার নেই।

ইসলাম ধর্মে দাসত্বের অস্তিত্ব রয়েছে। মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ কোরআনের সূরা নাহলে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে,
“ “আল্লাহ তোমাদের কারো ওপর রিযিকের ব্যপারে প্রাধান্য দিয়েছেন। অতঃপর যাঁদের শ্রেষ্টত্ব দিয়ে রেখেছেন, তাঁরা তাঁদের অধীনস্ত দাস-দাসীদের নিজেদের সামগ্রী থেকে কিছুই দিতে চায় না। (তাঁদের আশংকা হচ্ছে এমনটি করলে) এ ব্যপারে তাঁরা উভয়ই সমান (পর্যায়ের) হবে। তবে, কী এঁরা আল্লাহর নেয়ামত অস্বীকার করে?” 16:71
ইসলাম ধর্ম দাসত্বের বাস্তবতাকে সরাসরি অস্বীকার না করে, এর অস্তত্বকে স্বীকারের মাধ্যমে দাস-দাসীদের তাঁদের প্রাপ্য মানুষের অধিকার প্রদানে উৎসাহ দেয়। এবং তা মানুষকে দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করাকে উত্তম কাজ বলে মনে করে। এ সম্পর্কে বলা হয়েছে,
“ “আবু হুরায়রা বলেন, নবী করীম (সাঃ) বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানকে দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করবে, তাঁর প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে আল্লাহ তাঁর প্রতিটি অঙ্গকে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা করবেন।”২৩৫১ ”

দ্রঃ এ সংক্রান্ত আরও হাদিস সমূহ হল সহীহ বোখারী ২৩৭৬, ২৩৫৩, ২৩৫৪, ২৩৫২

তাছাড়া সহীহ সহিহ মুসলিম এর হাদিসে বলা হয়েছে,
“ “রাসূল (সাঃ) বলেন, হে আবু যর। তোমাদের মধ্যে বর্বর যুগের ভাবধারা রয়ে গেছে। তাঁরা (দাস) তোমাদের ভাই। আল্লাহ পাক তাঁদের তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন। তোমরা যা খাবে, তাঁদেরকে তাই খেতে দেবে। তোমরা যে বস্ত্র পরবে, তাঁদেরকেও তাই পরতে দেবে। তোমরা তাঁদের ওপর এমন কোনো কাজের বোঝা চাপাবে না, যা বহন করতে তাঁরা অপারগ হয়। যদি তোমাদের দেয়া কোনো কাজ করতে তাঁরা অসমর্থ হয়, তাহলে তোমরা তাঁদের কাজে সাহায্য করবে।”৪১৬৯” ”

ইসলাম মূলত অধিকার ভূক্ত অসহায় মানুষদের দাস-দাসী হিসেবে বিবেচনা করতে বাধা প্রদান করে। ইসলাম মনে করে, তাঁদের পরিচয় হবে পোষ্য। সেটা পোষ্য ভাই, পোষ্য সন্তান ইত্যাদি হতে পারে। এ সম্পর্কে সহীহ বুখারীর হাদিসে বলা হয়েছে,
“ “আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেন, তোমাদের কেউ যেন না বলে, তোমার প্রভুকে আহার করাও, তোমার প্রভুকে পান করাও। আর যেন অধিকার ভূক্তরা এরূপ না বলে, আমার মনিব, আমার অভিভাবক। তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে, আমার দাস, আমার দাসী। বরং বলবে, আমার বালক, আমার বালিকা, আমার খাদিম।”২৩৮৪” ”

আর যদি দাস-দাসীর সাথে খারাপ আচরণ করা হয়, তাহলে ইসলাম নির্দেশ প্রদান করে যে, কাফফারা স্বরুপ উক্ত দাস বা দাসীকে মুক্ত করে দিতে হবে। এ সম্পর্কে সহিহ মুসলিম এর হাদিসে বলা হয়েছে,
“ “ইবনে ওমর বলেন, আমি রাসূল (সাঃ) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি তাঁর ক্রীতদাসকে চড় মারল কিংবা প্রহার করল, তার কাফফারা তাঁকে মুক্ত করে দেয়া।”৪১৫৪”

২ thoughts on “দাসদের প্রতি মুসলিম নীতি বর্বর ?

  1. তার মানে হল ইসলামে
    তার মানে হল ইসলামে দাসব্যবস্থা বৈধ। দাসদের সাথে ভাল ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে কিন্তু দাস ব্যবস্থা অক্ষুণ্ণ রাখা হচ্ছে। এই অমানবিক ভণ্ডামি ও বলদামির নাম ইসলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *