মেরা জান্নাত কিধার হ্যেয় ?

আজকে এক বাড়িতে নিমন্ত্রন খেতে গিয়েছিলাম। সেখানের মেন্যু ছিলো গরুর মাংস। খেতে বসেছি, তখন পাশের চেয়ারে বসা একটা মেয়ে বলে বাহ! দারুন টেস্ট।
এটা তো কোরবানীর মাংস ছিলো তাই এত টেষ্ট। আমি অবশ্য পেলাম না টেষ্টের রকমফের।
যাইহোক এতদিন ধরে কোরবানীর মাংস টা ফ্রিজ বন্দী ছিলো সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ঐ বাসার কর্ত্রীকে প্রশ্ন করলাম কেন এমনটা করলেন ? তিনি কি জানেন কিনা এটা পাপ ? ইছলাম ধর্ম অনুযায়ী কোরবানীর যে সকল রীতিনীতি বিদ্যমান তার সাথে এটা সামঞ্জস্যতা পায় নি।

আজকে এক বাড়িতে নিমন্ত্রন খেতে গিয়েছিলাম। সেখানের মেন্যু ছিলো গরুর মাংস। খেতে বসেছি, তখন পাশের চেয়ারে বসা একটা মেয়ে বলে বাহ! দারুন টেস্ট।
এটা তো কোরবানীর মাংস ছিলো তাই এত টেষ্ট। আমি অবশ্য পেলাম না টেষ্টের রকমফের।
যাইহোক এতদিন ধরে কোরবানীর মাংস টা ফ্রিজ বন্দী ছিলো সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ঐ বাসার কর্ত্রীকে প্রশ্ন করলাম কেন এমনটা করলেন ? তিনি কি জানেন কিনা এটা পাপ ? ইছলাম ধর্ম অনুযায়ী কোরবানীর যে সকল রীতিনীতি বিদ্যমান তার সাথে এটা সামঞ্জস্যতা পায় নি।
তিনি জবাব না দিয়ে ভেতরে চলে গেলেন এবং ওই বাসায় কর্তাকে ডেকে নিয়ে এলেন। তিনি বললেন আমাদের ভাগের টা আমরা রেখে দিয়েছিলাম এখন সেটা খাচ্ছি।

ইছলামী ধর্মমতে কোরবানির মাংস কে ৩ ভাগে সমান ভাগ করে বন্টন করার প্রথা প্রচলিত আছে। কিন্তু এখন দেখা যায় আমাদের অঞ্চলে সেটা না করে কোরবানি দিয়েই মাংস গুলোকে সব ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখা হয়। এটা যে শুধু আপনি একাই করেন এমনটাও নয় প্রায় সব মুমিনরাই এমনটা করে থাকেন। আমি কিছু মানুষকে দেখেছি যে, তারা বলেন; কোরবানীর মাংসটা একটু বেশিই টেষ্টি, এ কারনেই এটাকে এভাবে দীর্ঘদিন রেখে দেয়া হয়ে খাবার জন্য। যখন তাদেরকে প্রশ্ন করেছি সমান ৩ ভাগ করার পরে এমনটা করেছেন কিনা, উত্তরে তারা আমতা আমতা করেছেন কিংবা জবাব দেন নি।
এখান থেকে এটাই প্রতিয়মান যে, আল্লার আদেশের থেকে এরা জিহ্বার আদেশ টাকে বেশি প্রাধান্য দেয়। কিন্তু যখনই আপনি এই ইছলামী ধর্মে নিষিদ্ধ প্রানি ভক্ষনে উদ্যত হবেন এরাই তখন বাধা দেবে।
কেন এমন দ্বিচারিতা?
“কোরবানি করিতে হুকুম প্রান প্রিয় ধন
গরু ছাগল হইলো কি তোর এতই প্রিয় জন ?”

আল্লার নবী ইব্রাহীম নিজের পুত্রকে জবাই করতে নিয়ে গিয়েছিলেন আর সেখান থেকেই এই কোরবানীর প্রচলন ।
একজন মুমিন হয়ে কি করে তিনি এটাকে এমনভাবে অবমাননা করতে পারেন! জবাবে কর্তা সাহেব কিছু বলেন নি।

বাসার কর্তাকে প্রশ্নবানে জর্জরিত করতে পারতাম আরও কঠিনভাবেই, সে পথে না গিয়ে কিছু কমন প্রশ্ন করে ছেড়ে দিলাম।

প্রত্যেক জুম্মাবারে ইছলাম রক্ষায় যারা ইহুদি-নাসারাদের কুটচালে জড়িয়ে শুধুমাত্র উক্ত দিনে মসজিদে যান তাদেরকে লাইনে আনার জন্য জঙ্গিরা বোমা হামলা করে যাচ্ছে এবং তারা এ ও বুঝে গেছেন যে, এদেশেও কাফের দের সেই কুটচালে ছেয়ে গেছে তাই তারা এখানেও মসজিদে বোমা হামলার সংস্কৃতির সুচনা ঘটিয়েছেন।
খবরে প্রকাশ, একজন ধর্মীয় সম্মানী ব্যক্তি যিনি আইএসের জঙ্গি সদস্য। তিনি তার মাকে প্রকাশ্যে হত্যা করেছেন শুধুমাত্র তাকে জঙ্গিবাদী কর্মকান্ড থেকে বারন করার কারনে। কিন্তু এদিকে আমাদের দেশের কাঠমোল্লা হতে শুরু করে প্রায় সব মুমিনই এটা স্বীকার করেন যে, মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত!

কিন্তু মুমিন্ যেটা স্বীকার করেন না সেটা হচ্ছে মায়ের পায়ের নিচে অবস্থানরত প্রত্যেক মুমিন ৭২ হুরির সাথে যৌনক্রিয়ায় লিপ্ত হবেন ।
এ কথাটা একজন মুরদাত বলে গিয়েছিলেন যাকে অবশ্য হত্যা করা হয়েছিলো নির্মম ভাবে। যিনি সবার কাছে “থাবা বাবা” নামে পরিচিত ছিলেন।
আচ্ছা ইছলামে কি সত্য বলা নিষেধ আছে?
স্বীকার করুন আর নাই করুন- “ধর্মের বিপক্ষে গেলে সত্য বলা যেমন নিষেধ আছে তেমনি মিথ্যে বলাও যায়েজ আছে!” আর এ কথার হাজার হাজার প্রমাণ রাখা আছে সিয়াহ সিত্তাহ , সিরাত গুলিতে।

মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত রাখা হলেও সে মায়ের বেহেশত আবার রাখা হয়েছে স্বীয় স্বামীর পায়ের নিচে। এবার এই ‘মা’ র বেহেশতটা ঘুরে আসতে হলে আপনাকে দেখতে হবে আবারও সেই ইছলামী গ্রন্থ গুলি। সেখানেই আপনি দেখতে পারবেন ঐ মায়ের স্বামী যে ৭২ হুরের সাথে যৌনক্রিয়ায় মত্ত হবেন সে ৭২ হুরের সর্দারনী হবেন ঐ ‘মা’।

একবার ভাবুন তো! আপনার বেহেশত রাখা হয়েছে মায়ের পায়ের নিচে আবার সে মায়ের বেহেশত টা কে আপনার বাবার পায়ের নিচে রাখা হয়েছে আপনি ও আপনার বাবা দু জনে ৭২*২ করে হুরি নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন আর এদিকে আপনার মা আপনার বাবার সে ৭২ হুরদের সর্দারনী হয়ে সব কিছু দেখভাল করছে। এর থেকে কুৎসিত আর কিই বা হতে পারে ?

এখন যদি প্রশ্ন করেন তবে মায়ের জন্য যে বেহেশত আছে সেখানে কি আছে? প্রেক্ষিতে বলা যায়, মেয়েদের জন্য জান্নাত হচ্ছে অনেকটা মাকাল ফলের মতন, নাম টা শুনে যতটা পুলকিত বোধ করবেন একটু ঘাটলে মনে হতে পারে ঘাটাঘাটি তো বটেই যা জানতেন বেহেশত সম্বন্ধে তার পুরোটাই ফাঁকি। নাতিশীতোষ্ণময় উদ্যান – পরিবেশ ব্যস এটুকুই। তাকে সে জান্নাতেও ঐ স্বামীর হুরদের সর্দারনী ভুমিকায় কাজ করে যেতে হবে! আরও চমকপ্রদ কিছু প্রশ্ন দেখতে এখানে দেখা যেতে পারে

আবার অন্যদিকে ইছলামী রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির দিক থেকে একটু তাকালে দেখতে পাই, শরিয়াহ কায়েমে বাধাদান কারীকে হত্যা করতে উতসাহ দেয়া হয়েছে আল্লা-নবী কর্তৃক। এমনকি ঐ ৭২ হুরের প্রলোভন দেখানো হয়েছে যা কিনা পাওয়া যাবে কোন রকম সাওয়াল জবাব ছাড়াই। তাহলে এবার যদি একটু ভালোভাবে দেখি একটা জিনিস তো আমরা বুঝতে পারি সেটা হচ্ছে,

মাতৃভক্তি অবজ্ঞা করেও, যদি কোন মুছলিম শরিয়াহ কায়েমে যোগ দিয়ে ধর্মীয় কর্মকান্ড চালান তাহলে তার কপালে জুটতে পারে নগদ- যুদ্ধ বন্দিনি, টাকা পয়সা, পদ পদবী। আবার ওদিকে শত্রুপক্ষ হতে পারে ইহুদী কাফের, কিংবা অসীহ যে কেউই কর্তৃক কোন ভাবে মারাও তাহলেও পরকালে থাকছে সে একই ৭২ হুর গমনের তীর্থস্থান। আর এ কথাও সত্য যে, দুনিয়াতে একজন পুরুষ শুধুমাত্র এ টাকা ও নারীর কাছেই ধরা খেয়েছেন লক্ষ্য-কোটি বার।

আবার এসবকে অনেক মুছলিমই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বলে থাকেন। এ থেকে তার আসলে বুঝাতে চান যে ইছলামে এসব কিছু করতে নিষেধ করা হয়েছে। এটা হচ্ছে একটা বড় রকমের মিথ্যাচার!

জঙ্গিবাদী কর্মকান্ড যদি সন্ত্রাসবাদী কর্মকান্ড হয়েই থাকে তবে জঙ্গিদের কে নয় ,

সন্ত্রাসী বলা হোক তাকে, যাকে অনুসরন করেই জঙ্গিরা কাজ করছে।

সন্ত্রাসী বলা হোক সেই নবীকে, যিনি এক রাতে বানু কুরাইজা গোত্রের সকল পুরুষ কে শুধুমাত্র ইছলাম না মানার কারনে কচুকাটা করেছিলেন এবং সকল নারীকে তার দলে স্রেফ যৌন ভোগ্য বস্তুতে রুপান্তর করে ব্যবহার করেছিলেন ।

সন্ত্রাসী বলা হোক সে সকল সাহাবীদের কে, যারা খাদ্যের প্রয়োজনের নামে মিথ্যে বলে বাইরে ডেকে নিয়ে এসে হত্যা করে ‘কবি’ দের কে।

সন্ত্রাসী বলা হোক তাদেরকে, যারা আল্লার নবির আদেশে শুধুমাত্র ইছলাম না মানার কারনে সন্তান কে দুদ্ধপানরত অবস্থায় একজন মা কে হত্যা করেছিলেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *