কৃষকের মুখে আনন্দের হাসি

অর্থকরী ফসল সরিষা চাষে খুব একটা সেচ দিতে হয় না। পরিচর্যাও খুব লাগে না। শুধুমাত্র জমিতে যেন পোকা-মাকড় আক্রমণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হয়। এছাড়া বারি-১৪, ১৫ জাতের বেশকিছু উফশী সরিষা চাষ করলে ৮০ থেকে ৮৫ দিনের মধ্যে ফলন ঘরে তোলা যায়। সরিষার উৎপাদনও ভালো হয়। প্রতি হেক্টরে ১ দশমিক ৫ থেকে ১ দশমিক ৬ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়। গত বছরের চেয়ে এবার সরিষার ফলন ভালো হয়েছে। বাজারদর আগের চেয়ে বেশি। আশা করা হচ্ছে, আমন মৌসুমের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারবে কৃষকরা। শুধু রংপুর জেলায় নয়, এ অঞ্চলের গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারিতে সরিষা চাষ বেড়েছে। বন্যায় কৃষকের আমনসহ অন্যান্য ফসল নষ্ট হওয়ায় তারা সরিষা চাষকে বেছে নিয়েছেন। গত বছরের চেয়ে এবার শুধুমাত্র রংপুরেই প্রায় ২ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। প্রতিটি জেলার স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে সরিষার বীজ সহায়তা দেয়ায় সরিষার চাষাবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে কৃষকের মধ্যে হাসি আনন্দ ছড়িয়ে পরেছে। অর্থকরী এই ফসলের বাম্পার ফলন এবং বাজারদর ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখেও হাসি ফুটেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *