ঘরের ভেতরেও সতর্ক থেকো মেয়ে!

বার্ষিক পরীক্ষা শেষে নানা বাড়ি যাওয়া মেয়েটির খুব সুখের সময়। সেখানে মামাতো ভাই বোন আশেপাশের আরও ছেলে মেয়েদের সাথে হইচই করে দিন মুহূর্তেই ফুরিয়ে যায়। ক্লাস পাইভের এর পরীক্ষার পর শীতের দুপুরে মেয়েটি দোলনায় দুলছিল নানা বাড়ির পিছনে। সাথে মামাত বোনের স্বামী। খুব সখ্যতা। একসাথে লুডু ক্যারাম তাস এদিক সেদিক বেড়ানো, সবটাতে তার এই প্রিয় দুলাভাইকে চাই। সেদিনও সাথে ছিল। আচমকা মেয়েটির খুব কাছে আসতে থাকে তার প্রিয় দুলাভাই। কিছু বুঝার আগে ঝাপটে ধরে তাঁকে । স্তব্ধ আর নির্বিকার হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই যেন করার ছিল না মেয়েটির। উপছে পড়া চোখের জল নিয়ে মেয়েটি মায়ের কাছে দৌড় দেয়। ভেবেছিল মা তার এই আকস্মিক কষ্টের সমাধান দিতে পারবে। মেয়েটিকে বধির করে দিয়ে মা বলল ‘তোমারই তো দোষ, এতো মেলামেশা করো কেন দুলাভাইয়ের সাথে, ছেলেরা এমনই, এদের কাছ থেকে দূরে থাকতে হয়, আর মিশবে না এবং কাউকে এই নিয়ে কিছু বলবে না”

তীব্র এক কুৎসিত ঘৃণা মেয়েটির সমস্ত শরীরে কিলবিল করতে লাগলো। সমস্ত শক্তি দিয়ে সে ঘষে ঘষে সেই ঘৃণা মুছতে চাইলো, পারলো না। নিথর হয়ে বিছানায় উপুড় হয়ে পড়ে থাকল। “ছি ছি ছি, আমি নোংরা, আমারই মেলা মেশা করা ঠিক হয় নি, ইশ যদি না মিশতাম!

এই আক্ষেপ আর গ্লানি মেয়েটি বয়ে বেড়াবে আজীবন। শুধু এই মেয়ে না এর মতো আরও অহরহ মেয়ের সাথে আমাদের দেশে এমন ঘটনা প্রতিদিনই ঘটে চলেছে। অধিকাংশ মেয়ের জীবনে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে তারই আত্মীয় স্বজন পাড়া প্রতিবেশির দ্বারা। যার সাথে একজন কিশোরী সরল মনে মেলামেশা করে, যার সাথে নিজেকে কখনই অনিরাপদ ভাবে না সেই ব্যক্তিটিই তাঁকে চিরজীবনের জন্য কুৎসিত নোংরা স্মৃতি ছুঁড়ে মারে। যার দগদগে ঘা সে চাইলেই মুছে ফেলতে পারে না।

আমরা মেয়েদের বলি যেন বাইরে গেলে সে সতর্ক থাকে তার সাথে যেন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। কেন বলি? কারণ বাইরে হাজারো অপরিচিত মানুষ, হাজারো খারাপ মানুষ, যারা মেয়েদের সাথে যেকোনো কিছু করতে পারে, তাদের অপমান করতে পারে, কাপড় ধরে টান দিতেপারে,করতে পারে আরও কঠিন কিছু। তাই বাবা মা বা পরিবারের অন্যান্য বড়রা মেয়েদের বাইরে পাঠানোর আগে তাঁকে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন কায়দায় সতর্ক করে, বলে দেয় উপায় কীভাবে সে নিজেকে এসব বিপদ থেকে রক্ষা করবে। কিন্তু সেই আমরাই কখনও মেয়েদের বলি না, তুমি শুধু বাইরে না ঘরের ভেতরেও সতর্ক থাকবে। ঘরের ভেতরেও তোমার জন্য উত পেতে আছে অনেক রকম অপ্রীতিকর ঘটনা। কারণ ঘরের ভেতরেও আছে পুরুষ। বাইরের পুরুষ তোমার সাথে খারাপ কাজ করতে চাইবে সে তুমি সহজেই চিনে নিতে পারবে কারণ তারা অপরিচিত। কিন্তু ভেতরের চির চেনা রূপের পুরুষ আত্মীয়দের মধ্যেও যে লুকিয়ে আছে কুৎসিত কদর্য মানসিকতা যা বাইরের পুরুষের মানসিকতা থেকে কোন ভাবেই ভিন্ন নয় তা আমরা কখনও মেয়েদের শেখাই না। শেখাই না কারণ পরিবারের বড়রাও কোনদিন আশা করে না যে আত্মীয়দের দ্বারা মেয়েটি লাঞ্ছিত হতে পারবে। সরল বিশ্বাসে মা বাবা মেয়েটিকে মিশতে দেয়, মেয়েও মেশে, কিন্তু এই সরল বিশ্বাসের প্রতিদান অধিকাংশ সময় খুব নিষ্ঠুর হয়।

এই সব ঘটনা ঘটে যখন একজন মেয়ে এই সব ঘটনার মর্ম বুঝতে পারে না, বা বুঝলেও কি করবে কাকে বলবে কীভাবে প্রতিকার করবে সেই জ্ঞান হয় না। অর্থাৎ শৈশব বা কিশোর বয়সেই মেয়েদের জীবনে এমন ঘটনা ঘটে। অত্যন্ত নাজুক এই সময়। এক তো নিজের শরীরে হাজারো পরিবর্তন আসে, আর এই সময়ে যখন সে নারী পুরুষের সমর্পক সম্পর্কে তেমন কোন ধারণা রাখে না তখন তার সাথে এমন কিছু ঘটে যা তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে। সেই সময়ে একজন মেয়ের চিন্তার জগতে যে ঝড় উঠে , মানসিক ভাবে সে কতটা বিধ্বস্ত হয় তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই জানে। সে আরও বেশি ভেঙ্গে পড়ে যখন তার পাশে কাউকে পায় না। অনেকে লজ্জায় ভয়ে দুঃখে কাউকে কিছু জানায় না। আর যদি জানায়ও সে কাঙ্ক্ষিত সমাধান বা সান্ত্বনা বা বল পায় না কারো কাছে। বরং উল্টো সে আরও বেশি অপমানিত হয়। কারণ যদি সে কাউকে জানায় হোক সে তার মা বা বোন বা কাছের কেউ তাহলে তারাও সেটিকে ধামচাপা দিতে চায়। লাঞ্ছনার প্রতিবাদ না করে তারা উল্টো মেয়েটিকেই দোষারোপ করে কেন সে মিশতে গিয়েছে, বা মেয়েটি কেন সেই সুযোগ করে দিলো।

যখন একজন মেয়ের সাথে শারীরিক লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটে তখন তার মানসিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক থাকে, এই নাজুক অবস্থায় তার প্রয়োজন সঙ্গ শক্তি ভরসা। কিন্তু আমাদের পরিবারে হয় এর উল্টো। মেয়েটিকে দোষারোপ করাহয়। সেই নাজুক অবস্থায় নিজের উপর দোষারোপ অনেক মেয়ে সহ্য করতে পারে না, ফলাফল সে নিজেকে শেষ করে দিতে চায়। তাহলে এখানে কাকে আমরা দোষ দিবো? যে ব্যক্তিটি মেয়েটির সাথে অন্যায় ব্যবহার করেছে সেই ব্যক্তিটিকেই শুধু দোষারোপ করবো নাকি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের দোষারোপ করা যায় যারা তার এর প্রতিবাদ করা এবং মেয়েটির পাশে শক্ত অবস্থান না নিয়ে মেয়েটিকেই বলছে “কেন তুমি মিশেছ?” দুই পক্ষ সমান অপরাধী।

যখন মেয়েটিকে বলা হচ্ছে “তুমি কেন মিশেছ?” তখন তাদেরই এই প্রশ্ন করা উচিত, যে মেয়েটি যে পুরুষ আত্মীয়দের সাথে মিশবে না সেই বিষয়ে কি তাঁকে আগে থেকে সতর্ক করা হয়েছে? হয় নি। কোনও পরিবারে কি বলা হয়, তুমি তোমার দুলাভাই কাজিন ভাইয়া আঙ্কেল এদের সাথে মিশবে না? বলা হয় না। তাহলে মেয়েটি কোথায় কীভাবে শিক্ষা পাবে যে এদের সাথে মিশলে কিছু অসস্থিকর ঘটনা ঘটতে পারে? আর পরিবারও কীভাবে গড়পড়তা সবার সাথে মেশার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে? সবাই তো খারাপ না। এক কাজিন বা এক দুলাভাই বা এক আঙ্কেল অশালীন ব্যবহার করেছে বলে এর মানে এই না যে অন্যরাও করবে। না এভাবে কখনই বলা যায় না। তবে সমাধান কি? সমাধান প্রতিবাদ। পরিবারের ভেতরে কেউ এমন আচরণ করলে সাধারণত ধামাচাপা দিয়ে দেওয়া হয়। “কাউকে বোলো না, বললে তোমারই ক্ষতি হবে, মানুষ তোমাকে খারাপ বলবে” এমন কথা বলে মেয়েটিকে চুপ করে রাখা হয় । মেয়েটি ভয়ে লজ্জায় অপমানে চুপ করে যায়। তার সবচেয়ে আপন মানুষ মাও যখন আর পাশে থাকে না তখন সে আরও বিমর্ষ হয়ে যায়। কেন প্রতিবাদ করা হয় না? প্রতিবাদ না করার দুটি কারণ থাকে। এক, মনে করা হয় এতে পরিবারের নাম খারাপ হবে, মেয়েটি সমাজে খারাপ বলে পরিচিত হবে। আরেকটি কারণ এমন শারীরিক ভাবে লাঞ্ছনার ঘটনাকে তারা খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়ার মতো ভাবে না। পরিবারের ভাষায়, “এসব হওয়া ঠিক না, কিন্তু এ নিয়ে হইচই করাও ঠিক না”
সমাজে জানাজানি হলে মেয়েটির নাম খারাপ হবে এটি চিরাচরিত ধারণা। সমাজ ব্যবস্থা এমন যে মেয়ে লাঞ্ছিত হলে দোষ দেওয়া হয় মেয়েটিকে। এখানে মেয়েদের শরীরে হাত দিলে, দোষ মেয়েদের, কারণ ছেলেরা তো হাত দিতে চাইবেই! এখানে মেয়েদের শেখানো হয় তোমার সাবধানে চলা উচিত ছিল, কারণ ছেলেরা তো আক্রমন করবেই! এখানে মেয়েদের বোরকা পরতে হয় কারণ ছেলেদের তো মেয়েদের শরীর দেখে লোভ হবেই, মেয়েদের তাই ঢেকে রাখতে হবে! এখানে মেয়েদের শ্লীলতা হানি হলে বলা হয় মেয়েটিই হয়তো আশকারা দিয়েছিল। কারণ ছেলেরা তো একটু আক্টু মিশতে চাইবেই !এখানে লাঞ্ছিত মেয়েটি মার কাছেই অপরাধী হয়, কারণ মার কাছেও সে মানুষ হওয়ার আগে মেয়ে। এখানে মেয়েদের জন্ম থেকে সতর্ক থাকা শিখতে হয়। কারণ কোন অঘটন ঘটলে সবার আগে বলা হয়, মেয়েটি এমন ঘটতে দিলো কেন!

সমাজে এই ধারনাগুলো বিদ্যমান বলে যে এই ধারণা গুলো পরিবর্তন করা যাবে না তা কিন্তু নয়। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে প্রতিটা নিয়ম এমন ভাবেই বানানো যেখানে পুরুষদের সুবিধা বেশি। এখানে পুরুষরা মেয়েদের লাঞ্ছিত করে আবার পুরুষরাই প্রচার করে এসব ঘটনা প্রকাশ হলে অপমান মেয়েটির। কেন অপমান মেয়েটির হবে? মেয়েটি কাউকে অপমান করে নি, সে অপমানের শিকার হয়েছে।কোন মেয়ে কাউকে বলবে না এসো আমাকে লাঞ্ছিত করো। তাহলে মেয়েটির কেন অপমান? অপমান কারণ পুরুষ ছড়িয়েছে এই কদর্য নিয়ম, যে মেয়েটি যেহেতু কোন পুরুষের দ্বারা লাঞ্ছিত হয়েছে সেহেতু মেয়েটি এখন ব্যবহৃত, আর ব্যবহৃত হলে সেটি খারাপ। সুতরাং মেয়েটি খারাপ। কিন্তু আদৌতে সত্য হল, মেয়ে হোক ছেলে হোক বা যেকোনো প্রাণী হোক, তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে কিছু হলে সেটি কোন অবস্থাতে তার দোষে হয় না। তার কোনও অপরাধ নেই। কিন্তু আমাদের পরিবারও সমাজের বানানো এই নিয়মের সামনে মাথা ঠেকে এবং মেয়েকেই চুপ করিয়ে রাখে, বা তার উপরে দোষ দেয়। তাদের যুক্তি, মেয়ের দোষ নেই কিন্তু সমাজ এভাবে বিষয়টি দেখবে না, মেয়েকে যেহেতু সমাজে চলতে হবে সেহেতু তাকে এসব ব্যাপার মেনে নিয়ে চলতে হবে। কারণ প্রতিবাদে ফল আসার চেয়ে বরং তার উপর নোংরা আরও বেশি করে মাখানো হবে।

এগুলা হয়ে আসছে, কিন্তু কেউ এটি ভেবে দেখে না পরিবারের ভেতরে হয়েছে বলে যে মান সম্মানের ভয়ে এসব ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে তাতে ওই পুরুষ আত্মীয়টি সাহস আরও বাড়ছে। সে আজ একটি মেয়ের সাথে করছে কাল আরও একজনের সাথে করবে। প্রতিবারই সে বিনা শাস্তিতে পার পেয়ে যাবে কারণ সে জানে তাকে স্বয়ং ওই মেয়েটির পরিবারই রক্ষা করবে। সে জানে লোকলজ্জার ভয়ে কেউ মুখ খুলবে না। এই মুখ না খোলা, প্রতিবাদে ভয় পাওয়া, এই সবকিছু সেই পুরুষ আত্মীয় রূপে বোধহীন পুরুষটিকে দিনদিন উৎসাহিত করা হচ্ছে।

আরও একটি জিনিশ আমরা এড়িয়ে যাই তাহল যে মেয়েটি এই অবস্থার শিকার হচ্ছে তার মানসিক বিধ্বস্ততা। শিকার হয় সে, যন্ত্রণা ভোগ করে সে, আবার অন্যায়ের দায়ভারও বর্তায় তার উপর। সেই বয়সে একজন মেয়ের মনে এমন কুৎসিত ঘটনা কেমন গাঢ় এবং স্থায়ী ছাপ ফেলে তা না তার মা বুঝে না পরিবার না সমাজ। মা’রা বলে এসব ঘটনা প্রায় পরিবারে ঘটে থাকে, একে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই, একটু সাবধানে থাকলেই হবে। এই গুরুত্ব না দেওয়ার পরিণাম হয়তো একদিন ধর্ষণের রূপ নিবে। নাম খারাপের ভয় একদিন হয়তো ধর্ষণ এবং হত্যার রূপ নিবে।

সমাজ বলি নিয়ম বলি সম্মান বলি সবই মানুষের প্রয়োজনে বানানো, মানুষের প্রয়োজনে ব্যবহার হয়। যদি এসবের রক্ষা করতে গিয়ে একজন মেয়ের প্রতি হওয়া অন্যায়ের বিচার না হয় তবে এসব মান সম্মান সমাজের কী প্রয়োজন?

সমাজ তাকে বলে যখন একজন মেয়ের সাথে হওয়া দুর্ব্যবহারের জবাব দেওয়া হয়। পরিবার তেমন হওয়া উচিত যেখানে মেয়ের সাথে হওয়া যেকোনো শারীরিক অনৈতিক কাজ ধামাচাপা না দিয়ে প্রকাশ্যে অন্যায়কারীকে অপমান করা এবং উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া ; হোক সে যতই কাছের আত্মীয়। মা বা পরিবারের সদস্যদের এমন হওয়া উচিত যেন তারা তাদের মেয়েকে শিক্ষা দিবে তার সাথে ঘটে যাওয়া যেকোনো অন্যায় সে নিঃসংকোচে নির্ভয়ে নির্ভাবনায় বলে দিবে। এবং পরিবারের প্রতিটা সদস্য তার পাশে তার শক্তি হয়ে থাকবে; তাকে কোনভাবেই মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়তে দিবে না। তাকে শেখানো হবে তুমি মেয়ে হবার আগে মানুষ। তোমার সাথে ঘটে যাওয়া যেকোনো অন্যায় তুমি মাথা উঁচু করে প্রতিবাদ করবে। যত মাথা নিচু করে চলতে শিখবে অন্যায়কারী ততই তোমার সাথে অন্যায় করবে।

৪ thoughts on “ঘরের ভেতরেও সতর্ক থেকো মেয়ে!

  1. আমরা পুরুষরা সৎ হলেই নারী
    আমরা পুরুষরা সৎ হলেই নারী নির্যাতনের ঘটনা বন্ধ হয়ে যেত। কোন মেয়ের উপর নির্যাতনের সময় আমরা যদি আমাদের মা/বোন/স্ত্রী/কন্যার কথা মনে করতাম তাহলে আমাদের দিয়ে এ সব জঘন্য অপরাধ সম্ভব হত না

  2. কাজল দত্ত পশ্চিমবঙ্গের
    কাজল দত্ত পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য ব্লগে আইডি তৈরি করার লিংক………
    W/B blog
    http://­www.nalokpublication.­com/
    এই লিংকে যাও

    তারপর দেখ sing In /Register লেখার ওখানে ক্লিক কর এরপরে নীচের দিকে লেখা আছে Continue With Faceboob লেখাটিতে ক্লিক কর, তারপর ok লেখা বেরবে ok তে ক্লিক করলেই ব্লগের আইডি হয়ে গেল
    http://www.nalokpublication.com
    ইমেলে করতে হলে প্রথমে লিংকে ক্লিক করে sing in/Register এ ক্লিক করে ভিতরে ঢুকে Registerএ ক্লিক করতে হবে, তারপর নাম, ইমেল ও পাসওয়াড দিয়ে সেণ্ড করতে হবে ৷
    তারপর নিজের ইমেল আইডি খুলতে হবে ৷ ইমেলে যে কোডটা আসবে তা সেণ্ড করতে হবে ৷

    http://www.nalokpublication.com
    nalokpublication.com কম

  3. আসলে এইদেশের মেয়েদের সাহস কম
    আসলে এইদেশের মেয়েদের সাহস কম , তারাও যদি ধর্ষনে অংশ নিত তাহলে সমাজ অনেক এগিয়ে যেত, উন্নত বিশ্বের মেয়েরা এগুলি নিয়ে এত মাথা ঘামায় না উল্টো তারা সহযোগিতা করে পুরুষ কে কারন একজন পুরুষ যা চায় তাত মেয়েরাই একমাত্র দিতে পারে তাই নয় কি ?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *