যুগ যুগ ধরে

এই সবুজ পল্লবে শুয়ে রব যুগ যুগ ধরে
এখানে সান্ধ্য আলোয় শিশিরেরা পরে,
পায় জড়িয়ে,আনন্দ বয়ে দেয় চুক চুক করে
এখানে সবে সুখি, দুঃখী সবে পরের তরে,
এখানে বন্ধু চপলা মেয়েয় গুনগুন সুরে
ধায় গাঁয়েরি মাঠের পথে, শুনি চুপ করে।

দেখিবে তাঁরে বহন করে বাবার মাথাল খানি
কটিতে করে বেদন, ঝড়ে হৃদের উতাল পানি,
ভুলবে ওরে নয়ন খুড়ে, আবার হাতল ভাত
বলবে মোরে কহন নারে,মোদের বেতাল ঠোঁট
দেয় গো মোরে কেমন করে বুদের তালেল জল
কয় গো ওরে নয়ন পরে, তাঁদের শীতল বোল।

এই ঘন অরণ্যে বসে রব যুগ যুগ ধরে
সই মন গহনে রসে হব যব রত্নাকরে,
তবে পণ ছেঁদন কষে রব এই ঝোপঝাড়ে
প্রভু দান করেন এযে মাঙ এই দোয়া ওরে।


এই সবুজ পল্লবে শুয়ে রব যুগ যুগ ধরে
এখানে সান্ধ্য আলোয় শিশিরেরা পরে,
পায় জড়িয়ে,আনন্দ বয়ে দেয় চুক চুক করে
এখানে সবে সুখি, দুঃখী সবে পরের তরে,
এখানে বন্ধু চপলা মেয়েয় গুনগুন সুরে
ধায় গাঁয়েরি মাঠের পথে, শুনি চুপ করে।

দেখিবে তাঁরে বহন করে বাবার মাথাল খানি
কটিতে করে বেদন, ঝড়ে হৃদের উতাল পানি,
ভুলবে ওরে নয়ন খুড়ে, আবার হাতল ভাত
বলবে মোরে কহন নারে,মোদের বেতাল ঠোঁট
দেয় গো মোরে কেমন করে বুদের তালেল জল
কয় গো ওরে নয়ন পরে, তাঁদের শীতল বোল।

এই ঘন অরণ্যে বসে রব যুগ যুগ ধরে
সই মন গহনে রসে হব যব রত্নাকরে,
তবে পণ ছেঁদন কষে রব এই ঝোপঝাড়ে
প্রভু দান করেন এযে মাঙ এই দোয়া ওরে।

দেখিব বেতুনে বসে পুচ্ছ লালে ভোজে
দেখিব সেখানে নিচে চুপ স্তুপ পিষে
নিদ্রিত শেয়াল,পাশে ভাগ ভাগ পর
ছিদ্রিত দেয়াল বুঝে সবুজের ঘর।
সেখানে ঘুমোতে গিয়ে বিঁধবে পায়ে কাঁটা
নয়নে ঝরাতে দিয়ে, দেখিব বয়ে ব্যথা
পরশমণি মনে হবে গো ওই ব্যথা হৃদয়ে
সবুজ খনী ক’নে রবে লো ওই দূর ওপারে
মিযানে বলিবে প্রভু পাপপুণ্য বুঝি না যে
গহীনে বনেতে ডুবু সব ধ্যান্য পুঁজি সবুজে।

লেখক:- সাইফুল ইসলাম সাইফ

০৬ জানুয়ারি’১৬
মনোহর, শরীয়তপুর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *