আছো কোন বুবু লো!

আছো কোন বুবু লো!
করবে আমায় শাসন!
আছো কোন বুবু লো!
সইবে আমার জ্বালাতন।

আছো কোন বুবু লো!
বলতে আমায় পার-
স্কুলে গেলে ভেঙ্গে দেব ঠ্যাং
বন-বাঁদাঢ়ে দৌড়ঝাঁপ পাড়বি
ভাঙবি রোজ পাখির বাসা তিনখান।

আছো কোন বুবু লো!
হোমওর্য়াক না করলে দিবি সাজা-
মগডালে বসে কাঁচাআম পাড়াবি সারাটা দুপুরবেলা
নদীতে সেদিন নাঁইতে বারণ।

বাবা যদি বলে-
ও-বাড়ির ছোকরাকে কেন মেরেছিস ল্যাং?
আছো কোন বুবু লো!
বাবার সামনে দাঁড়িয়ে বুকফুলিয়ে বলতে পারবি-
ও-বাড়ির রবি কেন আগে ধরেছে খোকার ব্যাঙ?

মা বলে কপালে এঁকে দিলুম চুঁমো
খোকন সোনা এবার তুমি ঘুঁমো
বুবু তুমি বল না-
দুপুরটা মাতিয়ে খোকন সোনাটা জেগে থাক না!


আছো কোন বুবু লো!
করবে আমায় শাসন!
আছো কোন বুবু লো!
সইবে আমার জ্বালাতন।

আছো কোন বুবু লো!
বলতে আমায় পার-
স্কুলে গেলে ভেঙ্গে দেব ঠ্যাং
বন-বাঁদাঢ়ে দৌড়ঝাঁপ পাড়বি
ভাঙবি রোজ পাখির বাসা তিনখান।

আছো কোন বুবু লো!
হোমওর্য়াক না করলে দিবি সাজা-
মগডালে বসে কাঁচাআম পাড়াবি সারাটা দুপুরবেলা
নদীতে সেদিন নাঁইতে বারণ।

বাবা যদি বলে-
ও-বাড়ির ছোকরাকে কেন মেরেছিস ল্যাং?
আছো কোন বুবু লো!
বাবার সামনে দাঁড়িয়ে বুকফুলিয়ে বলতে পারবি-
ও-বাড়ির রবি কেন আগে ধরেছে খোকার ব্যাঙ?

মা বলে কপালে এঁকে দিলুম চুঁমো
খোকন সোনা এবার তুমি ঘুঁমো
বুবু তুমি বল না-
দুপুরটা মাতিয়ে খোকন সোনাটা জেগে থাক না!

মা-বাবা চাচা-চাচি মামা-মামি
খালা-ফুফু দাদা-দাদি নানা-নানী
দাদাবাড়ি নানুবাড়ি ঘর-বাড়ি বাড়ি-ঘর
আমবুড়ি জামবুড়ি ফোকলাবুড়ি
কোঁকড়ানো চুলের জটায়ূঁ কাজলবুড়ো
সব্বাই জানুক খোকনের নামে বরাদ্দ রেখেছিস-
দুপুর থেকে বাঁচিয়ে রাখা কিছুটা রোদ্দুর।

আছো কোন বুবু লো!
খোকনের তরে গেঁথে দিবি মালা
যেদিন বিকেলে কুড়িয়ে আনব পাখির ছানা!
আদরে আদরে লাল করে ফেলবি মুখখানা!
তারপর সারাবেলা তোর ডাক্তারি
আমি তোর সহকারী
কুড়িয়ে যদি পাই- আম কিংবা জাম
আচ্ছা করে ঝাল মাখাবি
আমাকেও দিস একটু তখন কেমন!

মা বকুনি দিলে
চোঁখ মুছে দিবি ফ্রকের কোণায়
জমানো পয়সায় খাওয়াবি মজারখানা
আছো কোন বুবু লো!
সন্ধি করবি জীবনমেলায়!

২৮ ডিসেম্বর ২০১৫
সৃষ্টিপুল, মেহেদীনগর, হিঙ্গুলী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *