নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে শিখছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো

শিক্ষার প্রসারে মেধাবীরা যেন ঝরে না পড়ে সেই জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। গরিব বাবা-মা, হতদরিদ্ররা যারা ছেলে-মেয়েকে স্কুলে পাঠাতেন না, সরকার ওইসব মায়ের নামে অ্যাকাউন্ট করে টাকা দিয়ে তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে উৎসাহী করছে। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি দিয়ে কিছু শিক্ষার্থীকে পরিচর্যা করে শিক্ষা দেওয়া হতো। অন্যরা বঞ্চিত হতো ও ঝরে পড়ত। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কল্যানে সবাইকে বৃত্তির মাধ্যমে, অবৈতনিক করে শিক্ষার ব্যাপারে উৎসাহী করেছে।এমনকি যারা উচ্চ শিক্ষায় আছে তাদেরও বৃত্তির ব্যবস্থা করেছে তার সরকার।পাহাড়ি অঞ্চলসহ দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীদের আবাসিক স্কুল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া আগে প্রতিবন্ধী শিশুদের বাবা-মা তাদের স্কুলে পাঠাতো না। মায়েরা প্রতিবন্ধী সন্তানদের লুকিয়ে রাখতেন। সরকার তাদের পরীক্ষার সময় বাড়িয়ে দিয়ে শিক্ষার ব্যবস্থা করছে। এমনকি কোন ধরনের ডিজঅর্ডারে ভুগছে, তা দেখে ট্রিটমেন্ট দিয়ে স্কুলে নিয়ে আসা হচ্ছে। তাই বাবা-মা এখন আর তাদের প্রতিবন্ধী সন্তানদের লুকিয়ে রাখেন না।সরকার পরিবর্তনের পর অনেক কিছু পরিবর্তন হয়। অনেক উদ্যোগ স্তিমিত হয়ে পড়ে। যেন উদ্যোগ স্তিমিত না হয়। ঝরে পড়া থামানোর জন্য অভিভাবকসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা আর সংস্কৃতির চর্চার ব্যবস্থা করতে হবে। আর তবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ পায়ে দাঁড়াতে শিখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *