পরিক্ষা! পরিক্ষা!! পরিক্ষা!!!

ছেলেটার বয়স ১০ বছর!
তিনি এসেছেন দ্বিতীয় শ্রেণী ভর্তি পরিক্ষা দিতে।
জেলাস্কুল দ্বিতীয় শ্রেণী ভর্তি পরিক্ষা!!!
ইনি আবার গত ২ বছর যাবত কোচিং করছেন!
গতবারও পরিক্ষা দিয়েছিলেন কিন্তু চান্স পান নাই যার দরুন এবার আবার একই ক্লাসে ভর্তি পরিক্ষা দিতে এসেছেন!
বয়স যদিও একটু বেশি তয় ব্যাপার না!
জন্ম নিবন্ধনের কাগজ আছে না!
মাত্র১০০ টাকার বিনিময়ে বয়স এখন তার
৬ বছর ৬ মাস!
যে বয়সে তাঁর চতুর্থ শ্রেনী তে পড়ার কথা, মজা করে স্কুলে যাওয়ার কথা যে সময়ে খেলাধুলা করার কথা মজার মজার স্বপ্ন দেখার কথা সেই সময়ে তাকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে পরিক্ষা সফলতা বিফলতা নামক বিষবাষ্পের ভিতরে।

ছেলেটার বয়স ১০ বছর!
তিনি এসেছেন দ্বিতীয় শ্রেণী ভর্তি পরিক্ষা দিতে।
জেলাস্কুল দ্বিতীয় শ্রেণী ভর্তি পরিক্ষা!!!
ইনি আবার গত ২ বছর যাবত কোচিং করছেন!
গতবারও পরিক্ষা দিয়েছিলেন কিন্তু চান্স পান নাই যার দরুন এবার আবার একই ক্লাসে ভর্তি পরিক্ষা দিতে এসেছেন!
বয়স যদিও একটু বেশি তয় ব্যাপার না!
জন্ম নিবন্ধনের কাগজ আছে না!
মাত্র১০০ টাকার বিনিময়ে বয়স এখন তার
৬ বছর ৬ মাস!
যে বয়সে তাঁর চতুর্থ শ্রেনী তে পড়ার কথা, মজা করে স্কুলে যাওয়ার কথা যে সময়ে খেলাধুলা করার কথা মজার মজার স্বপ্ন দেখার কথা সেই সময়ে তাকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে পরিক্ষা সফলতা বিফলতা নামক বিষবাষ্পের ভিতরে।
ক্লাস টু তে ভর্তির জন্য আবার পরিক্ষা কি!
তাও আবার লিখিত পরিক্ষা!
পরিসংখ্যান টা জানলাম এবার ভর্তি পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করছে মোট প্রায় ৩০০০ জন সেখানে নেওয়া হবে ২৪০ জন। এর ভেতরে আবার কোঠা বিদ্যমান।
যাই হো প্রায় ২৭৬০ জন সেখেনে নিজেকে ব্যর্থ বলে পথ চিনবে। পরবর্তিতে তাদের মানুষিকতা কি হবে কেঊ কি বলতে পারেন!
সে হয়তো
হবে একরোখা!
নয়তো হবে নির্লিপ্ত!
ছোটরা হবে চঞ্চল!
প্রানবন্ত! আনন্দের ডিব্বা!
তাদের থাকবে আকাঙ্ক্ষা নতুনকে জানার!
আচ্ছা বাবা এইটা কি আচ্ছা বাবা ওইটা কি! টাইপ হবে তাদের স্বভাব!
কিন্তু আমি আমরা তাদের ক্লাস ২ তেই তাদের করে ফেলছি নির্লিপ্ত! লোভী!
তার আগ্রহ কে বধ করা হয়েছে আগেই
সে জানে লেখা পড়া খুব বাজে জিনিস
বিচ্ছিরি জিনিস!
ছেলেটি কোথায় পড়বে এ নিয়ে তার বিশেষ আগ্রহ নাই!
আগ্রহ তার বাবা মার আত্মিয়দের।
ছেলে মেয়েটা কিছু করলেই গল্প করার লোভ আমার ছেলে অমুক জায়গায় পড়ে আমার মেয়ে তমুক জায়গায় পড়ে!
তাকে ইচ্ছে মত পড়ার সুযোগ দেয়া হয় না কোন দিন।
কোন দিন কোন অভিভাবক কোন লাইব্রেরীতে নিয়ে গিয়ে বললেন না “বাছা যাও প্রবেশ কর আর শতবিদ্যায়স্নান কর”
তারা বলেন সকালে এই ইংরেজী পড় দুপুড়ে বাংলা রাত্রে পড় গনিত সাধারন জ্ঞান!
সাত আট বছরের কোন ছেলে কে যদি প্রশ্ন করেন,
বলতো খোকা আমেরিকার রাজধানী কোথায়?
সে নিমেশেই বলে দেবে নিউইয়োর্ক!!
কিন্তু যদি প্রশ্ন করেন ১ টা ঘোড়া বছরে ২ ডিম দিলে দুইটা ঘোড়া কয়টা ডিম দেবে।
কিম্বা
একটি ধান গাছে ১ কেজি কাঠ হলে ১০০ টা গাছে কয় কেজি কাঠ হবে!
তাহলে বুঝবেন অবস্থাটা!!
মজার ব্যাপার হল তার পাশে থাকা মায়ের বা বার চোখ!
যত বার শন্তান তার সঠিক উওর দেয় তত বার তার চোখ জ্বলজ্বল করে ঊঠে!
আনন্দে তার ছাতি ১০ ইঞ্চি যেন ফুলে যায়।
কিন্তু ঊওর ভুল দিলে কিম্বা না দিতে পারলে
তাদের চোখ দিয়ে যেন আগুন ছোটে!
নির্লিপ্ত মুখুস্ত করা এই প্রাণি জাতি দেশকে কি দেবে!
আনইন্সটাইন বলেছিলেন, ‪#‎imagination‬ is better than learning ”
কল্পনা করার ক্ষমতা কই! সবই মুখুস্ত!
পরিক্ষা আর পরিক্ষা!
৫ এ পরিক্ষা!
৮ এ পরিক্ষা!
১০ এ পরিক্ষা!!
১২ এ পরিক্ষা!!!!
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষা!
থাক আর না বলি!
এত পরিক্ষা!!!!
ভাই শেখাইলেন কি!?!?!?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *