বাঙালেরা ইংরেজিতে বরাবরই দুর্বল

বাঙালেরা ইংরেজিতে বরাবরই দুর্বল কিন্তু তারপরও তারা বাঙলার পরিবর্তে ইংরেজিতে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। উত্তেজিত হয়ে গেলে অনর্গল ভুল ইংরেজিতে কথা বলে নিজের মূর্খতার নিদর্শন স্থাপন করতেও দ্বিধাবোধ করে না। এক লাইন বাঙলা লিখতে যাদের ঘাম বের হয় তারাও দেখি ইংরেজিকে স্ট্যান্ডার্ড এবং বাঙলাকে লজ্জার কারণ ভেবে থাকে, যা শুধু দুঃখজনকই নয়, লজ্জাজনকও বটে।

– অনেক মানুষকে ১৬ই ডিসেম্বরে বলতে ও লিখতে দেখেছি, Independence Day. যা সম্পূর্ণ ভুল।

-১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস। ইংরেজিতে, Victory Day.

-২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস। ইংরেজিতে, Independence Day.

আবার,


বাঙালেরা ইংরেজিতে বরাবরই দুর্বল কিন্তু তারপরও তারা বাঙলার পরিবর্তে ইংরেজিতে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। উত্তেজিত হয়ে গেলে অনর্গল ভুল ইংরেজিতে কথা বলে নিজের মূর্খতার নিদর্শন স্থাপন করতেও দ্বিধাবোধ করে না। এক লাইন বাঙলা লিখতে যাদের ঘাম বের হয় তারাও দেখি ইংরেজিকে স্ট্যান্ডার্ড এবং বাঙলাকে লজ্জার কারণ ভেবে থাকে, যা শুধু দুঃখজনকই নয়, লজ্জাজনকও বটে।

– অনেক মানুষকে ১৬ই ডিসেম্বরে বলতে ও লিখতে দেখেছি, Independence Day. যা সম্পূর্ণ ভুল।

-১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস। ইংরেজিতে, Victory Day.

-২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস। ইংরেজিতে, Independence Day.

আবার,

অনেক মানুষকে আজ ২৫শে ডিসেম্বর খ্রিষ্টানদের ক্রিসমাস ডে’তে লিখতে দেখছি, Marry Christmas. যা সম্পূর্ণ ভুল। বাঙলায় বড় দিন বলা হয়।

– ইংরেজিতে Merry Christmas.

কোনদিন মন্দিরে, গির্জায়, প্যাগোডায় বলতে শুনি নি, অন্য ধর্মের উৎসবে শুভেচ্ছা জানানো যাবে না। তাদের আনন্দে আনন্দিত হওয়া যাবে না। বিধর্মীদের সাথে মেশা যাবে না। কিন্তু বিভিন্ন মসজিদ, মাহফিল, মাদ্রাসা এবং সর্বশেষ ফেইসবুকের বিভিন্ন পেইজ থেকে প্রায়ই শোনা যায় যে, অন্য ধর্মের উৎসবে শুভেচ্ছা জানালে, ‘তুমি অন্য ধর্মের কাছে মাথা নামাচ্ছ’ কিংবা ‘তোমার সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকার করছ’ ইত্যাদি সাম্প্রদায়িকমূলক হিংসাত্মক কথাবার্তা ছড়ানো হয়।

আমাদের এই বাঙলাদেশ অর্জনের পেছনের ৩০ লক্ষ শহিদ জীবন দিয়েছেন। দুই লক্ষের অধিক নারী নিজের সম্ভ্রম দিয়েছেন। যাদের মধ্যে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, নাস্তিক, আস্তিক, অবিশ্বাসী, বিধর্মী, সংশয়বাদী- বহু ধর্মের, বহু বর্ণের, বহু মতের মানুষ ছিল। সবার রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন একটি দেশের জন্ম হয়েছে। এত ত্যাগের বিনিময়ে যে দেশের জন্ম, সে দেশে এখন উসকানিমূলক ধর্মপ্রচার চলছে। হিংসা-বিদ্বেষ-আক্রমণ-উদ্ধত অহমিকা দ্বারা সমাধান সম্ভব নয়; যা ভালোবাসা দ্বারা সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *