আকালঃকালঃ১১৭৬

সাল ১৭৭০!
সময়টা বেশ খারাপ ঈ ছিল !
………………………………………..
ইংরেজ এক ডাক্তার একবার বলেছিল,
না খেয়ে নাকি সে কাউকে মরতে দেখি নি, কিন্তু খেয়ে ( পেটপুরে) মরতে দেখেছি অনেককে!
কিন্তু কি জানেন আমি(বাঙ্গালী) দেখেছি না খেয়ে মরতে।
শিয়াল কুকুরের সাথে প্রতিযোগিতা করে বড়লোকের ফেলে দেয়া খাদ্য খেতে।

কচুঘেচু শুকনো পুড়া খাওয়া তো সাধারন দৃশ্য!
আমি দেখেছি মানুষের মানুষ খাওয়ার দৃশ্য।

আমি দেখেছি সন্তানের বৃদ্ধ মাতা পিতাকে খেয়ে ফেলা কিম্বা নিজের মৃত বাচ্চাকে নিজের খেয়ে ফেলার দৃশ্য!

হ্যা কাল টা ১১৭৬!

যে কালে বাংলার দুইতৃতীয়াংশ মানুষ কালান্তর হয়।

কারন বিধাতা!

সাল ১৭৭০!
সময়টা বেশ খারাপ ঈ ছিল !
………………………………………..
ইংরেজ এক ডাক্তার একবার বলেছিল,
না খেয়ে নাকি সে কাউকে মরতে দেখি নি, কিন্তু খেয়ে ( পেটপুরে) মরতে দেখেছি অনেককে!
কিন্তু কি জানেন আমি(বাঙ্গালী) দেখেছি না খেয়ে মরতে।
শিয়াল কুকুরের সাথে প্রতিযোগিতা করে বড়লোকের ফেলে দেয়া খাদ্য খেতে।

কচুঘেচু শুকনো পুড়া খাওয়া তো সাধারন দৃশ্য!
আমি দেখেছি মানুষের মানুষ খাওয়ার দৃশ্য।

আমি দেখেছি সন্তানের বৃদ্ধ মাতা পিতাকে খেয়ে ফেলা কিম্বা নিজের মৃত বাচ্চাকে নিজের খেয়ে ফেলার দৃশ্য!

হ্যা কাল টা ১১৭৬!

যে কালে বাংলার দুইতৃতীয়াংশ মানুষ কালান্তর হয়।

কারন বিধাতা!
হ্যা তিনিই!

কেনানা আজ্রাইলের ঘারে তো আর দোষ দায়া যায় না!
তাই,
বৃষ্টি হবে না!
আসুক খরা!
না ফলুক ফসল!
আর সিস্টেম তো খাদ্য না পাইলে কাজ করবে না!
ব্যাপারটা কি শুধুই তাই?!?
না শুধু তাই না!
ব্যাপারটা ইংরেজদের লোভ লালসা আর পুঁজিপতিদের অর্থ মোহ!
ইংরেজরা দেওয়ানি নিয়েঈ শুরু করে শোষন
ঘরে ধান উঠলো কি না তাতী কাপর বুনলো কি না কিম্বা জেলে মাছ ধরলো কি না কোন ব্যাপার না খাজনা আর শুলকো তাদের দিতেই হবে।
আর ব্যবসায়ী শ্রেণী খোলা বাজারের যা কিছু অবশিষ্ট ছিল তাও গুদাম জাত করে বেশ লাভের আশায়।

আর তিনিও সুযোগ পেয়ে যান বাংলার পেয়ারা ইমানদার বান্দাদের কাছে টেনে নেওয়ার!
আজ্রাইলের ঘারে দোষ না চাপিয়েই!
ইশ!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *