ওহাবী শব্দের মর্মকথা ও এ প্রোপাগান্ডার মূল উৎস (প্রথম কিস্তি)

হিন্দুস্হানে প্রচলিত ভাষাসমূহের কোনো অভিধানে ‘ওহাবী’ শব্দটির অস্তিত্ব ইতিপুর্বে ছিলো না.. খ্রিস্টিয় উনবিংশ শতাব্দিতে এ শব্দটি অভিধানের অন্তর্ভূক্ত হয়.. তারপর এই একটি ধর্মীয় শব্দের প্রচলন দ্বারা এতো বিশাল রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ করা হয়েছিলো যা লক্ষ নয় বরং কোটি কোটি টাকা ও সৈন্য সামন্ত ব্যয় করার দ্বারাও অর্জন করা অসম্ভব ছিলো.. শব্দটির অর্থ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে,তারা হলো মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাবের অনুসারীবৃন্দ.. কিন্তু এ মুহাম্মদ ইবনে আ. ওয়াহহাব কে ছিলেন? তার অনুসারীর কি অপরাধ ছিলো?সেটি জানার জন্য কিছু বিস্তারিত বক্তব্য লক্ষনীয়..

মুহাম্মদ ইবনে আ. ওয়াহহাবের পরিচয়,..

হিন্দুস্হানে প্রচলিত ভাষাসমূহের কোনো অভিধানে ‘ওহাবী’ শব্দটির অস্তিত্ব ইতিপুর্বে ছিলো না.. খ্রিস্টিয় উনবিংশ শতাব্দিতে এ শব্দটি অভিধানের অন্তর্ভূক্ত হয়.. তারপর এই একটি ধর্মীয় শব্দের প্রচলন দ্বারা এতো বিশাল রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ করা হয়েছিলো যা লক্ষ নয় বরং কোটি কোটি টাকা ও সৈন্য সামন্ত ব্যয় করার দ্বারাও অর্জন করা অসম্ভব ছিলো.. শব্দটির অর্থ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে,তারা হলো মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাবের অনুসারীবৃন্দ.. কিন্তু এ মুহাম্মদ ইবনে আ. ওয়াহহাব কে ছিলেন? তার অনুসারীর কি অপরাধ ছিলো?সেটি জানার জন্য কিছু বিস্তারিত বক্তব্য লক্ষনীয়..

মুহাম্মদ ইবনে আ. ওয়াহহাবের পরিচয়,..

তিনি ছিলেন আরবের নজদ অন্চলের একজন বিশিষ্ট আলিম..তার ইখলাস ও নিঃস্বার্থতার ওপর কোনো সন্দেহ পোষন করা দুষ্কর ব্যাপার.. তবে তার দাওয়াতে কঠোরতা ছিলো এতে কোনো সন্দহ নেই.আর এ কঠোরতা রক্ষা করতে গিয়ে নানাভিদ সমস্যায় তিনি পতিত হন..নজদের জনৈক আমির মুহাম্মদ ইবনে সউদ তার দীক্ষা গ্রহন করে এবং তার সংস্কার ও ইসলাহী আন্দোলনের সর্ববাত্নক সহযোগিতায় দক্ষিণ হাতের ভুমিকায় অবতির্ণ হয়েছিলো..তখনকার সময় নজদের অনুন্নত অন্চল সমুহ নানা বিশৃংখলায় জর্জরিত ছিলো..ইবনে সাউদ এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জন গোষ্ঠিকে এক প্লাটফরমে একত্রিত করার চিন্তায় মুহাম্মদ ইবনে আ. রহমানের রাজনৈতিক সংস্কারে নিজেকে জড়ালেন.. কথিত আছে ইবনে সউদ ছিলেন নজদের উত্তরান্চলীয় ক্ষুদ্র একটি জনপদের আমীর.. দাওয়াত ও ইসলাহী কর্মতৎপরতার প্রেরণা তার সুবিশাল ও সৎসাহসী হৃদয়ে এক নতুন তরঙ্গ সৃষ্টি করে.. ফলে ক্ষুদ্র পরিসরের সিমানা ছাড়িয়ে তার দৃষ্টি গিয়ে পতিত হয় প্রতিবেশী সরকারগুলোর সুবিস্তৃত পরিমন্ডলে.. সেমতে শায়খের মুরীদ ও ভক্তরা আমীর ইবনে সউদের পতাকাতলে জমায়েত হলো..ফলপ্রসু শায়খের চিন্তা ধারায় 1159 হিজরী মোতাবেক 1746 ইংরেজী সনে শায়খের অনুসারীগন নজদের কেন্দ্রীয় ভুখন্ড রিয়াদ জয় করেন.. রাজকীয় প্রাসাদের ওপর ইবনে সউদের পতাকা পতপত করে উড়তে থাকে.. উন্নত রাজ্যগুলোতে তার অভিযান অব্যাহত থাকে.. ..,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *