বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অতিরিক্ত অর্থায়নে বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে কমে গেছে সিস্টেম লস, তাই এ খাতে সহায়তা বাড়াচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এর আগে সিস্টেম লসের কারণেই এদেশের জন্য প্রয়োজন থাকলেও এ খাতে বিনিয়োগে তেমন আগ্রহ দেখায়নি সংস্থাটি। বিদ্যুৎ খাতের সিস্টেম লস বর্তমানে অত্যন্ত সহনীয় এবং ভারতে যে পরিমাণ সিস্টেম লস হয় তার চেয়েও কম। বর্তমানে বিদ্যুতের সিস্টেম লস কমে আসায় এ খাতে সহায়তা সম্প্রসারণ করছে বিশ্বব্যাংক। এরই অংশ হিসেবে ২০০৮ সালে নেয়া সিদ্ধিরগঞ্জ ৩৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্টে উন্নীত করতে নতুন করে প্রায় ১ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা (১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার) দিচ্ছে সংস্থাটি এবং রবিবার একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব এবং বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর। ২০০৮ সালে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং মোট ব্যয় ছিল ৪৭ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক দিয়েছিল ৩৫ কোটি মার্কিন ডলার। পরবর্তীতে গ্যাস স্বল্পতার কারণে এটিকে পিকিং পাওয়ার প্লান্টে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ জন্য অতিরিক্ত অর্থায়ন হিসেবে বিশ্বব্যাংক এ অর্থ দিচ্ছে। ২০১৬ সাল নাগাদ এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। গত কয়েক বছর ধরে সংস্থাটি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বেশি বিনিয়োগ করছে। বর্তমানে অবকাঠামো উন্নয়নেও অবদান রাখছে, যা বাংলাদেশের দিক থেকে বিবেচনায় ইতিবাচক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *