ভালোবাসার জন্য ফরিয়াদ

ভালোবাসাকে বুকের কাছে চেয়েছি সেভাবে
যেভাবে অন্ধমানুষ ফিরে পেতে চাই তার দৃষ্টিশক্তি।
ভালোবাসাকে চেয়েছি গর্ভবতী জননীর তিল তিল করে গড়া আদরের শিশুধনরূপে,
চেয়েছি তরুর ডালে পাখপাখালির সকালবেলার ময়ূখ ফোটার মুখরিত গানে।
অনিদ্রারোগে আক্রান্ত মানুষের চোখ দিবানিশি ঘুম চাই,
আমি ভালোবাসার গভীর ঘুমে নিরবে আক্রান্ত হতে চেয়েছি আকুলপ্রাণে।
গত শতাব্দীর সব চিহ্ন মুছে ফেলে
আমি নতুনভাবে জন্মেছি এই মাটির ভুবনে।
জীবনের এই প্রেমানন্দে বেঁচে থেকে
কাটাব সময় অন্তহীন ভবের জগতে।
শরীরের স্পর্শ ছুঁয়ে যাবে দেহমন,
প্রান্তরে রোপন করব রজনীগন্ধা কলি।
সভ্যতার শ্রেষ্ঠ সময়ের সুখ নিয়ে

ভালোবাসাকে বুকের কাছে চেয়েছি সেভাবে
যেভাবে অন্ধমানুষ ফিরে পেতে চাই তার দৃষ্টিশক্তি।
ভালোবাসাকে চেয়েছি গর্ভবতী জননীর তিল তিল করে গড়া আদরের শিশুধনরূপে,
চেয়েছি তরুর ডালে পাখপাখালির সকালবেলার ময়ূখ ফোটার মুখরিত গানে।
অনিদ্রারোগে আক্রান্ত মানুষের চোখ দিবানিশি ঘুম চাই,
আমি ভালোবাসার গভীর ঘুমে নিরবে আক্রান্ত হতে চেয়েছি আকুলপ্রাণে।
গত শতাব্দীর সব চিহ্ন মুছে ফেলে
আমি নতুনভাবে জন্মেছি এই মাটির ভুবনে।
জীবনের এই প্রেমানন্দে বেঁচে থেকে
কাটাব সময় অন্তহীন ভবের জগতে।
শরীরের স্পর্শ ছুঁয়ে যাবে দেহমন,
প্রান্তরে রোপন করব রজনীগন্ধা কলি।
সভ্যতার শ্রেষ্ঠ সময়ের সুখ নিয়ে
প্রেম কী আসবে জীবনের এ নষ্ট সাম্রাজ্যে?
অনুর্বর ভূমি কখন উর্বর হবে,
কখন শস্যের দানে ভরে যাবে অনন্তের বন্ধ্যা জমিটুকু?
রাত ভিজে যাবে আলোর পানিতে
কখন সে কোন শুভদিনে, জানি না আমি।
সারারাত শীতের শিশিরে ভিজে ভিজে
শুকাবে কি ঘাস রক্তিম আলোয় চিকচিক করে?
লক্ষীটির মনে লক্ষী মোর মন
ডুব দিবে তিমিরের শেষলগ্নে গল্পশেষে।
প্রতিরাতে বাসরের রঙে ঝিকিমিকি করে
জ্বলে উঠবে শীতল বিছানার ঘরখানা।
প্রতিদিন সকালে নবীন সূর্যের রঙিলা চাদর
গায়ে দিয়ে ভেসে বেড়াব ধূলিময় জীবনের পথে পথে।

২ thoughts on “ভালোবাসার জন্য ফরিয়াদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *